ঢাকা ০১:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
পীরগঞ্জে অবৈধভাবে পেট্রল মজুদকালে পাম্প মালিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের জেল স্বাস্থ্য-মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা অভিভাবকহীন পীরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,হুমকির মুখে স্বাস্থ্য সেবা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা, এডহক ডাক্তারের প্রভাবে প্রশ্নবিদ্ধ ঠাকুরগাঁওয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ–যেন দেখার কেউ নেই ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক বিভাগের একটি চিঠিতে আতঙ্কিত জমির মালিক চাপা উত্তেজনা পীরগঞ্জে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, এসপি বরাবর অভিযোগ পীরগঞ্জ আল-হাসানা স্কুল এন্ড কলেজের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ স্থাপেনর সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে : মির্জা ফখরুল কর্তব্যরত অবস্থায় ঠাকুরগায়ের পীরগঞ্জ থানার এক এএসআই’র মৃত্যু যখন গনতন্ত্র চাপা থাকে তখন উগ্রবাদী শক্তিগলোর উল্থন ঘটে,তারা মাথা চাড়া দিয়ে উঠে-ঠাকুরগায়ে মির্জা ফখরুল ঠাকুরগায়ের ৩ টি আসনেই বিএনপি’র বিজয়,প্রতিদ্বন্দিতা করেছে জামায়াত

অস্থায়ী শিক্ষক ২৫ শতাংশের বেশি নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক:: ‘বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ আইন, ২০২০’-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চ্যুয়াল মন্ত্রিসভার বৈঠকে খসড়াটির অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী গণভবন ও সচিবালয় থেকে মন্ত্রীরা এতে অংশ নেন।

বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘আগে দুটি নীতিমালায় চলতো বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ। শুধু নীতিমালা দিয়ে এখন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা সম্ভব হচ্ছে না, সুনির্দিষ্ট আইন প্রয়োজন। এজন্য স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে খসড়া নিয়ে আসা হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বেসিরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের একাডেমিক অনুমোদন, নবায়ন, শিক্ষা কার্যক্রম, কত ছাত্র থাকবে, কি সুবিধাদি থাকবে, শিক্ষকের কি যোগ্যতা থাকবে, কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকবে, অর্থ ব্যবস্থাপনা কেমন থাকবে- তা আইনে উল্লেখ করা হয়েছে।’

সচিব জানান, মেডিকেল কলেজে প্রতি ১০ জন ছাত্রের জন্য একজন শিক্ষক ও ন্যূনতম ৫০ জন ছাত্র থাকতে হবে। প্রত্যেক বিষয়ে কমপক্ষে পাঁচজন করে শিক্ষক থাকতে হবে। ২৫ শতাংশের বেশি খণ্ডকালীন শিক্ষক রাখা যাবে না। ৭৫ শতাংশ স্থায়ী শিক্ষক থাকতে হবে। এছাড়া ডেন্টাল কলেজের জন্য দুই কোটি ও মেডিকেল কলেজের জন্য তিন কোটি টাকা রিজার্ভ ফান্ড রাখার বিধান রাখা হয়েছে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘মেডিকেল কলেজে ২৫০ শয্যা ও ডেন্টালে কমপক্ষে ৫০ শয্যার মধ্যে বিনা পয়সায় চিকিৎসায় ১০ শতাংশ শয্যা গরিব মানুষের জন্য রাখতে হবে। মেডিকেল বর্জ্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ, নরমাল ডাম্পিংয়ে রাখলে হবে না। কলেজের জন্য মেট্রোপলিটনে কমপক্ষে দুই একর ও মেট্রোপলিটনের বাইরে চার একর জমি থাকতে হবে।’

‘এই আইন লঙ্ঘন করলে শাস্তি’ জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘দুই বছর কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারেন। আইনের শর্ত না মানলে মেডিকেল বা ডেন্টাল কলেজের অনুমোদন বাতিল করে দেয়া হবে।’

‘বর্তমানে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ৭০টি ও ডেন্টাল কলেজের সংখ্যা ২৬টি। আর সরকারি মেডিকেল কলেজ ৩৬টি ও সরকারি ডেন্টাল কলেজ একটি’ যোগ করেন তিনি।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

পীরগঞ্জে অবৈধভাবে পেট্রল মজুদকালে পাম্প মালিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের জেল

অস্থায়ী শিক্ষক ২৫ শতাংশের বেশি নয়

আপডেট টাইম ০৩:৩২:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০
নিজস্ব প্রতিবেদক:: ‘বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ আইন, ২০২০’-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চ্যুয়াল মন্ত্রিসভার বৈঠকে খসড়াটির অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী গণভবন ও সচিবালয় থেকে মন্ত্রীরা এতে অংশ নেন।

বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘আগে দুটি নীতিমালায় চলতো বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ। শুধু নীতিমালা দিয়ে এখন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা সম্ভব হচ্ছে না, সুনির্দিষ্ট আইন প্রয়োজন। এজন্য স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে খসড়া নিয়ে আসা হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বেসিরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের একাডেমিক অনুমোদন, নবায়ন, শিক্ষা কার্যক্রম, কত ছাত্র থাকবে, কি সুবিধাদি থাকবে, শিক্ষকের কি যোগ্যতা থাকবে, কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকবে, অর্থ ব্যবস্থাপনা কেমন থাকবে- তা আইনে উল্লেখ করা হয়েছে।’

সচিব জানান, মেডিকেল কলেজে প্রতি ১০ জন ছাত্রের জন্য একজন শিক্ষক ও ন্যূনতম ৫০ জন ছাত্র থাকতে হবে। প্রত্যেক বিষয়ে কমপক্ষে পাঁচজন করে শিক্ষক থাকতে হবে। ২৫ শতাংশের বেশি খণ্ডকালীন শিক্ষক রাখা যাবে না। ৭৫ শতাংশ স্থায়ী শিক্ষক থাকতে হবে। এছাড়া ডেন্টাল কলেজের জন্য দুই কোটি ও মেডিকেল কলেজের জন্য তিন কোটি টাকা রিজার্ভ ফান্ড রাখার বিধান রাখা হয়েছে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘মেডিকেল কলেজে ২৫০ শয্যা ও ডেন্টালে কমপক্ষে ৫০ শয্যার মধ্যে বিনা পয়সায় চিকিৎসায় ১০ শতাংশ শয্যা গরিব মানুষের জন্য রাখতে হবে। মেডিকেল বর্জ্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ, নরমাল ডাম্পিংয়ে রাখলে হবে না। কলেজের জন্য মেট্রোপলিটনে কমপক্ষে দুই একর ও মেট্রোপলিটনের বাইরে চার একর জমি থাকতে হবে।’

‘এই আইন লঙ্ঘন করলে শাস্তি’ জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘দুই বছর কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারেন। আইনের শর্ত না মানলে মেডিকেল বা ডেন্টাল কলেজের অনুমোদন বাতিল করে দেয়া হবে।’

‘বর্তমানে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ৭০টি ও ডেন্টাল কলেজের সংখ্যা ২৬টি। আর সরকারি মেডিকেল কলেজ ৩৬টি ও সরকারি ডেন্টাল কলেজ একটি’ যোগ করেন তিনি।