Print Print

‘জ্যাম’ ছবির মহরত করলেন ওবায়দুল কাদের

প্রয়াত নায়ক মান্নার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান কৃতাঞ্জালি কথাচিত্র থেকে ১০ বছর পর আবার ছবি বানানো হচ্ছে। নতুন এই ছবির নাম ‘জ্যাম’। ছবিটি নির্মাণ করবেন নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূল। জমকালো আয়োজনের মধ্যদিয়ে সোমবার দুপুর ১টায় রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয় ‘জ্যাম’ ছবির মহরত। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।
জমকালো মহরত অনুষ্ঠানে ছিলেন চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা, টলিউডের নায়িকা ঋতুপর্নো সেনগুপ্ত, মান্নাপত্নী শেলি মান্না, ফেরদৌস, সিয়াম ইলতিমাস (মান্নাপুত্র), নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূল, সূচন্দা, এটিএম শামসুজ্জামান, ছটকু আহমেদ, মিয়া আলাউদ্দিন, বজলে রাশেদ চৌধুরী, খালদা আক্তার কল্পনা, দিলারা ইয়াসমীন, মাসুম বাবুল, জ্যাকি আলমগীর, প্রযোজক শরীফউদ্দিন দিপু ছাড়াও অনেকে।
এ সময় মান্নাপত্নী শেলি মান্না বলেন, আমাদের এই অনুষ্ঠানে যারা এসেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। পাশাপাশি দুই মন্ত্রী এসে আলোকিত করেছেন সেটাও অনেক বড় পাওয়া। সূচনার মতো অভিনেত্রী আমাদের দোয়া দিয়েছেন এটা বড় পাওয়া। আশা করছি ‘জ্যাম’ ছবিটি দর্শকদের পছন্দের ছবি হবে।প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, মান্না অনেক জনপ্রিয় অভিনেতা ছিলেন। কিন্তু মধ্য গগন থেকে তিনি ঝরে পড়েছেন। আজকের দিনে তার মত অভিনেতা দরকার ছিল। মন্ত্রী আরো বলেন, সিনেমা হতে পারে মানুষের জীবন গঠনের অন্যতম হাতিয়ার। ‘জ্যাম’ যেন তেমনই একটি ছবি হয় সেই কামনা থাকলো।চিত্রনায়িকা সূচন্দা বলেন, মান্না অনেক জনপ্রিয় নায়ক ছিলেন। অনেকদিন পর তার প্রোডাকশন থেকে আবার ছবি বানানো হচ্ছে৷ এই ক্রান্তিকালে এমন উদ্যোগ খুব প্রশংসা পাওয়ার জন্য। এই ছবি ও মান্নার পরিবারের জন্য শুভকামনা থাকলো।ঋতুপর্ণা সেন বলেন, এই অনুষ্ঠানে এসে খুব ভাগ্যমান মনে করেছি। দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দুই বাংলার সংস্কৃতির আদানপ্রদান চলছে। পাশাপাশি দুই বাংলার শিল্পীদের আসা যাওয়ার পথটা মসৃণ না৷ আমি আশা করবো ‘জ্যাম’ ছবির মাধ্যমে মনের জ্যাম দূর করে দুই বাংলার যাতায়াতের পথ সহজ হবে৷এদিকে, মহরত অনুষ্ঠানের সুভেনিয়্যর থেকে জানা যায়, ছবিতে অভিনয় করবেন ফেরদৌস, পূর্ণিমা, আরেফিন শুভ, মৌসুমী, ওমর সানী, মিশা সওদাগর, অমিত হাসান ও চম্পা।আগামী অক্টোবর মাস থেকে জ্যাম ছবির টানা শুটিং শুরু হবে। এটি কৃতাঞ্জলী ব্যানারের নবম অবদান। এর আগে ১৯৯৭ সালের কাজী হায়াৎকে দিয়ে ‘লুটতরাজ’ ছবির প্রযোজনা শুরু করেন। এরপর একে একে লাল বাদশা, আব্বাজান, স্বামী স্ত্রীর যুদ্ধ, দুই বধূ এক স্বামী, আমি জেল থেকে বলছি, মনের সাথে যুদ্ধ, পিতা মাতার আমানত রিলিজ পায়।
ADs by sundarban PVC sundarban PVC Ads

ADs by Korotoa PVC Korotoa PVC Ads
ADs by Bank Asia Bank 

Asia Ads

নিচে মন্তব্য করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *