সংবাদ শিরোনাম
তারেক রহমানের নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে- মির্জা ফখরুল ঠাকুরগাঁওয়ে দাম্পত্য কলহের জেরে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধুর মৃত্যু, স্বামী পলাতক সাংবাদিকতার চাইতে চ্যালেঞ্জিং পেশা আর নেই-মির্জা ফখরুল পীরগঞ্জ প্রাণিসম্পদ দপ্তরে নির্ধারিত ৫শ৪৬ খামারীর মাঝে পশুখাদ্য ও উপকরণ বিতরণ পীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদে এমপি’র অফিস উদ্বোধন পীরগঞ্জে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে স্থানীয় এমপি;র মত-বিনীময় সভা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলের ১ম ত্রৈ-মাসিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত পীরগঞ্জে সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৩ কিলোমিটার খাল-খনন প্রকল্পের উদ্বোধন পীরগঞ্জে পূর্ব চৌরাস্তা ব্যাবসায়ী সমিতি নির্বাচন-রব্বানী সভাপতি, রাজা সম্পাদক পীরগঞ্জে সিসি ক্যামেরার আওতায় নকলমুক্ত পরিবেশে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

অস্থায়ী শিক্ষক ২৫ শতাংশের বেশি নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক:: ‘বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ আইন, ২০২০’-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চ্যুয়াল মন্ত্রিসভার বৈঠকে খসড়াটির অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী গণভবন ও সচিবালয় থেকে মন্ত্রীরা এতে অংশ নেন।

বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘আগে দুটি নীতিমালায় চলতো বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ। শুধু নীতিমালা দিয়ে এখন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা সম্ভব হচ্ছে না, সুনির্দিষ্ট আইন প্রয়োজন। এজন্য স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে খসড়া নিয়ে আসা হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বেসিরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের একাডেমিক অনুমোদন, নবায়ন, শিক্ষা কার্যক্রম, কত ছাত্র থাকবে, কি সুবিধাদি থাকবে, শিক্ষকের কি যোগ্যতা থাকবে, কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকবে, অর্থ ব্যবস্থাপনা কেমন থাকবে- তা আইনে উল্লেখ করা হয়েছে।’

সচিব জানান, মেডিকেল কলেজে প্রতি ১০ জন ছাত্রের জন্য একজন শিক্ষক ও ন্যূনতম ৫০ জন ছাত্র থাকতে হবে। প্রত্যেক বিষয়ে কমপক্ষে পাঁচজন করে শিক্ষক থাকতে হবে। ২৫ শতাংশের বেশি খণ্ডকালীন শিক্ষক রাখা যাবে না। ৭৫ শতাংশ স্থায়ী শিক্ষক থাকতে হবে। এছাড়া ডেন্টাল কলেজের জন্য দুই কোটি ও মেডিকেল কলেজের জন্য তিন কোটি টাকা রিজার্ভ ফান্ড রাখার বিধান রাখা হয়েছে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘মেডিকেল কলেজে ২৫০ শয্যা ও ডেন্টালে কমপক্ষে ৫০ শয্যার মধ্যে বিনা পয়সায় চিকিৎসায় ১০ শতাংশ শয্যা গরিব মানুষের জন্য রাখতে হবে। মেডিকেল বর্জ্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ, নরমাল ডাম্পিংয়ে রাখলে হবে না। কলেজের জন্য মেট্রোপলিটনে কমপক্ষে দুই একর ও মেট্রোপলিটনের বাইরে চার একর জমি থাকতে হবে।’

‘এই আইন লঙ্ঘন করলে শাস্তি’ জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘দুই বছর কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারেন। আইনের শর্ত না মানলে মেডিকেল বা ডেন্টাল কলেজের অনুমোদন বাতিল করে দেয়া হবে।’

‘বর্তমানে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ৭০টি ও ডেন্টাল কলেজের সংখ্যা ২৬টি। আর সরকারি মেডিকেল কলেজ ৩৬টি ও সরকারি ডেন্টাল কলেজ একটি’ যোগ করেন তিনি।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

তারেক রহমানের নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে- মির্জা ফখরুল

অস্থায়ী শিক্ষক ২৫ শতাংশের বেশি নয়

আপডেট টাইম ০৩:৩২:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০
নিজস্ব প্রতিবেদক:: ‘বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ আইন, ২০২০’-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চ্যুয়াল মন্ত্রিসভার বৈঠকে খসড়াটির অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী গণভবন ও সচিবালয় থেকে মন্ত্রীরা এতে অংশ নেন।

বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘আগে দুটি নীতিমালায় চলতো বেসরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ। শুধু নীতিমালা দিয়ে এখন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা সম্ভব হচ্ছে না, সুনির্দিষ্ট আইন প্রয়োজন। এজন্য স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে খসড়া নিয়ে আসা হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বেসিরকারি মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের একাডেমিক অনুমোদন, নবায়ন, শিক্ষা কার্যক্রম, কত ছাত্র থাকবে, কি সুবিধাদি থাকবে, শিক্ষকের কি যোগ্যতা থাকবে, কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকবে, অর্থ ব্যবস্থাপনা কেমন থাকবে- তা আইনে উল্লেখ করা হয়েছে।’

সচিব জানান, মেডিকেল কলেজে প্রতি ১০ জন ছাত্রের জন্য একজন শিক্ষক ও ন্যূনতম ৫০ জন ছাত্র থাকতে হবে। প্রত্যেক বিষয়ে কমপক্ষে পাঁচজন করে শিক্ষক থাকতে হবে। ২৫ শতাংশের বেশি খণ্ডকালীন শিক্ষক রাখা যাবে না। ৭৫ শতাংশ স্থায়ী শিক্ষক থাকতে হবে। এছাড়া ডেন্টাল কলেজের জন্য দুই কোটি ও মেডিকেল কলেজের জন্য তিন কোটি টাকা রিজার্ভ ফান্ড রাখার বিধান রাখা হয়েছে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘মেডিকেল কলেজে ২৫০ শয্যা ও ডেন্টালে কমপক্ষে ৫০ শয্যার মধ্যে বিনা পয়সায় চিকিৎসায় ১০ শতাংশ শয্যা গরিব মানুষের জন্য রাখতে হবে। মেডিকেল বর্জ্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ, নরমাল ডাম্পিংয়ে রাখলে হবে না। কলেজের জন্য মেট্রোপলিটনে কমপক্ষে দুই একর ও মেট্রোপলিটনের বাইরে চার একর জমি থাকতে হবে।’

‘এই আইন লঙ্ঘন করলে শাস্তি’ জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘দুই বছর কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারেন। আইনের শর্ত না মানলে মেডিকেল বা ডেন্টাল কলেজের অনুমোদন বাতিল করে দেয়া হবে।’

‘বর্তমানে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ৭০টি ও ডেন্টাল কলেজের সংখ্যা ২৬টি। আর সরকারি মেডিকেল কলেজ ৩৬টি ও সরকারি ডেন্টাল কলেজ একটি’ যোগ করেন তিনি।