,

ThemesBazar.Com

রানীশংকৈলে পুলিশের নির্দেশ মানেনা সততা লটারী

স্টাফ রিপোটারঃ- ঠাকুরগায়ের রানীশংকৈল থানা পুলিশের কথা শুনে না সততা লটারী কর্তৃপক্ষ। বুধবার ২৫ এপ্রিল থানা অফিসার ইনর্চাজ এর সরকারী মুঠোফোনে লটারী বিক্রয় নিয়ে কথা হলে এমনটাই জানান দায়িত্ব প্রাপ্ত অফিসার ইনর্চাজ সালাহউদ্দিন আহম্মেদ(তদন্ত) তিনি আরো বলেন,তারাতো এ উপজেলায় টিকিট বিক্রি করবে না বলে আমাদের কাছ থেকে গাড়ী নিয়ে গেছেন,তাহলে যে টিকিট বিক্রি চলছেই প্রশ্নে বলেন তারাতো টিকিট বিক্রি করার কথা না এমন জবাবে পাল্টা তাহলে কি লটারী কর্তৃপক্ষ থানার কথা শুনে না প্রশ্নে তিনি একটু নিরবতা পালন করে বলেন তাইতো। তিনি বিষয়টি এড়িয়ে বলেন এটাতো জেলা অনুমোদন দিয়েছে আমাদের কি করার।
মেলার নামে এ লটারী সাধারন মানুষের লাখ লাখ টাকা অনায়াসে গ্রাস করছে। পাশাপাশি গ্রাম গঞ্জে গিয়েও লটারীর টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। এতে সাধার মানুষ কঠিনভাবে অর্থনৈতিক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন । এ কারনে রানীশংকৈলের সচেতন মহল উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় সম্প্রতি কালে আরেকটি মেলা ইতিমধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে সেখানেও লটারী নিয়ে ব্যাপক ব্যাবসা সে সময়ও রানীশংকৈল উপজেলায় লটারী বিক্রি করে সাধারন মানুষদের সর্বশান্ত করা হয়েছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
১৯ এপ্রিল জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার লাহিড়ীতে আনন্দ মেলা উদ্ধোধন হয় বলে জানান সুমন,তিনি উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন সম্পাদক এবং মেলার লটারীর টিকিটের বিষয়টি দেখাশুনা করছেন ।
মেলা উদ্ধোধনের পর থেকেই সততা এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ব্যানারে র‌্যাফ্রেল ড্র লটারী টিকিট লোভনীয় পুরস্কার ঘোষনা তা প্রচার করে বাজারে বিক্রি করতে শুরু করে মেলা কর্তৃপক্ষ। এ লটারীর টিকিট বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা ছেড়ে রানীশংকৈল উপজেলাও বিক্রি করতে আসে একাধিক বিভিন্ন যানবাহনে করে।
অনুমতি ছাড়া অন্য থানায় প্রবেশ করে লটারীর টিকিট বিক্রির অপরাধে গতকাল মঙ্গলবার থানার এস আই আজগর আলী প্রায় ৫টি অটোভ্যান গাড়ীসহ লটারীর টিকিট আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারনে গাড়ীগুলো আবার ছেড়ে দেওয়া হয়। তারা আবার ঐ দিন বিকেল থেকেই রানীশংকৈলের পৌর শহর ও গ্রাম গঞ্জে গিয়ে লটারী বিক্রি করছেন। থানার এমন ভুমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রানীশংকৈলের সাধারন মানুষ। এমনিতেই এ উপজেলায় একের পর এক চুরি ডাকাতি হচ্ছে। এভাবে লটারী বিক্রি শুরু হলে মানুষ লোভের বসতে একজন ব্যক্তি একাধিক লটারীর টিকিট ক্রয় করে অর্থনৈতিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে তখন ভিন্ন পথে যাচ্ছেন বলে মনে করছেন সুধি মহল।
এ নিয়ে মেলা কমিটির একাধিক দায়িত্বশীল ব্যক্তির ফোনে যোগাযোগ করে পাওয়া যায় নি।
রানীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমি আফরিদাকে এ বিষয়ে বলা হলে তিনি ওসি’র সাথে কথা বলে জানাতে চেয়ে আর ফোন রিসিভ করেন নি। একাধিকবার কল দিলেও তিনি আর রিসিভ করেন নি।                                                                                                                              

ThemesBazar.Com

     এ জাতীয় আরো খবর...