সংবাদ শিরোনাম
আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত প্রাণিসম্পদ বিভাগের দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ফ্রি ভ্যাকসিনেশন ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত: ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলের অন্ত:স্কুল শিখন ও গনিত উৎসব-২৬ অনুষ্ঠিত “আমিষেই শক্তি, আমিষেই মুক্তি” প্রতিপাদ্য নিয়ে পীরগঞ্জে   প্রানিসম্পদের ফ্রি-মেডিকেল ক্যাম্প ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শরিয়াহভিত্তিক ইসলামিক রাষ্ট্র নয়, বাংলাদেশের মানুষ উদারপন্থি রাজনীতি করতে চায়-ঠাকুরগাঁও বিএনপি’র বর্ধিত সভায় মির্জা ফখরুল ব্র্যাক’র স্বপ্নসারথী দলের কিশোরীদের মাঝে শিক্ষা সহায়তা প্রদান সম্পন্ন রংপুর বিভাগীয় পরিচালকের পীরগঞ্জ প্রানিসম্পদ দপ্তরের সম্প্রসারন কার্যক্রম পরিদর্শন পীরগঞ্জ পেৌরসভার ৫২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা পীরগঞ্জে বৃক্ষরােপন কর্মসূচীর উদ্বোধন পীরগঞ্জে স্বপ্ন-সারথিদের মাঝে গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান

সরিষার বাম্পার ফলন খুশিতে নিজেই কাটতে নামলেন বৃদ্ব আইজুল

খুরশিদ আলম শাওন,রানীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও)-
সময় তখন ভর দুপুর সাইকেল চালিয়ে নিজের লাগানো পেকে যাওয়া সরিষা ক্ষেত বাড়ীতে হাজির বৃদ্ব আইজুল(৭০)। অপেক্ষা করছিলো পূর্বেই ঠিক করে রাখা সরিষা কাটার জন্য লোকজনের।
এ অপেক্ষা যেন তার আর সইছিলো না কারণ গত বারের তুলনায় এবার সরিষার বাম্পার ফলন হয়েছে। তাই নিজেই হাতে কাঁচি নিয়ে কাটতে নামলেন এই বৃদ্ব কৃষক।
তবে তার সরিষার পাশের একজন ভুট্টা ক্ষেতে মুক্তারুল নামক ব্যক্তি পানি নিচ্ছেন তিনি বলছিলেন কয়দিন আগেই দূর্বলতার কারনে স্যালাইন দিলো ফের আলা এই রৌদ খানত সরিষা কাটবা নামলো। ঐ বৃদ্ব কৃষক বলছিলেন কিছু হবে নি গে জীবনত কত কাটনু।
পাশ দিয়েই রাস্তা ধরে যাচ্ছেছিলেন এই প্রতিবেদক কথা হয় গতকাল বুধবার দুপুরে ঠাকুরগায়ের রানীশংকৈল উপজেলার ভান্ডারা গ্রামের বৃদ্ব কৃষক আইজুলের সাথে। তিনি বলেন মোর বাড়ী থেকে মোর জমিলা প্রায় ১ কিলো দুরত-গে এখান জাগার নাম নিয়ানপুর জয়ডাঙ্গী।
তিনি বয়সের ভারে ন্যযু হলেও মনে তিনি তরতাজা রয়েছেন বলে আমাদের জানান। তিনি বলেন,গত বছর মুই বন্যা বৃষ্টি বহু ঝড় ঝাপটার কারনে সরিষালাত ধরা খাননু এবার সরিষার ভাল হয়ে,কৃষি অফিসতে ভাল সহযোগিতা করিয়ে উমা মোক পরামর্শ দেহেনে কহিল্ল চাচা পরার্মশ অনুযায়ী আবাদ করলে সরিষা ভাল হবে। মুই উমার কথা শুনে হেনে আলা দেখনু কত ভাল হয়ে।
এ কারনে সরিষা খান দেখেনে লোভ সামনে-লেনি মনে হচে এলাই কাটে বাড়ীত লে যাও। জনের অপেক্ষা মোর শয়নি। বৃদ্ব আইজুল বিশাল পরিবার সবাই আপন কাজকর্মে ব্যাস্ত তিনি বসে না থেকে এবার ২বিঘা সরিষা লাগিয়েছেন। তিনি আশা করছেন বিঘাই তার আট মণ করে সরিষা হবে। যেখানে পূর্বে পাচ মন হওয়াই কঠিন সাধ্য হত।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় খোজ নিয়ে জানা যায়, প্রত্যক এলাকাই অনেক ভাল সরিষা উপন্ন হয়েছে। তবে কিছু জাযগায় সমস্যা হয়েছে। কারন হিসেবে জানা যায়,তারা সরিষার বীজ ভাল মানের রোপন করেনি ডিলারের পরামর্শে আবাদ করেছে। তারা কৃষি অফিসের কারো কাছে যোগাযোগ করে নি।
এবার বারি ৮,৯,১৪,১৫ জাতের বীজ সরিষা উপজেলা জুড়ে লাগানো হয়েছিলো। এতে লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছিলো দুই হাজার চারশত হেক্টর তবে অর্জন হয়েছে অনেক বেশি পরিমাণ প্রায় তিনহাজার নয়শত হেক্টর বলে নিশ্চিত করে উপজেলা কৃষি অফিস।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ বলেন, কৃষকের অর্জন মানেই আমাদের অর্জন। অনেক ভালো লাগে কৃষকরা যখন কৃষি আবাদ করে লাভবান হয় ।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত

