ঢাকা ১০:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা, এডহক ডাক্তারের প্রভাবে প্রশ্নবিদ্ধ ঠাকুরগাঁওয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ–যেন দেখার কেউ নেই ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক বিভাগের একটি চিঠিতে আতঙ্কিত জমির মালিক চাপা উত্তেজনা পীরগঞ্জে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, এসপি বরাবর অভিযোগ পীরগঞ্জ আল-হাসানা স্কুল এন্ড কলেজের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ স্থাপেনর সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে : মির্জা ফখরুল কর্তব্যরত অবস্থায় ঠাকুরগায়ের পীরগঞ্জ থানার এক এএসআই’র মৃত্যু যখন গনতন্ত্র চাপা থাকে তখন উগ্রবাদী শক্তিগলোর উল্থন ঘটে,তারা মাথা চাড়া দিয়ে উঠে-ঠাকুরগায়ে মির্জা ফখরুল ঠাকুরগায়ের ৩ টি আসনেই বিএনপি’র বিজয়,প্রতিদ্বন্দিতা করেছে জামায়াত ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির অর্ধ-কোটি টাকাসহ আটক,এলাকায় চাঞ্চল্য ঠাকুরগাঁয়ে হ্যাঁ ভোটের প্রচারনায় শ্রম উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার এম শাখাওয়াত

হরিপুরে সীমান্তবর্তী গ্রামের শামসুল হক মাস্টারের মৌমাছি বান্ধব বাড়ি

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি::
‘মৌমাছি, মৌমাছি, কোথা যাও নাচি নাচি দাঁড়াও না একবার ভাই।
ওই ফুল ফোটে বনে, যাই মধু আহরণে দাঁড়াবার সময় তো নাই। ”
বাস্তবে তাদের দাঁড়াবারও সময় নাই। ফুল থেকে মধু আহরণ করে জমাচ্ছে মৌমাছির দল।
এটা কোন বনে জঙ্গলে নয়, লোকালয়ে বাড়ির চার পাশে। এমন দৃশ্য চোখে পড়বে ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী ডাবরি গ্রামের শামসুল হক ওরফে নেনকু মাস্টারের বাড়িটিতে। ঠাকুরগাঁও
জেলা সদর থেকে প্রায় ৬০
কিলোমিটার দূরে হরিপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী ডাবরি গ্রামের নেনকু মাস্টারের বাড়িতে র্দীঘদিন থেকে ১২টি মৌচাক বাড়ির বাহিরে ও ভিতরে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছে।
এলাকার চারপাশ থেকে বিভিন্ন ফুলের মধু সংগ্রহ করে চাক তৈরি করেছে মৌমাছির দল।
বাড়ির বিভিন্ন স্থানে মৌমাছিরা অবস্থান করায় নজর কাড়ছে এলাবাসীর। শামসুল হক ওরফে নেনকু মাস্টারের বাড়িটি মৌমাছি বান্ধব হওয়ায় আশপাশের এলাকার লোকজন প্রতিদিন বাড়িটিতে ভিড় জমাচ্ছেন মৌমাছি দেখতে ও মধু কেনার জন্য।
বাড়ির মালিক শামসুল হক মাস্টার জানান, মৌমাছি নিজেরাই তার বাড়িতে এসে বাসা বেঁধেছে বছর ১০ বছর আগে। এলাকার ও পরিবারের কেউ মৌমাছি গুলোকে বিরক্ত করে না আর মৌমাছিরাও তাদের আক্রমণ করে না বলে জানান তিনি।
মৌচাক থেকে প্রতিমাসে দুইবার মধু সংগ্রহ করেন বাড়ির মালিক। প্রতিবার ১২-২০ কেজি মধু সংগ্রহ করেন তিনি। এতে বছরে ২৪ বারে ৪শ’ কেজি মধু সংগ্রহ করেন বাড়ি মালিক।
মৌচাক মধু সংগ্রহের পর নিজে ভাগের অংশ ৪শ’ টাকা দরে বিক্রি করেন। এবং বাকি অর্ধেক নিয়ে যান মধু সংগ্রহকারীরা।
মৌমাছি সম্পর্কে ঠাকুরগাঁও হ্যাডস্ কৃষি ডিপ্লোমা কলেজের অধ্যক্ষ সফিউল আলম বলেন, পরিশ্রমী আদর্শ প্রাণী হিসেবে এদের সহজে আলাদা করা যায়। কারণ এরা নির্দিষ্ট বিধি বিধান ও সুশৃঙ্খলার মধ্যে আবদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, পৃথিবীতে হাজারও প্রজাতির মৌমাছি আছে। এদের মধ্যে এপিস সেরানা নামের মৌমাছি এদেশের গ্রামে-গঞ্জে দেখা যায়। এরা সাধারণত গাছের গর্তে, বাসা, দালানের কার্নিশ, সানশেড, ইটের স্তুপ ও মাটির গর্তে বাসা বাঁধে। প্রতি চাকে একটি রাণী, শতাধিক পুরুষ মৌমাছি থাকে আর এদের নেতৃত্বে আরো ২৫-৩০ হাজার সৈনিক মৌমাছি মিলে দলবদ্ধভাবে বসবাস করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে বলে জানান অধ্যক্ষ সফিউল আলম।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা, এডহক ডাক্তারের প্রভাবে প্রশ্নবিদ্ধ ঠাকুরগাঁওয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ–যেন দেখার কেউ নেই

