চট্টগ্রাম ০৮ নভেম্বর ২০২৫: অনিয়ম-দুর্নীতি এবং জালিয়াতির মাধ্যমে শিল্পীদের ৪ কোটি টাকা আত্মসাৎসহ কয়েকটি গুরুতর অপরাধ তদন্ত কমিটি কর্তৃক প্রমাণের পরও ছাত্রলীগের সাবেক গবেষণা সম্পাদক, আওয়ামী সরকারের বিশেষ সুবিধাভোগী, বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রের নির্বাহী প্রযোজক মো: সফির হোসাইন ওরফে ইলন সফির এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। ফলে বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র এখন লুটপাটের মহোৎসবে পরিণত হয়েছে। কেন্দ্রের জেনারেল ম্যানেজার (চলতি দায়িত্ব) মো: ঈমাম হোসাইন এবং নির্বাহী প্রযোজক মো: সফির হোসাইনের নেতৃত্বে ‘হোসাইন সিন্ডিকেট’-এর সদস্যরা জুলাই অভ্যুত্থান অনুষ্ঠানের নামে ভূয়া বাজেট ও বিল ভাউচারের মাধ্যমে চরমভাবে লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি ঈমাম হোসাইনের যোগসাজসে সফির হোসাইন নির্বাহী প্রযোজক হওয়া সত্ত্বেও সরকারের আইন লঙ্ঘন করে জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার সেজে লক্ষ-লক্ষ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করছেন। দেখার কেউ নেই; যেন মগের মুল্লুক।
বিটিভির প্রধান কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ইলন সফিরের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, ছলচাতুরি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে শিল্পীদের কোটি-কোটি টাকা আত্মসাৎসহ বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় গত ০২ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখের নং ১৫.০০.০০০০.০২৩.৩২.০০১.২৪-০৫ স্মারকে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিটিভির মহাপরিচালককে নির্দেশ প্রদান করেন কিন্তু দীর্ঘদিন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ বিটিভিতে চাপা পড়ে থাকে। বিষয়টি নিয়ে দৈনিক ইনকিলাব, দৈনিক যুগান্তরসহ একাধিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে মহাপরিচালক মাহবুবুল আলম বর্তমান পরিচালক (অনুষ্ঠান ও পরিকল্পনা) মো: আজগর আলীকে আহবায়ক করে ৩ সদস্যে বিশিষ্ট একটি ‘তদন্ত কমিটি’ গঠন করেন । কমিটি দীর্ঘদিন তদন্ত শেষে গত ২৬ আগস্ট ২০২৫ তারিখে মহাপরিচালক বরাবরে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।
কমিটি সূত্রে জানা যায়, মো: সফির হোসাইন শুধুমাত্র বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রে তৎকালীন জেনারেল ম্যানেজার (চলতি দায়িত্ব) মাহফুজা আক্তারের সঙ্গে আঁতাত করে ভূয়া বাজেট ও বিল ভাউচারের মাধ্যমে =১,২৩,১২,৭২২/-(১ কোটি ২৩ লক্ষ ১২ হাজার ৭ শত ২২ টাকা) টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন যা তদন্ত কমিটির কাছে প্রমাণ মিলেছে। শুধু এই নয় মো: সফির হোসাইন ইতঃপূর্বেও বহুভাবে দুর্নীতি করেছেন বলে জানা যায়। এত অপরাধ প্রমাণের পরও তদন্ত প্রতিবেদনটি মন্ত্রণালয়ে না পাঠানোর জন্য গ্রামের বাড়ি গাজীপুর এলাকাবাসী হিসেবে একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে ফাইলটি গায়েব করা হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে প্রধান কার্যালয়ে তোড়পাড় শুরু হয় ফলে মহাপরিচালক তদন্ত প্রতিবেদন সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেছেন। উল্লেখ্য, বিটিভির ৩/৪ জন ঊর্ধ্বতন শুধু সফির হোসাইন নয়; দুর্নীতিবাজ ও আওয়ামী আস্তাভাজনদের রক্ষায় ব্যস্ত থাকছেন সবসময়।
