সংবাদ শিরোনাম
তারেক রহমানের নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে- মির্জা ফখরুল ঠাকুরগাঁওয়ে দাম্পত্য কলহের জেরে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধুর মৃত্যু, স্বামী পলাতক সাংবাদিকতার চাইতে চ্যালেঞ্জিং পেশা আর নেই-মির্জা ফখরুল পীরগঞ্জ প্রাণিসম্পদ দপ্তরে নির্ধারিত ৫শ৪৬ খামারীর মাঝে পশুখাদ্য ও উপকরণ বিতরণ পীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদে এমপি’র অফিস উদ্বোধন পীরগঞ্জে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে স্থানীয় এমপি;র মত-বিনীময় সভা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলের ১ম ত্রৈ-মাসিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত পীরগঞ্জে সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৩ কিলোমিটার খাল-খনন প্রকল্পের উদ্বোধন পীরগঞ্জে পূর্ব চৌরাস্তা ব্যাবসায়ী সমিতি নির্বাচন-রব্বানী সভাপতি, রাজা সম্পাদক পীরগঞ্জে সিসি ক্যামেরার আওতায় নকলমুক্ত পরিবেশে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

পীরগঞ্জে প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে জাল সনদে চাকরি করার অভিযোগ

পীরগঞ্জ ( ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে মোসাম্মৎ সৈয়দা পারভীন নামে এক প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে জাল সনদে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে (২০ এপ্রিল) সোমবার ঠাকুরগাঁও জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছেন জয়নুল আবেদীন নামে এক সচেতন ব্যক্তি।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পীরগঞ্জ উপজেলার বৈরচুনা সরকারপাড়া নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোসাম্মৎ সৈয়দা পারভীন দা ইউনিভার্সিটি অফ কুমিল্লা নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিএসএস অনার্স পাশের জাল সনদ ব্যবহার করে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সেই সনদটির আইডি/ রোল নং ০০এসপি ৪৪৪০০১৮, রেজিস্ট্রেশন নং ০০৪৪০১৮, পাসের সন ২০০৩, প্রাপ্ত নম্বর ৩.৫০, সেশন ২০০০ (এসপি) ২০০৩, সিরিয়াল নং ১১৮ ও সনদ পত্রের ইস্যুর তারিখ ২৩ জানুয়ারি ২০০৪ ইং দেখানো হয়েছে। কিন্তু তার নামে ইস্যুকৃত সনদটি সরকারি ওয়েবসাইটে খুঁজতে গেলে কোন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। এতেই পরিলক্ষিত হয় যে তার এই সনদটি জাল।
তার জাল সনদের বিষয়ে সেই এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে বেশ মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। তারা এই দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষিকা মোসাম্মৎ সৈয়দা পারভীনের বিচার দাবি করেছেন। এবং তার স্থলে যোগ্য ব্যক্তিকে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দিয়ে বিদ্যালয়টির শিক্ষার মান বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।
সেই সাথে অভিযোগ রয়েছে, তিনি তার বিদ্যালয়টি নিজ খেয়াল খুশি মত চালিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সব শিক্ষক ও কর্মচারী বাইরের এলাকার মানুষদের নিয়োগ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে মোকলেসুর রহমান ও আব্দুল করিম নামে স্থানীয় বাসিন্দা জানান, বিদ্যালয়ের বিষয়ে কোন কথা বলতে গেলে প্রধান শিক্ষিকা ও তার স্বামী বলেন আমরা স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছি আমরা স্কুলে জমি দিয়েছি আপনাদের এখানে কি আছে বলে লাঞ্ছিত করেন।
নাম প্রকাশে অনিশ্চুক স্থানীয় কয়েকজন মহিলা জানান, স্কুলের বিষয়ে কি বলবো আমরা, প্রধান শিক্ষিকা ও তার স্বামী স্কুলের মাঠেও আমাদের যেতে দেয়না। শিক্ষার্থী আসে প্রতিদিন মাত্র ৮ হতে ১০ জন। যা শিক্ষক কর্মচারীর থেকেও কম উপস্থিতি। তাই প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে প্রধান শিক্ষিকা মোসাম্মৎ সৈয়দা পারভীন জানান, আমি অসুস্থ আমার সাথে কি লাগাইছেন আপনারা। পরে তার স্বামী আজিমুল জানান, আমাদের সব সনদ জাল আপনাদের যা করার করেন আমাদেরও অনেক লোক আছে।
এ ব্যাপারে পীরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আরিফুল্লাহ্ জানান, অভিযোগ পেয়েছি বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহিন আখতার বলেন, তার সনদ যদি জাল হয়ে থাকে তাহলে তার ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

