ঢাকা ১০:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
যখন গনতন্ত্র চাপা থাকে তখন উগ্রবাদী শক্তিগলোর উল্থন ঘটে,তারা মাথা চাড়া দিয়ে উঠে-ঠাকুরগায়ে মির্জা ফখরুল ঠাকুরগায়ের ৩ টি আসনেই বিএনপি’র বিজয়,প্রতিদ্বন্দিতা করেছে জামায়াত ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির অর্ধ-কোটি টাকাসহ আটক,এলাকায় চাঞ্চল্য ঠাকুরগাঁয়ে হ্যাঁ ভোটের প্রচারনায় শ্রম উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার এম শাখাওয়াত স্বাস্থ্য বিভাগের বিধি-বহির্ভূত আদেশে ক্ষোভ, ঠাকুরগাঁওয়ে ডাক্তারের বদলীর বিতর্কিত আদেশ বাতিলের দাবীতে মানববন্ধন,স্বারকলিপি পীরগঞ্জে সরকারি স্কুল শিক্ষকদের গণভোট সম্পর্কে অবহিতকরণ স্বাস্থ্য পরিচালকের শেষ কর্মদিবসেও বদলী বানিজ্য- প্রশাসনে দুর্নিতীর রেকর্ড ভঙ্গ দেশের পরিস্থিতি নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন, সরকার অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে ব্যার্থ হয়েছে-বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হেভিওয়েট প্রার্থীদের মনোনয়ন বাদ পড়ায় হতাশ জামায়াত, আপিলে ভরসা ২৩ বছর পর ঠাকুরগাঁও সফরে আসছেন তারেক রহমান