হরিপুরে সীমান্তবর্তী গ্রামের শামসুল হক মাস্টারের মৌমাছি বান্ধব বাড়ি

আপডেট টাইম ১২:৩৪:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০১৯

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি::
‘মৌমাছি, মৌমাছি, কোথা যাও নাচি নাচি দাঁড়াও না একবার ভাই।
ওই ফুল ফোটে বনে, যাই মধু আহরণে দাঁড়াবার সময় তো নাই। ”
বাস্তবে তাদের দাঁড়াবারও সময় নাই। ফুল থেকে মধু আহরণ করে জমাচ্ছে মৌমাছির দল।
এটা কোন বনে জঙ্গলে নয়, লোকালয়ে বাড়ির চার পাশে। এমন দৃশ্য চোখে পড়বে ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী ডাবরি গ্রামের শামসুল হক ওরফে নেনকু মাস্টারের বাড়িটিতে। ঠাকুরগাঁও
জেলা সদর থেকে প্রায় ৬০
কিলোমিটার দূরে হরিপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী ডাবরি গ্রামের নেনকু মাস্টারের বাড়িতে র্দীঘদিন থেকে ১২টি মৌচাক বাড়ির বাহিরে ও ভিতরে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছে।
এলাকার চারপাশ থেকে বিভিন্ন ফুলের মধু সংগ্রহ করে চাক তৈরি করেছে মৌমাছির দল।
বাড়ির বিভিন্ন স্থানে মৌমাছিরা অবস্থান করায় নজর কাড়ছে এলাবাসীর। শামসুল হক ওরফে নেনকু মাস্টারের বাড়িটি মৌমাছি বান্ধব হওয়ায় আশপাশের এলাকার লোকজন প্রতিদিন বাড়িটিতে ভিড় জমাচ্ছেন মৌমাছি দেখতে ও মধু কেনার জন্য।
বাড়ির মালিক শামসুল হক মাস্টার জানান, মৌমাছি নিজেরাই তার বাড়িতে এসে বাসা বেঁধেছে বছর ১০ বছর আগে। এলাকার ও পরিবারের কেউ মৌমাছি গুলোকে বিরক্ত করে না আর মৌমাছিরাও তাদের আক্রমণ করে না বলে জানান তিনি।
মৌচাক থেকে প্রতিমাসে দুইবার মধু সংগ্রহ করেন বাড়ির মালিক। প্রতিবার ১২-২০ কেজি মধু সংগ্রহ করেন তিনি। এতে বছরে ২৪ বারে ৪শ’ কেজি মধু সংগ্রহ করেন বাড়ি মালিক।
মৌচাক মধু সংগ্রহের পর নিজে ভাগের অংশ ৪শ’ টাকা দরে বিক্রি করেন। এবং বাকি অর্ধেক নিয়ে যান মধু সংগ্রহকারীরা।
মৌমাছি সম্পর্কে ঠাকুরগাঁও হ্যাডস্ কৃষি ডিপ্লোমা কলেজের অধ্যক্ষ সফিউল আলম বলেন, পরিশ্রমী আদর্শ প্রাণী হিসেবে এদের সহজে আলাদা করা যায়। কারণ এরা নির্দিষ্ট বিধি বিধান ও সুশৃঙ্খলার মধ্যে আবদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, পৃথিবীতে হাজারও প্রজাতির মৌমাছি আছে। এদের মধ্যে এপিস সেরানা নামের মৌমাছি এদেশের গ্রামে-গঞ্জে দেখা যায়। এরা সাধারণত গাছের গর্তে, বাসা, দালানের কার্নিশ, সানশেড, ইটের স্তুপ ও মাটির গর্তে বাসা বাঁধে। প্রতি চাকে একটি রাণী, শতাধিক পুরুষ মৌমাছি থাকে আর এদের নেতৃত্বে আরো ২৫-৩০ হাজার সৈনিক মৌমাছি মিলে দলবদ্ধভাবে বসবাস করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে বলে জানান অধ্যক্ষ সফিউল আলম।