ঢাকা ০৭:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
আগামীতে আইসিটি সেক্টরে ১০ লক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে ………….ঠাকুরগাঁওয়ে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পীরগঞ্জে বিদায় সংবর্ধনা ও দায়িত্বভার গ্রহণ শেখ সমশের আলী রোগীদের প্রতি অবহেলা কোনভাবেই সহ্য করা হবেনা- পীরগঞ্জে ২০ শয্যাবিশিষ্ট ডায়াবেটিস এন্ড জেনারেল হাসপাতালের উদ্বোধনী বক্তৃতায় স্বাস্থ্য মন্ত্রী পীরগঞ্জে ২শ’ পিস টার্পেন্টাডল সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক পীরগঞ্জে ফেন্সিডিল ও ইনজেকশন উদ্ধার : গ্রেফতার— ২ পীরগঞ্জে টার্পেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ১ মাদক ব্যবসায়ী আটক ডাচ বাংলা ব্যাংকের প্রতিনিধিকে মারপিট করে ৯ লক্ষ টাকা ছিনতাই বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখন উপযুক্ত সময়: চীনা ব্যবসায়ীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁওয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু খালেদা জিয়ার জীবন হুমকির মুখে: মির্জা ফখরুল

এবার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারসহ ১১ জনকে শোকজ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি::পটুয়াখালীর কলাপাড়া প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল বাশার ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম বজলুল করিমসহ ১১ জনকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার কলাপাড়া সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের বিচারক মো. আনোয়ার হোসেন কারণ দর্শানোর এ আদেশ জারি করেন।

১০৫ নং বৌলতলি সৈয়দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রের অভিভাবক মো. কামাল হোসেনের দায়ের করা মোকদ্দমার আরজি শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্র জানায়, বৌলতলি সৈয়দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন সংক্রান্ত তফসিলসহ সকল কার্যক্রম বন্ধে কেন স্থগিতের আদেশ দেয়া হবে না- এই মর্মে নোটিশ পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল বাশার, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম বজলুল করিম, ধূলাসার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. দেলোয়ার হোসেন (প্রিজাইডিং অফিসার), ১০৫ নং বৌলতলি সৈয়দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গাজী হারুন অর রশিদসহ ১১ জনকে কারণ দর্শাতে বলেছেন আদালত।

বাদীপক্ষের কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসাইন বলেন, ১০৫ নং বৌলতলি সৈয়দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার দেলোয়ার হোসেন সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গাজী হারুন অর রশিদের যোগসাজশে এবং প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদ্বয়ের সহায়তায় বিবাদীরা যাতে বেআইনিভাবে স্কুল পরিচালনা কমিটির তফসিল ঘোষণা করে কমিটি গঠন করতে না পারে, তার প্রতিকারে আদালতে বাদী এ মোকদ্দমা আনয়ন করেন।

এদিকে বাদী তার মোকদ্দমার আরজিতে জানান, তিনি তফসিল ঘোষিত নির্বাচনে একজন অংশগ্রহণেচ্ছু প্রার্থী। তা সত্ত্বেও বিবাদীরা গোপনে নির্বাচন সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে অপসারণসহ পুনরায় তফসিল ঘোষণার জন্য লিখিত আবেদন করলেও শিক্ষা কর্মকর্তা বিবাদীদের দ্বারা প্রভাবিত হওয়ায় কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বিবাদীরা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী তফসিল ঘোষণা না করে তফসিল ঘোষণা গোপন রেখে কমিটি গঠনের পায়তারায় লিপ্ত রয়েছেন। তাই বিদ্যালয়ের স্বার্থে বাদী মোকদ্দমা দায়ের করেন বলে জানান।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

জনপ্রিয় সংবাদ

আগামীতে আইসিটি সেক্টরে ১০ লক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে ………….ঠাকুরগাঁওয়ে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী

এবার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারসহ ১১ জনকে শোকজ

আপডেট টাইম ০৫:৪৭:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ নভেম্বর ২০২১
পটুয়াখালী প্রতিনিধি::পটুয়াখালীর কলাপাড়া প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল বাশার ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম বজলুল করিমসহ ১১ জনকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার কলাপাড়া সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের বিচারক মো. আনোয়ার হোসেন কারণ দর্শানোর এ আদেশ জারি করেন।

১০৫ নং বৌলতলি সৈয়দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রের অভিভাবক মো. কামাল হোসেনের দায়ের করা মোকদ্দমার আরজি শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্র জানায়, বৌলতলি সৈয়দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন সংক্রান্ত তফসিলসহ সকল কার্যক্রম বন্ধে কেন স্থগিতের আদেশ দেয়া হবে না- এই মর্মে নোটিশ পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল বাশার, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম বজলুল করিম, ধূলাসার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. দেলোয়ার হোসেন (প্রিজাইডিং অফিসার), ১০৫ নং বৌলতলি সৈয়দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গাজী হারুন অর রশিদসহ ১১ জনকে কারণ দর্শাতে বলেছেন আদালত।

বাদীপক্ষের কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসাইন বলেন, ১০৫ নং বৌলতলি সৈয়দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার দেলোয়ার হোসেন সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গাজী হারুন অর রশিদের যোগসাজশে এবং প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদ্বয়ের সহায়তায় বিবাদীরা যাতে বেআইনিভাবে স্কুল পরিচালনা কমিটির তফসিল ঘোষণা করে কমিটি গঠন করতে না পারে, তার প্রতিকারে আদালতে বাদী এ মোকদ্দমা আনয়ন করেন।

এদিকে বাদী তার মোকদ্দমার আরজিতে জানান, তিনি তফসিল ঘোষিত নির্বাচনে একজন অংশগ্রহণেচ্ছু প্রার্থী। তা সত্ত্বেও বিবাদীরা গোপনে নির্বাচন সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে অপসারণসহ পুনরায় তফসিল ঘোষণার জন্য লিখিত আবেদন করলেও শিক্ষা কর্মকর্তা বিবাদীদের দ্বারা প্রভাবিত হওয়ায় কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বিবাদীরা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী তফসিল ঘোষণা না করে তফসিল ঘোষণা গোপন রেখে কমিটি গঠনের পায়তারায় লিপ্ত রয়েছেন। তাই বিদ্যালয়ের স্বার্থে বাদী মোকদ্দমা দায়ের করেন বলে জানান।