হলফনামায় মির্জা ফখরুলের বছরে আয় ১১ লাখ, হাতে আছে সোয়া কোটি

আজম রেহমান,ঠাকুরগা ব্যুরো::
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিএনপি প্রার্থী ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামায় তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ, আয়-ব্যয় এবং মামলার বিস্তারিত তথ্য দাখিল করেছেন। তার বার্ষিক আয় ১১ লাখ ৮৩ হাজার ১৩৩ টাকা। তার হাতে নগদ আছে ১ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ১১৬ টাকা ৭৭ পয়সা।
ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, হলফনামা অনুযায়ী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জন্ম ১৯৪৮ সালের ১ আগস্ট। মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় তার বয়স ৭৭ বছর। তিনি এমএ ডিগ্রিধারী এবং পেশায় রাজনীতিবিদ।
স্থাবর সম্পদঃ
হলফনামায় উল্লেখ করা হয়, মির্জা ফখরুলের নামে রয়েছে মোট ৫ একর কৃষিজমি, যার অর্জনকালীন মূল্য ৬০ হাজার টাকা। তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ৭০ শতাংশ ও ২ দশমিক ১৪ একর জমি, যার মূল্য দেখানো হয়েছে ৫১ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত দোতলা বাড়ির অংশের মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ১০ লাখ টাকা। অকৃষিজমির ক্ষেত্রে ঠাকুরগাঁওয়ে স্বামী-স্ত্রীর যৌথ নামে রয়েছে ১২ শতাংশ জমি, যার মূল্য ৩৯ লাখ ৭২ হাজার টাকা। ঢাকার পূর্বাচলে তার নামে রয়েছে ৫ কাঠা জমি, যার আনুমানিক মূল্য ৮৫ লাখ ৪ হাজার টাকা।
ভবন ও আবাসিক সম্পদের তালিকায় ঢাকায় অবস্থিত ১ হাজার ৯৫০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট (মূল্য ২০ লাখ ৫০ হাজার টাকা), ৪ শতাংশ জমি (মূল্য ৫ লাখ টাকা) এবং একটি মার্কেটের শেয়ার বাবদ ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৮১৪ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে স্বামী-স্ত্রীর নামে অন্যান্য স্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৩৯ লাখ ৬৫ হাজার ৮১৪ টাকা।
অস্থাবর সম্পদ
ব্যাংক হিসাবে দেখা যায়, মির্জা ফখরুলের নামে উত্তরা ব্যাংক (ঠাকুরগাঁও শাখা) হিসাবে জমা আছে ৫ হাজার ২ টাকা, পূবালী ব্যাংক (ঠাকুরগাঁও) হিসাবে ১ লাখ ৯ হাজার ৮০৪ টাকা ৫০ পয়সা এবং অগ্রণী ব্যাংক (ঢাকা শাখা) হিসাবে ২ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৭ টাকা ৪৭ পয়সা। মোট অর্থ ৩ লাখ ৮২ হাজার ১৫২ টাকা ৯৬ পয়সা। এছাড়া স্বামী-স্ত্রীর যৌথ নামে পূবালী ব্যাংক (গুলশান করপোরেট শাখা), এক্সিম ব্যাংক (গুলশান) ও সিটি ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং হিসাবে মোট জমা রয়েছে ১১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৪ টাকা।
হলফনামা অনুযায়ী তার নিজের কাছে নগদ অর্থ রয়েছে ১ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ১১৬ টাকা ৭৭ পয়সা এবং তার স্ত্রীর কাছে রয়েছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৯৩০ টাকা। বিনিয়োগ ও সঞ্চয়ের হিসাবে মির্জা ফখরুল ‘দি মির্জাস প্রাইভেট লিমিটেড’-এর ১ হাজার ৪২৮টি শেয়ারের মালিক, যার মূল্য ১ লাখ ৪২ হাজার ৮০০ টাকা। তার স্ত্রীর নামে বিভিন্ন সঞ্চয়পত্র ও মেয়াদি আমানতে রয়েছে ৪৫ লাখ ১১ হাজার ৭৫০ টাকা।
অস্থাবর সম্পদের তালিকায় আরও উল্লেখ আছে দুটি ব্যক্তিগত গাড়ি, ৩০ ভরি স্বর্ণালংকার, ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী এবং ২ লাখ ৪০ হাজার টাকার আসবাবপত্র। এ ছাড়া উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত একটি দুই নালা বন্দুকের কথাও হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। অস্থাবর সম্পদের মোট অর্জনকালীন মূল্য দেখানো হয়েছে ২ কোটি ৫৫ লাখ ৫ হাজার ৭৬৮ টাকা ৭৩ পয়সা। তবে একটি প্রাইভেট কার ও ৩০ ভরি স্বর্ণের মূল্য আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
আয়ের বিবরণ
হলফনামা অনুযায়ী তার বার্ষিক আয়ের উৎসের মধ্যে রয়েছে কৃষি খাত থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা, ব্যবসা থেকে ১ লাখ ৯৭ হাজার ২শ৩২ টাকা, ইজাব গ্রুপের পরামর্শক হিসেবে সম্মানী ভাতা ৬ লাখ টাকা, ‘দি মির্জাস প্রাইভেট লিমিটেড’ থেকে সম্মানী ১ লাখ ৯৮ হাজার টাকা এবং অন্যান্য ও ব্যাংক মুনাফা বাবদ ৭ হাজার ৯০১ টাকা। সব মিলিয়ে তার বার্ষিক আয় ১১ লাখ ৮৩ হাজার ১৩৩ টাকা।
মামলার তথ্য
আইনি তথ্যের অংশে তিনি উল্লেখ করেছেন, বিভিন্ন সময়ে তার বিরুদ্ধে মোট ৬০টি মামলা দায়ের হয়েছিল। এসব মামলার অধিকাংশই আদালতের আদেশে স্থগিত, প্রত্যাহার বা চূড়ান্ত প্রতিবেদন (এফআরটি) গ্রহণের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়েছে। বর্তমানে এসব মামলা তাঁর সংসদ সদস্য হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো আইনগত বাধা নয় বলেও হলফনামায় ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
হলফনামার শেষ অংশে সাংবিধানিক ঘোষণায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, তিনি দ্বৈত নাগরিক নন এবং সংবিধানের ৬৬(২) অনুচ্ছেদ ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের সদস্য হওয়ার ক্ষেত্রে তার কোনো অযোগ্যতা নেই।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হলফনামায় প্রকাশিত এই সম্পদ ও আয়ের বিবরণ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের নির্বাচনী রাজনীতিতে আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং ভোটারদের জন্য প্রার্থীর আর্থিক অবস্থান সম্পর্কে একটি স্বচ্ছ ধারণা তৈরি করবে।

তারিখ- ০৪.০১.২৫ ইং।
আজম রেহমান
৯৮/ঠাকুরগা বুরো।
০১৭১৩৭৮৮১৭০.

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

যখন গনতন্ত্র চাপা থাকে তখন উগ্রবাদী শক্তিগলোর উল্থন ঘটে,তারা মাথা চাড়া দিয়ে উঠে-ঠাকুরগায়ে মির্জা ফখরুল

হলফনামায় মির্জা ফখরুলের বছরে আয় ১১ লাখ, হাতে আছে সোয়া কোটি

আপডেট টাইম ০৩:৩৪:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

আজম রেহমান,ঠাকুরগা ব্যুরো::
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিএনপি প্রার্থী ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামায় তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ, আয়-ব্যয় এবং মামলার বিস্তারিত তথ্য দাখিল করেছেন। তার বার্ষিক আয় ১১ লাখ ৮৩ হাজার ১৩৩ টাকা। তার হাতে নগদ আছে ১ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ১১৬ টাকা ৭৭ পয়সা।
ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, হলফনামা অনুযায়ী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জন্ম ১৯৪৮ সালের ১ আগস্ট। মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় তার বয়স ৭৭ বছর। তিনি এমএ ডিগ্রিধারী এবং পেশায় রাজনীতিবিদ।
স্থাবর সম্পদঃ
হলফনামায় উল্লেখ করা হয়, মির্জা ফখরুলের নামে রয়েছে মোট ৫ একর কৃষিজমি, যার অর্জনকালীন মূল্য ৬০ হাজার টাকা। তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ৭০ শতাংশ ও ২ দশমিক ১৪ একর জমি, যার মূল্য দেখানো হয়েছে ৫১ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত দোতলা বাড়ির অংশের মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ১০ লাখ টাকা। অকৃষিজমির ক্ষেত্রে ঠাকুরগাঁওয়ে স্বামী-স্ত্রীর যৌথ নামে রয়েছে ১২ শতাংশ জমি, যার মূল্য ৩৯ লাখ ৭২ হাজার টাকা। ঢাকার পূর্বাচলে তার নামে রয়েছে ৫ কাঠা জমি, যার আনুমানিক মূল্য ৮৫ লাখ ৪ হাজার টাকা।
ভবন ও আবাসিক সম্পদের তালিকায় ঢাকায় অবস্থিত ১ হাজার ৯৫০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট (মূল্য ২০ লাখ ৫০ হাজার টাকা), ৪ শতাংশ জমি (মূল্য ৫ লাখ টাকা) এবং একটি মার্কেটের শেয়ার বাবদ ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৮১৪ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে স্বামী-স্ত্রীর নামে অন্যান্য স্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৩৯ লাখ ৬৫ হাজার ৮১৪ টাকা।
অস্থাবর সম্পদ
ব্যাংক হিসাবে দেখা যায়, মির্জা ফখরুলের নামে উত্তরা ব্যাংক (ঠাকুরগাঁও শাখা) হিসাবে জমা আছে ৫ হাজার ২ টাকা, পূবালী ব্যাংক (ঠাকুরগাঁও) হিসাবে ১ লাখ ৯ হাজার ৮০৪ টাকা ৫০ পয়সা এবং অগ্রণী ব্যাংক (ঢাকা শাখা) হিসাবে ২ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৭ টাকা ৪৭ পয়সা। মোট অর্থ ৩ লাখ ৮২ হাজার ১৫২ টাকা ৯৬ পয়সা। এছাড়া স্বামী-স্ত্রীর যৌথ নামে পূবালী ব্যাংক (গুলশান করপোরেট শাখা), এক্সিম ব্যাংক (গুলশান) ও সিটি ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং হিসাবে মোট জমা রয়েছে ১১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৪ টাকা।