সরিষার বাম্পার ফলন খুশিতে নিজেই কাটতে নামলেন বৃদ্ব আইজুল

আপডেট টাইম ০৫:১১:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

খুরশিদ আলম শাওন,রানীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও)-
সময় তখন ভর দুপুর সাইকেল চালিয়ে নিজের লাগানো পেকে যাওয়া সরিষা ক্ষেত বাড়ীতে হাজির বৃদ্ব আইজুল(৭০)। অপেক্ষা করছিলো পূর্বেই ঠিক করে রাখা সরিষা কাটার জন্য লোকজনের।
এ অপেক্ষা যেন তার আর সইছিলো না কারণ গত বারের তুলনায় এবার সরিষার বাম্পার ফলন হয়েছে। তাই নিজেই হাতে কাঁচি নিয়ে কাটতে নামলেন এই বৃদ্ব কৃষক।
তবে তার সরিষার পাশের একজন ভুট্টা ক্ষেতে মুক্তারুল নামক ব্যক্তি পানি নিচ্ছেন তিনি বলছিলেন কয়দিন আগেই দূর্বলতার কারনে স্যালাইন দিলো ফের আলা এই রৌদ খানত সরিষা কাটবা নামলো। ঐ বৃদ্ব কৃষক বলছিলেন কিছু হবে নি গে জীবনত কত কাটনু।
পাশ দিয়েই রাস্তা ধরে যাচ্ছেছিলেন এই প্রতিবেদক কথা হয় গতকাল বুধবার দুপুরে ঠাকুরগায়ের রানীশংকৈল উপজেলার ভান্ডারা গ্রামের বৃদ্ব কৃষক আইজুলের সাথে। তিনি বলেন মোর বাড়ী থেকে মোর জমিলা প্রায় ১ কিলো দুরত-গে এখান জাগার নাম নিয়ানপুর জয়ডাঙ্গী।
তিনি বয়সের ভারে ন্যযু হলেও মনে তিনি তরতাজা রয়েছেন বলে আমাদের জানান। তিনি বলেন,গত বছর মুই বন্যা বৃষ্টি বহু ঝড় ঝাপটার কারনে সরিষালাত ধরা খাননু এবার সরিষার ভাল হয়ে,কৃষি অফিসতে ভাল সহযোগিতা করিয়ে উমা মোক পরামর্শ দেহেনে কহিল্ল চাচা পরার্মশ অনুযায়ী আবাদ করলে সরিষা ভাল হবে। মুই উমার কথা শুনে হেনে আলা দেখনু কত ভাল হয়ে।
এ কারনে সরিষা খান দেখেনে লোভ সামনে-লেনি মনে হচে এলাই কাটে বাড়ীত লে যাও। জনের অপেক্ষা মোর শয়নি। বৃদ্ব আইজুল বিশাল পরিবার সবাই আপন কাজকর্মে ব্যাস্ত তিনি বসে না থেকে এবার ২বিঘা সরিষা লাগিয়েছেন। তিনি আশা করছেন বিঘাই তার আট মণ করে সরিষা হবে। যেখানে পূর্বে পাচ মন হওয়াই কঠিন সাধ্য হত।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় খোজ নিয়ে জানা যায়, প্রত্যক এলাকাই অনেক ভাল সরিষা উপন্ন হয়েছে। তবে কিছু জাযগায় সমস্যা হয়েছে। কারন হিসেবে জানা যায়,তারা সরিষার বীজ ভাল মানের রোপন করেনি ডিলারের পরামর্শে আবাদ করেছে। তারা কৃষি অফিসের কারো কাছে যোগাযোগ করে নি।
এবার বারি ৮,৯,১৪,১৫ জাতের বীজ সরিষা উপজেলা জুড়ে লাগানো হয়েছিলো। এতে লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছিলো দুই হাজার চারশত হেক্টর তবে অর্জন হয়েছে অনেক বেশি পরিমাণ প্রায় তিনহাজার নয়শত হেক্টর বলে নিশ্চিত করে উপজেলা কৃষি অফিস।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ বলেন, কৃষকের অর্জন মানেই আমাদের অর্জন। অনেক ভালো লাগে কৃষকরা যখন কৃষি আবাদ করে লাভবান হয় ।