এদিকে বিটিভি ঢাকা এবং চট্টগ্রাম কেন্দ্রের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অনেক চেষ্টা তদবির করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে সক্ষতা তৈরি করতে না পারলেও দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তাকে সাবেক জিএম মাহফুজা আক্তারের ন্যয় বর্তমান জেনারেল ম্যানেজার (চলতি দায়িত্ব) মো: ঈমাম হোসাইন মূলত অনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্যই কাছে টেনে নেন। ঢাকা এবং চট্টগ্রাম কেন্দ্রে মো: ঈমাম হোসাইনেরও ক্ষমতার অপব্যবহার, অসদাচরণ, দুর্নীতি এবং অনিয়মের বহু প্রমাণ রয়েছে। তিনি ঢাকা কেন্দ্রে অনুষ্ঠানের নির্মাণের নামে ভুয়া শিল্পীদের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাত করেছেন। বিশেষ করে ঢাকা কেন্দ্রে থাকাকালে ৪১টি মঞ্চ নাটক পুনঃপ্রচার দিয়েও ১ লক্ষ ১৭ হাজার করে মোট ৪৭,৯৭,০০০/- টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম কেন্দ্রে প্রোগ্রাম ম্যানেজার থাকাকালেও “ইতিহাসের এই দিনে”শিরোনামে ২ মিনিটের একটি ধারাবাহিক গ্রাফিক্স কার্ড বারবার প্রচার করে ২৯ বার লক্ষাধিক টাকার বাজেট করে ৩৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এমনকি যদিও গ্রাফিক্স কার্ড বারবার পুনঃপ্রচার করেছে তথাপিও বিভিন্ন জেলায় ভুয়া ভ্রমণ দেখিয়ে ৪ মাসে ৭,২৩,০০০/ টাকা উত্তোলন করেছেন যা কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে বিরল।
মো: ঈমাম হোসাইন আওয়ামী আমলে বিশাল অংকের বিনিময়ে চাকুরী নিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। মো: ঈমাম হোসাইন সব ক্ষেত্রে সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক-সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) আব্দুল মতিনসহ বেশ কয়েকজন আওয়ামী প্রভাবশালী নেতা ও আমলাদের ক্ষমতা প্রয়োগ করে দাম্বিকতার সহিত চাকুরী করে আসছিলেন কিন্তু জুলাই অভ্যুত্থানের পর হটাৎ ভোল পাল্টে ফেনী-নোয়াখালী ইজমের ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে আইন-বিধি-বিধান লঙ্ঘন করে কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তাকে ডিঙিয়ে এবং কর্তৃপক্ষকে জিম্মি করে চট্টগ্রাম কেন্দ্রের জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব দিতে বাধ্য করেন। সরকারি চাকুরির বিধি-বিধান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়র কয়েকটি আদেশে সুস্পষ্ট আদেশ আছে যে, কোনো অবস্থাতেই সিনিয়র কর্মকর্তাকে বাদ দিয়ে অন্য কোনো কর্মকর্তাকে “চলতি দায়িত্ব”প্রদান করা যাবে না অথচ সরকারের সকল আইন লঙ্ঘন করে এই পদে তিনি দীর্ঘসময় ধরে অবৈধভাবে কর্মরত রয়েছেন।
