Print Print

মা’ কে মারপিটের মামলায় ছেলে কারাগারে

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে মা’কে মারপিটের অভিযোগে ছেলেকে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মায়ের দায়ের করা মামলায় সোমবার দুপুরে রাণীশংকৈলের পৌর মার্কেট এলাকা থেকে এই ছেলেকে আটক করে পুলিশ। ঐদিনই বিকেলে ঠাকুরগাঁও জুডিশিয়াল মেজিস্ট্রেট আদালতের নির্দেশ অনুযায়ি তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে শনিবার উপজেলার নন্দুয়ার ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের মৃত রফিজ উদ্দীনের স্ত্রী আরোশা খাতুন(৫০) তার ছেলে নাসিম উদ্দীন(৩৫) ও ছেলের স্ত্রী আর্জিনা বেগমের নামে মারপিট ও হুমকি প্রদানের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করেন। নির্যাতিত মা এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
তবে মামলা দায়ের করা হলেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি , ছেলের দ্বারা নির্যাতনের স্বীকার মা সোমবার দুপুরে এ অভিযোগ নিয়ে হাসপাতাল থেকে রাণীশংকৈল প্রেসক্লাবে এসেছিলেন। তিনি সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন , মামলা দেয়ার পরেও তার ছেলের বিরুদ্ধে কোনোরকম ব্যবস্থা নিচ্ছে না পুলিশ।
কিন্তু হঠাৎ করেই প্রেসক্লাবে তার ছেলে চলে আসে। তার মা’কে জোর করে বাড়ী নিয়ে যেতে চায়। কিন্তু মা জানিয়ে দেন, ছেলের সাথে তিনি বাড়ী যাবেন না। প্রেসক্লাব থেকে বাইরে বেরিয়ে আসলে তার ছেলে নাসিম আবার জোর করে। টেনে হেঁচড়ে বাড়ী নিয়ে যেতে চায়। অবশেষে তার মা রাস্তায় শুয়ে পড়লে মাকে মারতে উদ্যত হয় নাসিম। এ সময় নিজ মায়ের সাথে অসম্মানজনক আচরণ ও মারতে উদ্যত হওয়ায় স্থানীয়রা নাসিমের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। উত্তেজিত জনতার আক্রোশজনক অবস্থাকে সামাল দিতে স্থানীয় সংবাদকর্মিরা এগিয়ে আসলে তাদের উপরও চড়াও হয় নাসিম। পরে সংবাদকর্মিরা পুলিশকে খবর দিলে থানার এস আই তৌফিকের নেতৃত্বে পুলিশ এসে তাকে আটক করে নিয়ে যায়। বর্তমানে ছেলের দ্বারা নির্যাতিত মা আরোশা খাতুন স্থানীয় সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই দীপংকর ফোনে জানান, আরোশা খাতুন নিজ ছেলে ও ছেলের স্ত্রীর বিরুদ্ধে তাকে মারপিট ও হুমকি প্রদানসহ নির্যাতনের অভিযোগ এনে গত ২০ জুন থানায় মামলা দেন। সেই মামলায় তার ছেলে নাসিম উদ্দীনকে সোমবার আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ADs by sundarban PVC sundarban PVC Ads

ADs by Korotoa PVC Korotoa PVC Ads
ADs by Bank Asia Bank 

Asia Ads

নিচে মন্তব্য করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *