সংবাদ শিরোনাম
আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত প্রাণিসম্পদ বিভাগের দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ফ্রি ভ্যাকসিনেশন ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত: ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলের অন্ত:স্কুল শিখন ও গনিত উৎসব-২৬ অনুষ্ঠিত “আমিষেই শক্তি, আমিষেই মুক্তি” প্রতিপাদ্য নিয়ে পীরগঞ্জে   প্রানিসম্পদের ফ্রি-মেডিকেল ক্যাম্প ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শরিয়াহভিত্তিক ইসলামিক রাষ্ট্র নয়, বাংলাদেশের মানুষ উদারপন্থি রাজনীতি করতে চায়-ঠাকুরগাঁও বিএনপি’র বর্ধিত সভায় মির্জা ফখরুল ব্র্যাক’র স্বপ্নসারথী দলের কিশোরীদের মাঝে শিক্ষা সহায়তা প্রদান সম্পন্ন রংপুর বিভাগীয় পরিচালকের পীরগঞ্জ প্রানিসম্পদ দপ্তরের সম্প্রসারন কার্যক্রম পরিদর্শন পীরগঞ্জ পেৌরসভার ৫২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা পীরগঞ্জে বৃক্ষরােপন কর্মসূচীর উদ্বোধন পীরগঞ্জে স্বপ্ন-সারথিদের মাঝে গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান

হত্যার পর মৃতদেহ পোড়ােনার দায়ে তিনজনের ফাঁসি

ঠাকুরগাঁও : ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার পল্লী এলাকায় এক কলেজ শিক্ষার্থীকে হত্যার পর পুড়িয়ে দেওয়ার দায়ে বন্ধু সুইট আলম, জামিল হাসান ও মোকদাদ বিন মোতাহার পলাশকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত। ফাঁসীর দন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী জামিল হাসানকে ধরতে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকালে জনাকীর্ণ আদালতে বিচারক বিএম তারিকুল কবীর এ রায় দেন। দন্ডপ্রাপ্তরা হলো, নওগাঁ সদর উপজেলার বারিল্লা উত্তর পাড়ার সুইট আলম, দিনাজপুরের চিরির বন্দর উপজেলার পলাশবাড়ি গ্রামের মোকদাদ বিন মাহতাব ও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানোর সরকার পাড়ার হাসান জামিল।
মামলার বিবরণে জানা যায়,দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর থানার আন্ধারমুহা গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে রেজাউল ইসলাম স্থানীয় টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজে লেখাপড়ার পাশাাপশি ওয়াল্ডভিশন-২১ নামে একটি মাল্টিলেভেল কোম্পানীতে কাজ করত। চাকুরি করার সুবাদে দন্ডিত আসামীদের সঙ্গে রেজাউলের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। রেজাউলকে হত্যার পরিকল্পনা করতে বন্ধু হাসান জামিলের বাড়ি বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানোর কৈমারী এলাকায় নিয়ে যায়।
২০১৫ সালের ৪ মার্চ সন্ধায় আসামীরা সকলে মিলে ভিক্টিম রেজাউল ইসলামকে কৈমারী গ্রামের একটি বাঁশঝাড়ে নিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর আগুনে পুড়িয়ে দেয়।
রেজাউলের মোটর সাইকেলটি আসামী জামিলের আত্মীয়র বাড়িতে রেখে তারা কর্মস্থলে ফিরে যায়।
ঘটনার ২দিন পর ৬ মার্চ পুলিশ বাঁশঝাড় হতে নিহতের লাশ উদ্ধার করে একটি হত্যা মামলা রুজু করে। ওদিকে মোটর সাইকেলসহ রেজাউল নিখোঁজ হওয়ায় তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় জিডি করলে র‌্যাব-১৩ মাঠে নামে এবং হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে ওই বছরের ২২ মে ৩ আসামীকে গ্রেফতার করে। উচ্চ আদালত থেকে ভুয়া জামিন নামা তৈরি করে অপর আসামী হাসান জামিল পলাতক থাকে।
গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মোটর সাইকেলটি উদ্ধারসহ হত্যার রহস্য উদঘাটিত হয়। পরে পুলিশ আসামীদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক ৩ জনের বিরুদ্ধে একই বছরের ২৪ আগষ্ট আদালতে চার্জসীট দাখিল করে পুলিশ। দীর্ঘিদন মামলা চলার পর বৃহষ্পতিবার বিকেলে এই মামলার রায় ঘোষিত হয়।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত

হত্যার পর মৃতদেহ পোড়ােনার দায়ে তিনজনের ফাঁসি

আপডেট টাইম ১২:০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০

ঠাকুরগাঁও : ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার পল্লী এলাকায় এক কলেজ শিক্ষার্থীকে হত্যার পর পুড়িয়ে দেওয়ার দায়ে বন্ধু সুইট আলম, জামিল হাসান ও মোকদাদ বিন মোতাহার পলাশকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত। ফাঁসীর দন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী জামিল হাসানকে ধরতে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকালে জনাকীর্ণ আদালতে বিচারক বিএম তারিকুল কবীর এ রায় দেন। দন্ডপ্রাপ্তরা হলো, নওগাঁ সদর উপজেলার বারিল্লা উত্তর পাড়ার সুইট আলম, দিনাজপুরের চিরির বন্দর উপজেলার পলাশবাড়ি গ্রামের মোকদাদ বিন মাহতাব ও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানোর সরকার পাড়ার হাসান জামিল।
মামলার বিবরণে জানা যায়,দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর থানার আন্ধারমুহা গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে রেজাউল ইসলাম স্থানীয় টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজে লেখাপড়ার পাশাাপশি ওয়াল্ডভিশন-২১ নামে একটি মাল্টিলেভেল কোম্পানীতে কাজ করত। চাকুরি করার সুবাদে দন্ডিত আসামীদের সঙ্গে রেজাউলের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। রেজাউলকে হত্যার পরিকল্পনা করতে বন্ধু হাসান জামিলের বাড়ি বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানোর কৈমারী এলাকায় নিয়ে যায়।
২০১৫ সালের ৪ মার্চ সন্ধায় আসামীরা সকলে মিলে ভিক্টিম রেজাউল ইসলামকে কৈমারী গ্রামের একটি বাঁশঝাড়ে নিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর আগুনে পুড়িয়ে দেয়।
রেজাউলের মোটর সাইকেলটি আসামী জামিলের আত্মীয়র বাড়িতে রেখে তারা কর্মস্থলে ফিরে যায়।
ঘটনার ২দিন পর ৬ মার্চ পুলিশ বাঁশঝাড় হতে নিহতের লাশ উদ্ধার করে একটি হত্যা মামলা রুজু করে। ওদিকে মোটর সাইকেলসহ রেজাউল নিখোঁজ হওয়ায় তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় জিডি করলে র‌্যাব-১৩ মাঠে নামে এবং হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে ওই বছরের ২২ মে ৩ আসামীকে গ্রেফতার করে। উচ্চ আদালত থেকে ভুয়া জামিন নামা তৈরি করে অপর আসামী হাসান জামিল পলাতক থাকে।
গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মোটর সাইকেলটি উদ্ধারসহ হত্যার রহস্য উদঘাটিত হয়। পরে পুলিশ আসামীদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক ৩ জনের বিরুদ্ধে একই বছরের ২৪ আগষ্ট আদালতে চার্জসীট দাখিল করে পুলিশ। দীর্ঘিদন মামলা চলার পর বৃহষ্পতিবার বিকেলে এই মামলার রায় ঘোষিত হয়।