এছাড়া সরকারে আইন, নিয়ম ও আদেশ অনুসারে একজন কর্মকর্তা ৬ মাসের বেশি চলতি দায়িত্বে থাকতে পারেন না এবং দায়িত্বভাতাও নিতে পারেন না কিন্তু মো: ঈমাম হোসাইন ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে একদিকে তিনি সরকারের আইন লঙ্ঘন করে জেনারেল ম্যানেজারের পদ দখল করে আছেন অন্যদিকে অবৈধভাবে মাসে মাসে দায়িত্বভাতাসহ বেতন নিয়ে যাচ্ছেন ।
অন্যদিকে, মো: ঈমাম হোসাইন চট্টগ্রাম কেন্দ্রের দায়িত্ব গ্রহণের পর পরই তিনি তার ফেসবুক প্রোফাইল পিকচার ও স্ট্যাটাস পরিবর্তন করে নিজেকে ‘জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)’ নেতা হিসেবে পরিচয় তুলে ধরেন এবং কেন্দ্রের কার্যক্রম সেই ভাবেই পরিচালনা করতে থাকেন। একজন সরকারি চাকুরিজীবী হিসেবে তার এরূপ কর্মকাণ্ড অসদাচরণের শামিল এবং দণ্ডনীয় অপরাধ হওয়া সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় অনেক শিল্পী, কলাকুশলী, সাংবাদিক এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছেন।
সূত্র জানায়, লেদার টেকনোলজি ইনস্টিটিউট, ঢাকা শাখার ছাত্রলীগের সাবেক গবেষণা সম্পাদক মো: সফির হোসাইন ওরফে ইলন সফির গত ৬ মে ২০১৫ তারিখে ‘প্রযোজক (গ্রেড-২)’ পদে বিটিভিতে যোগদান করেন । যোগদানের পর থেকেই তিনি শিল্পী, কলাকুশলী ও সহকর্মীদের সাথে ছলচাতুরি, অসদাচরণ এবং দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন। সুযোগ বুঝে তিনি বিটিভির দুর্নীতির রানীক্ষ্যত তৎকালীন প্রযোজক ও জাপানের অর্থায়নে “HDTV” প্রকল্পের ‘প্রকল্প পরিচালক’ মাহফুজা আক্তারের সাথে সক্ষতা গড়ে তোলেন। চতুর প্রকৃতির এই কর্মকর্তা সাবেক জিএম মাহফুজা আক্তারের ক্যাশিয়ার হিসেবেই সবচেয়ে পরিচিত। এই সময়েই মাহফুজা আক্তার, সফির হোসাইন এবং তৎকালীন প্রোগ্রাম সেক্রেটারি ইয়াসমিন আক্তার এই প্রজেক্ট থেকে বুয়া, ড্রাইভার, দারোয়ান, স্বামী এবং আত্মীয় স্বজনদের নামে-বেনামে কোটি কোটি টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন যা দুর্নীতি দমন কমিশনে তদন্তাধীন রয়েছে । আত্মসাৎকৃত এই অর্থ দিয়ে মো: সফির হোসাইন চাকরির ৩ বছরের মাথায় গাজীপুরে শশুরবাড়ির পার্শ্বে ৬ একর মুল্যবান জমি, দামি গাড়ি এবং হাতির ঝিলের মতো মূল্যবান জায়গায় ২৬০০ স্কয়ার ফিটের অত্যাধুনিক ফ্ল্যাট ক্রয় করেন।
সূত্র জানায়, বিভিন্ন তদন্তে মো: সফির হোসেনের ইতিপূর্বেও দুর্নীতির বহুমাত্রিক প্রমাণ পাওয়া গেছে কিন্তু তার কোন বিচার হয়নি। এমনকি তিনি জালিয়াতির মাধ্যমেও শিল্পীদের অর্ধ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তদন্ত কমিটির একজন সদস্য জানিয়েছেন। একইভাবে মন্ত্রণালয়ের নং- ১৫.০০.০০০০.০২৩.১২.০০৩.১৫-৩৩৮/৭, তারিখ: ২১ নভেম্বর-২০২২ সংখ্যক প্রজ্ঞাপনে মো: সফির হোসাইনকে ‘প্রযোজক (গ্রেড-১)’ থেকে ‘নির্বাহী প্রযোজক’ পদে পদোন্নতি দেয়া হয় এবং সেই অনুসারে তিনি ২১ তারিখেই মহাপরিচালকের কাছে অর্থাৎ ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে যোগদান করেন। মহাপরিচালক যোগদানপত্র গ্রহণপূর্বক গত ১৩ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখের নং ১৫.৫৪.০০০০.০২১.১২.০০১.২২.