সংবাদ শিরোনাম
আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত প্রাণিসম্পদ বিভাগের দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ফ্রি ভ্যাকসিনেশন ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত: ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলের অন্ত:স্কুল শিখন ও গনিত উৎসব-২৬ অনুষ্ঠিত “আমিষেই শক্তি, আমিষেই মুক্তি” প্রতিপাদ্য নিয়ে পীরগঞ্জে   প্রানিসম্পদের ফ্রি-মেডিকেল ক্যাম্প ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শরিয়াহভিত্তিক ইসলামিক রাষ্ট্র নয়, বাংলাদেশের মানুষ উদারপন্থি রাজনীতি করতে চায়-ঠাকুরগাঁও বিএনপি’র বর্ধিত সভায় মির্জা ফখরুল ব্র্যাক’র স্বপ্নসারথী দলের কিশোরীদের মাঝে শিক্ষা সহায়তা প্রদান সম্পন্ন রংপুর বিভাগীয় পরিচালকের পীরগঞ্জ প্রানিসম্পদ দপ্তরের সম্প্রসারন কার্যক্রম পরিদর্শন পীরগঞ্জ পেৌরসভার ৫২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা পীরগঞ্জে বৃক্ষরােপন কর্মসূচীর উদ্বোধন পীরগঞ্জে স্বপ্ন-সারথিদের মাঝে গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান

এবার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারসহ ১১ জনকে শোকজ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি::পটুয়াখালীর কলাপাড়া প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল বাশার ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম বজলুল করিমসহ ১১ জনকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার কলাপাড়া সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের বিচারক মো. আনোয়ার হোসেন কারণ দর্শানোর এ আদেশ জারি করেন।

১০৫ নং বৌলতলি সৈয়দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রের অভিভাবক মো. কামাল হোসেনের দায়ের করা মোকদ্দমার আরজি শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্র জানায়, বৌলতলি সৈয়দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন সংক্রান্ত তফসিলসহ সকল কার্যক্রম বন্ধে কেন স্থগিতের আদেশ দেয়া হবে না- এই মর্মে নোটিশ পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল বাশার, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম বজলুল করিম, ধূলাসার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. দেলোয়ার হোসেন (প্রিজাইডিং অফিসার), ১০৫ নং বৌলতলি সৈয়দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গাজী হারুন অর রশিদসহ ১১ জনকে কারণ দর্শাতে বলেছেন আদালত।

বাদীপক্ষের কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসাইন বলেন, ১০৫ নং বৌলতলি সৈয়দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার দেলোয়ার হোসেন সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গাজী হারুন অর রশিদের যোগসাজশে এবং প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদ্বয়ের সহায়তায় বিবাদীরা যাতে বেআইনিভাবে স্কুল পরিচালনা কমিটির তফসিল ঘোষণা করে কমিটি গঠন করতে না পারে, তার প্রতিকারে আদালতে বাদী এ মোকদ্দমা আনয়ন করেন।

এদিকে বাদী তার মোকদ্দমার আরজিতে জানান, তিনি তফসিল ঘোষিত নির্বাচনে একজন অংশগ্রহণেচ্ছু প্রার্থী। তা সত্ত্বেও বিবাদীরা গোপনে নির্বাচন সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে অপসারণসহ পুনরায় তফসিল ঘোষণার জন্য লিখিত আবেদন করলেও শিক্ষা কর্মকর্তা বিবাদীদের দ্বারা প্রভাবিত হওয়ায় কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বিবাদীরা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী তফসিল ঘোষণা না করে তফসিল ঘোষণা গোপন রেখে কমিটি গঠনের পায়তারায় লিপ্ত রয়েছেন। তাই বিদ্যালয়ের স্বার্থে বাদী মোকদ্দমা দায়ের করেন বলে জানান।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত

এবার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারসহ ১১ জনকে শোকজ

আপডেট টাইম ০৫:৪৭:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২১
পটুয়াখালী প্রতিনিধি::পটুয়াখালীর কলাপাড়া প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল বাশার ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম বজলুল করিমসহ ১১ জনকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার কলাপাড়া সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের বিচারক মো. আনোয়ার হোসেন কারণ দর্শানোর এ আদেশ জারি করেন।

১০৫ নং বৌলতলি সৈয়দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রের অভিভাবক মো. কামাল হোসেনের দায়ের করা মোকদ্দমার আরজি শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্র জানায়, বৌলতলি সৈয়দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন সংক্রান্ত তফসিলসহ সকল কার্যক্রম বন্ধে কেন স্থগিতের আদেশ দেয়া হবে না- এই মর্মে নোটিশ পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল বাশার, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম বজলুল করিম, ধূলাসার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. দেলোয়ার হোসেন (প্রিজাইডিং অফিসার), ১০৫ নং বৌলতলি সৈয়দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গাজী হারুন অর রশিদসহ ১১ জনকে কারণ দর্শাতে বলেছেন আদালত।

বাদীপক্ষের কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসাইন বলেন, ১০৫ নং বৌলতলি সৈয়দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার দেলোয়ার হোসেন সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গাজী হারুন অর রশিদের যোগসাজশে এবং প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদ্বয়ের সহায়তায় বিবাদীরা যাতে বেআইনিভাবে স্কুল পরিচালনা কমিটির তফসিল ঘোষণা করে কমিটি গঠন করতে না পারে, তার প্রতিকারে আদালতে বাদী এ মোকদ্দমা আনয়ন করেন।

এদিকে বাদী তার মোকদ্দমার আরজিতে জানান, তিনি তফসিল ঘোষিত নির্বাচনে একজন অংশগ্রহণেচ্ছু প্রার্থী। তা সত্ত্বেও বিবাদীরা গোপনে নির্বাচন সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে অপসারণসহ পুনরায় তফসিল ঘোষণার জন্য লিখিত আবেদন করলেও শিক্ষা কর্মকর্তা বিবাদীদের দ্বারা প্রভাবিত হওয়ায় কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বিবাদীরা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী তফসিল ঘোষণা না করে তফসিল ঘোষণা গোপন রেখে কমিটি গঠনের পায়তারায় লিপ্ত রয়েছেন। তাই বিদ্যালয়ের স্বার্থে বাদী মোকদ্দমা দায়ের করেন বলে জানান।