হলফনামা অনুযায়ী তার নিজের কাছে নগদ অর্থ রয়েছে ১ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ১১৬ টাকা ৭৭ পয়সা এবং তার স্ত্রীর কাছে রয়েছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৯৩০ টাকা। বিনিয়োগ ও সঞ্চয়ের হিসাবে মির্জা ফখরুল ‘দি মির্জাস প্রাইভেট লিমিটেড’-এর ১ হাজার ৪২৮টি শেয়ারের মালিক, যার মূল্য ১ লাখ ৪২ হাজার ৮০০ টাকা। তার স্ত্রীর নামে বিভিন্ন সঞ্চয়পত্র ও মেয়াদি আমানতে রয়েছে ৪৫ লাখ ১১ হাজার ৭৫০ টাকা।
অস্থাবর সম্পদের তালিকায় আরও উল্লেখ আছে দুটি ব্যক্তিগত গাড়ি, ৩০ ভরি স্বর্ণালংকার, ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী এবং ২ লাখ ৪০ হাজার টাকার আসবাবপত্র। এ ছাড়া উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত একটি দুই নালা বন্দুকের কথাও হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। অস্থাবর সম্পদের মোট অর্জনকালীন মূল্য দেখানো হয়েছে ২ কোটি ৫৫ লাখ ৫ হাজার ৭৬৮ টাকা ৭৩ পয়সা। তবে একটি প্রাইভেট কার ও ৩০ ভরি স্বর্ণের মূল্য আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
আয়ের বিবরণ
হলফনামা অনুযায়ী তার বার্ষিক আয়ের উৎসের মধ্যে রয়েছে কৃষি খাত থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা, ব্যবসা থেকে ১ লাখ ৯৭ হাজার ২শ৩২ টাকা, ইজাব গ্রুপের পরামর্শক হিসেবে সম্মানী ভাতা ৬ লাখ টাকা, ‘দি মির্জাস প্রাইভেট লিমিটেড’ থেকে সম্মানী ১ লাখ ৯৮ হাজার টাকা এবং অন্যান্য ও ব্যাংক মুনাফা বাবদ ৭ হাজার ৯০১ টাকা। সব মিলিয়ে তার বার্ষিক আয় ১১ লাখ ৮৩ হাজার ১৩৩ টাকা।
মামলার তথ্য
আইনি তথ্যের অংশে তিনি উল্লেখ করেছেন, বিভিন্ন সময়ে তার বিরুদ্ধে মোট ৬০টি মামলা দায়ের হয়েছিল। এসব মামলার অধিকাংশই আদালতের আদেশে স্থগিত, প্রত্যাহার বা চূড়ান্ত প্রতিবেদন (এফআরটি) গ্রহণের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়েছে। বর্তমানে এসব মামলা তাঁর সংসদ সদস্য হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো আইনগত বাধা নয় বলেও হলফনামায় ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
হলফনামার শেষ অংশে সাংবিধানিক ঘোষণায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, তিনি দ্বৈত নাগরিক নন এবং সংবিধানের ৬৬(২) অনুচ্ছেদ ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের সদস্য হওয়ার ক্ষেত্রে তার কোনো অযোগ্যতা নেই।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হলফনামায় প্রকাশিত এই সম্পদ ও আয়ের বিবরণ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের নির্বাচনী রাজনীতিতে আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং ভোটারদের জন্য প্রার্থীর আর্থিক অবস্থান সম্পর্কে একটি স্বচ্ছ ধারণা তৈরি করবে।

তারিখ- ০৪.০১.২৫ ইং।
আজম রেহমান
৯৮/ঠাকুরগা বুরো।
০১৭১৩৭৮৮১৭০.