তারেক রহমানের নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে- মির্জা ফখরুল

পীরগঞ্জে প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে জাল সনদে চাকরি করার অভিযোগ

আপডেট টাইম ০৫:০০:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

পীরগঞ্জ ( ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে মোসাম্মৎ সৈয়দা পারভীন নামে এক প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে জাল সনদে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে (২০ এপ্রিল) সোমবার ঠাকুরগাঁও জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছেন জয়নুল আবেদীন নামে এক সচেতন ব্যক্তি।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পীরগঞ্জ উপজেলার বৈরচুনা সরকারপাড়া নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোসাম্মৎ সৈয়দা পারভীন দা ইউনিভার্সিটি অফ কুমিল্লা নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিএসএস অনার্স পাশের জাল সনদ ব্যবহার করে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সেই সনদটির আইডি/ রোল নং ০০এসপি ৪৪৪০০১৮, রেজিস্ট্রেশন নং ০০৪৪০১৮, পাসের সন ২০০৩, প্রাপ্ত নম্বর ৩.৫০, সেশন ২০০০ (এসপি) ২০০৩, সিরিয়াল নং ১১৮ ও সনদ পত্রের ইস্যুর তারিখ ২৩ জানুয়ারি ২০০৪ ইং দেখানো হয়েছে। কিন্তু তার নামে ইস্যুকৃত সনদটি সরকারি ওয়েবসাইটে খুঁজতে গেলে কোন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। এতেই পরিলক্ষিত হয় যে তার এই সনদটি জাল।
তার জাল সনদের বিষয়ে সেই এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে বেশ মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। তারা এই দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষিকা মোসাম্মৎ সৈয়দা পারভীনের বিচার দাবি করেছেন। এবং তার স্থলে যোগ্য ব্যক্তিকে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দিয়ে বিদ্যালয়টির শিক্ষার মান বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।
সেই সাথে অভিযোগ রয়েছে, তিনি তার বিদ্যালয়টি নিজ খেয়াল খুশি মত চালিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সব শিক্ষক ও কর্মচারী বাইরের এলাকার মানুষদের নিয়োগ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে মোকলেসুর রহমান ও আব্দুল করিম নামে স্থানীয় বাসিন্দা জানান, বিদ্যালয়ের বিষয়ে কোন কথা বলতে গেলে প্রধান শিক্ষিকা ও তার স্বামী বলেন আমরা স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছি আমরা স্কুলে জমি দিয়েছি আপনাদের এখানে কি আছে বলে লাঞ্ছিত করেন।
নাম প্রকাশে অনিশ্চুক স্থানীয় কয়েকজন মহিলা জানান, স্কুলের বিষয়ে কি বলবো আমরা, প্রধান শিক্ষিকা ও তার স্বামী স্কুলের মাঠেও আমাদের যেতে দেয়না। শিক্ষার্থী আসে প্রতিদিন মাত্র ৮ হতে ১০ জন। যা শিক্ষক কর্মচারীর থেকেও কম উপস্থিতি। তাই প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে প্রধান শিক্ষিকা মোসাম্মৎ সৈয়দা পারভীন জানান, আমি অসুস্থ আমার সাথে কি লাগাইছেন আপনারা। পরে তার স্বামী আজিমুল জানান, আমাদের সব সনদ জাল আপনাদের যা করার করেন আমাদেরও অনেক লোক আছে।
এ ব্যাপারে পীরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আরিফুল্লাহ্ জানান, অভিযোগ পেয়েছি বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহিন আখতার বলেন, তার সনদ যদি জাল হয়ে থাকে তাহলে তার ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।