ঢাকা ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
স্বাস্থ্য-মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা অভিভাবকহীন পীরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,হুমকির মুখে স্বাস্থ্য সেবা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা, এডহক ডাক্তারের প্রভাবে প্রশ্নবিদ্ধ ঠাকুরগাঁওয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ–যেন দেখার কেউ নেই ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক বিভাগের একটি চিঠিতে আতঙ্কিত জমির মালিক চাপা উত্তেজনা পীরগঞ্জে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, এসপি বরাবর অভিযোগ পীরগঞ্জ আল-হাসানা স্কুল এন্ড কলেজের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ স্থাপেনর সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে : মির্জা ফখরুল কর্তব্যরত অবস্থায় ঠাকুরগায়ের পীরগঞ্জ থানার এক এএসআই’র মৃত্যু যখন গনতন্ত্র চাপা থাকে তখন উগ্রবাদী শক্তিগলোর উল্থন ঘটে,তারা মাথা চাড়া দিয়ে উঠে-ঠাকুরগায়ে মির্জা ফখরুল ঠাকুরগায়ের ৩ টি আসনেই বিএনপি’র বিজয়,প্রতিদ্বন্দিতা করেছে জামায়াত ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির অর্ধ-কোটি টাকাসহ আটক,এলাকায় চাঞ্চল্য

ঠাকুরগায়ে সম্পত্তির ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে একমাত্র ছেলে মৃত বাবার লাশ দাফনে বাধা দে

আজম রেহমান, ঠাকুরগাঁও  ব্যুরো: ঠাকুরগায়ে সম্পত্তির ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে একমাত্র ছেলে মৃত বাবার লাশ দাফনে বাধা দেয়। একমাত্র ছেলের বাধার কারেন মৃতু্র ২৩ ঘন্টা পরে দাফন করা হয় বৃদ্ধ পিতার মরদেহ। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দুওসুও ইউনিয়নের পশ্চিম সরলিয়া গ্রামে। একমাত্র ছেলে উপজেলার সরলিয়া গ্রামের মহসিন আলী বাবার ভরণ পোষণ না করায় উপজেলায় মহিষমারী গ্রামে মেয়ে বিউটি আক্তারের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে ছিলেন বাবা তসলিম উদ্দিন(৭০)। মেয়ে বিউটি আক্তারই বাবার দেখাশুনা এবং চিকিৎসা করাচ্ছিলেন।
৩০ নভেম্বর সন্ধ্যায় বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান তসলিম উদ্দীন। আত্মীয়-স্বজনদের জানিয়ে রাতেই দাফন করার জন্য মরদেহ নেয়া হয় পশ্চিম সরলিয়া গ্রামের নিজ বাড়িতে। কিন্তু ছেলে মহসিন আলী বাবার মরদেহ বাড়িতে ঢুকতে বাধা দেয়। এরপর তসলিম উদ্দীনের মরদেহ স্থান পায় পাশেই ভাইয়ের বাড়ির বারান্দায়।

স্থানীয়রা জানান,ছেলের সহযোগীতা না পেয়ে, মেয়েদের নামে সম্পত্তি লিখে দেওয়ার কারণে তসলিম উদ্দীনের ছেলে মহসিন আলী বাবার মৃত্যু স্বাভাবিক হয়নি অভিযোগ তুলে রোববার রাতে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। এরপরে মরদেহ দাফন নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। স্থানীয়দের অনুরোধে মরদেহ নেওয়া হয় ছেলে বাড়িতে।
এ বিষয়ে মহসিন আলী বলেন, বাবা বোনের বাড়িতে মারা যাওয়ায় সন্দেহ হয়েছিল। এ কারণে থানায় অভিযোগ করেছি। সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ আগের। এখানে সম্পত্তির কোনো বিষয় নয়। এখন আমরা সবাই আপোষ হয়ে গেছি।
দু্ওসুও ইউনিয়নের ইউপি সদস্য হবিবুর রহমান বলেন, মৃত্যুর পরপরই জমি ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে ছেলে লাশ আটকে রাখে। পরে দু’পক্ষকে নিয়ে বসে মীমাংসা করা হয়। দুপুরের পর কবর খুঁড়ার অনুমতি দেয় মহসিন আলী। এরপরে সন্ধার আগে জানাজা শেষে তার বাবার দাফন করা হয়।

বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো: দুরুল হুদা বলেন, এটি সম্পূর্ণ পারিবারিক সমস্যা। গতরাতে ছেলে একটি অভিযোগ দিয়েছিল। পরে আর কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং মৃত্যুর বিষয়ে সন্দেহ দূর হওয়ায় ময়না তদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং দাফন হয়ে গেছে।

 

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

স্বাস্থ্য-মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা অভিভাবকহীন পীরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,হুমকির মুখে স্বাস্থ্য সেবা

ঠাকুরগায়ে সম্পত্তির ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে একমাত্র ছেলে মৃত বাবার লাশ দাফনে বাধা দে

আপডেট টাইম ০৩:১৪:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

আজম রেহমান, ঠাকুরগাঁও  ব্যুরো: ঠাকুরগায়ে সম্পত্তির ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে একমাত্র ছেলে মৃত বাবার লাশ দাফনে বাধা দেয়। একমাত্র ছেলের বাধার কারেন মৃতু্র ২৩ ঘন্টা পরে দাফন করা হয় বৃদ্ধ পিতার মরদেহ। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দুওসুও ইউনিয়নের পশ্চিম সরলিয়া গ্রামে। একমাত্র ছেলে উপজেলার সরলিয়া গ্রামের মহসিন আলী বাবার ভরণ পোষণ না করায় উপজেলায় মহিষমারী গ্রামে মেয়ে বিউটি আক্তারের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে ছিলেন বাবা তসলিম উদ্দিন(৭০)। মেয়ে বিউটি আক্তারই বাবার দেখাশুনা এবং চিকিৎসা করাচ্ছিলেন।
৩০ নভেম্বর সন্ধ্যায় বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান তসলিম উদ্দীন। আত্মীয়-স্বজনদের জানিয়ে রাতেই দাফন করার জন্য মরদেহ নেয়া হয় পশ্চিম সরলিয়া গ্রামের নিজ বাড়িতে। কিন্তু ছেলে মহসিন আলী বাবার মরদেহ বাড়িতে ঢুকতে বাধা দেয়। এরপর তসলিম উদ্দীনের মরদেহ স্থান পায় পাশেই ভাইয়ের বাড়ির বারান্দায়।

স্থানীয়রা জানান,ছেলের সহযোগীতা না পেয়ে, মেয়েদের নামে সম্পত্তি লিখে দেওয়ার কারণে তসলিম উদ্দীনের ছেলে মহসিন আলী বাবার মৃত্যু স্বাভাবিক হয়নি অভিযোগ তুলে রোববার রাতে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। এরপরে মরদেহ দাফন নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। স্থানীয়দের অনুরোধে মরদেহ নেওয়া হয় ছেলে বাড়িতে।
এ বিষয়ে মহসিন আলী বলেন, বাবা বোনের বাড়িতে মারা যাওয়ায় সন্দেহ হয়েছিল। এ কারণে থানায় অভিযোগ করেছি। সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ আগের। এখানে সম্পত্তির কোনো বিষয় নয়। এখন আমরা সবাই আপোষ হয়ে গেছি।
দু্ওসুও ইউনিয়নের ইউপি সদস্য হবিবুর রহমান বলেন, মৃত্যুর পরপরই জমি ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে ছেলে লাশ আটকে রাখে। পরে দু’পক্ষকে নিয়ে বসে মীমাংসা করা হয়। দুপুরের পর কবর খুঁড়ার অনুমতি দেয় মহসিন আলী। এরপরে সন্ধার আগে জানাজা শেষে তার বাবার দাফন করা হয়।

বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো: দুরুল হুদা বলেন, এটি সম্পূর্ণ পারিবারিক সমস্যা। গতরাতে ছেলে একটি অভিযোগ দিয়েছিল। পরে আর কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং মৃত্যুর বিষয়ে সন্দেহ দূর হওয়ায় ময়না তদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং দাফন হয়ে গেছে।