২৮৫৯/১(১২) সংখ্যক অফিস আদেশ মোতাবেক মো: সফির হোসাইনকে বিটিভি ঢাকা কেন্দ্রে পদায়ন করে। কিন্তু মো: সফির হোসাইন কর্তৃপক্ষের আদেশকে অগ্রাহ্য করে অর্থ্যাৎ বিটিভি ঢাকা কেন্দ্রে যোগদান না করে অনুপস্থিত থাকেন এবং গোপনে চট্টগ্রাম কেন্দ্রের তৎকালীন জেনারেল ম্যানেজার মোছা: মাহফুজা আক্তারের সঙ্গে আতাত করে ৫৫ লক্ষ টাকার ভুয়া বিল-ভাউচার ও বাজেটের মাধ্যেমে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন। মো: সফির হোসাইনের উল্লিখিত অসদাচারণের জন্য কর্তৃপক্ষ গত ২ মে ২০২৩ তারিখে নং- ১৫.৫৪.০০০০.০২১.০৪.০০১.২২.৩১৮ সংখ্যক অফিস আদেশের মাধ্যমে তাকে শাস্তি প্রদান করেন এবং একইসাথে আত্মসাৎকৃত অর্থ পুনরুদ্ধারের জন্য দুদক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে ।
অন্যদিকে, সাবেক জেনারেল ম্যানেজার মোছা: মাহফুজা আক্তারের ২১ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে মো: সফির হোসাইনকে গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে দুদক থেকে তলব করা হয়েছিল । দুদক সূত্র জানিয়েছে, সফির হোসাইন এবং মাহফুজা আক্তারের তদন্ত প্রায় শেষের দিকে। আশা করছি খুব শিগগিরই তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।
সূত্র আরোও জানায়, শেখ হাসিনা সরকারের বিশেষ সুবিধাভোগী মো: সফির হোসাইন তার নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা প্রোগ্রাম ম্যানেজার (বর্তমান বাংলাদেশ বেতার, রাঙামাটিতে কর্মরত) রোমানা শারমিনকে দিনের পর দিন ছুটি দেখিয়ে কেন্দ্রের তৎকালীন জেনারেল ম্যানেজার (চলতি দায়িত্ব) মোছা: মাহফুজা আক্তারের সাথে আতাত করে ভুয়া বিল ভাউচার ও বাজেটের মাধ্যমে ৪ মাসে শিল্পী সম্মানীর =৬০,৫৮,৩৪৬/- (ষাট লক্ষ আটান্ন হাজার তিনশত সেচল্লিশ) টাকার উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন ।
একাধিক সূত্র জানিয়েছে, মো: সফির হোসাইন ছাত্রলীগের নেতা হিসেবে বিগত সরকারের আমলে অনেক সুবিধা গ্রহণ করেছেন। সুবিধার অংশ হিসেবে সফির হোসাইন ছাত্রলীগের প্রভাব খাটিয়ে ১৭/১১/২০২০ তারিখে নির্বাহী প্রযোজকের দায়িত্ব দিতে বাধ্য করেন তৎকালীন কর্তৃপক্ষকে । তিনি নির্বাহী প্রযোজকের দায়িত্ব নিয়েই বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রে দুর্নীতির বিভিন্ন পন্থা আবিষ্কার করেন; ভিন্ন কায়দায় দুর্নীতি ও আধিপত্য বিস্তার করেই চলছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ৩জন শিল্পী জানান, বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রে এখন আর কোনো কাজের পরিবেশ নেই। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে শিল্পী সম্মানীর লক্ষ-লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। অনুষ্ঠান পুনঃপ্রচার দিয়ে পুনরায় নামে-বেনামে বাজেট করে দুর্নীতি করেই চলেছেন। টাকা ছাড়া বছরে ২/১ প্রোগ্রাম দয়া করে দেন। আবার এ ব্যাপারে কথা বলতে গেলে ওইটাও বন্ধ হয়ে যায়। প্রকৃত পক্ষে এখন এখানে চলছে লুটপাটের মহাউৎসব।
অনেকে বলছেন, অনিয়ম, দুর্নীতি, সেচ্ছাচারিতাসহ বহু অপরাধ প্রমাণের পরও তারা কিভাবে বহাল তবিয়তে থাকে। অপরাধী এবং অপরাধী প্রশ্রয়দাতাদের বিষ দাত ভেঙ্গে মুখোশ উম্মোচন করার সময় এসেছে।
সংবাদ সারাদিন ডেস্ক : 









