ঢাকা ০৬:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
যখন গনতন্ত্র চাপা থাকে তখন উগ্রবাদী শক্তিগলোর উল্থন ঘটে,তারা মাথা চাড়া দিয়ে উঠে-ঠাকুরগায়ে মির্জা ফখরুল ঠাকুরগায়ের ৩ টি আসনেই বিএনপি’র বিজয়,প্রতিদ্বন্দিতা করেছে জামায়াত ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির অর্ধ-কোটি টাকাসহ আটক,এলাকায় চাঞ্চল্য ঠাকুরগাঁয়ে হ্যাঁ ভোটের প্রচারনায় শ্রম উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার এম শাখাওয়াত স্বাস্থ্য বিভাগের বিধি-বহির্ভূত আদেশে ক্ষোভ, ঠাকুরগাঁওয়ে ডাক্তারের বদলীর বিতর্কিত আদেশ বাতিলের দাবীতে মানববন্ধন,স্বারকলিপি পীরগঞ্জে সরকারি স্কুল শিক্ষকদের গণভোট সম্পর্কে অবহিতকরণ স্বাস্থ্য পরিচালকের শেষ কর্মদিবসেও বদলী বানিজ্য- প্রশাসনে দুর্নিতীর রেকর্ড ভঙ্গ দেশের পরিস্থিতি নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন, সরকার অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে ব্যার্থ হয়েছে-বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হেভিওয়েট প্রার্থীদের মনোনয়ন বাদ পড়ায় হতাশ জামায়াত, আপিলে ভরসা ২৩ বছর পর ঠাকুরগাঁও সফরে আসছেন তারেক রহমান

ঠাকুরগায়ের ৩ টি আসনেই বিএনপি’র বিজয়,প্রতিদ্বন্দিতা করেছে জামায়াত

আজম রেহমান:ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ঠাকুরগা জেলার ৩ টি আসনেই নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করেছে।  ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিশাল ভোটের ব্যবধানে ৯৫ হাজার ৪৯১ ভোট বেশি পেয়ে জয়ী হয়েছেন বিএনপির মহাসচিব ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ১৮৫টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী তিনি মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৭৫ ভোট পেয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী দেলাওয়ার পেয়েছেন এক লাখ ৩২ হাজার ৫৮৪ ভোট। অন্যদিকে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মো. খাদেমুল ইসলাম পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৩৩টি ভোট।
আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ঠাকুরগাঁও-২ আসন (বালিয়াডাঙ্গী-হরিপুর)। দীর্ঘ ৩৭ বছর পর এই আসনে বিএনপি থেকে জয়ী হয়েছেন ড্যাবের সাবেক মহাসচিব ডা. আব্দুস সালাম।
বৃহস্পতিবার রাত ২টায় রিটার্নিং কর্মকর্তা ইশরাত ফারজানা চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করেছেন। এই আসনে ৩ লাখ ৪০ হাজার ৪৯ ভোটারের মধ্যে ঠাকুরগাঁও ২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. আব্দুস সালাম ১ লাখ ২১ হাজার ১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দী জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী মাওলানা আব্দুল হাকিম ১ লাখ ১৫ হাজার ৭০৭টি ভোট পেয়েছেন।
এ ছাড়াও জাতীয় পার্টির প্রার্থী নুরুন নাহার বেগম ২ হাজার ৮৭৬ ভোট, গণঅধিকার পরিষদের ফারুক হাসান ১ হাজার ৮৪৩ ভোট, এবি পার্টির নাহিদ রানা ৪৫১ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রেজাউল ইসলাম ৪শ’৩৭ ভোট এবং বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী সাহাবুদ্দিন ৩শ’৮০ ভোট পেয়েছেন। আসনটিতে ১০৪টি কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৭৩.০৪ শতাংশ।
বিজয়ের পর আব্দুস সালাম বলেন, ‘আমরা কারও প্রতি অন্যায় করব না। আওয়ামী লীগ-বিএনপি-জামায়াত সবাইকে নিয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করব। এ ছাড়াও নির্বাচনী প্রচারণায় গিয়ে ভোটারদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের নিকট আদায় করবেন বলে আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য, ১৯৮৬ ও ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি থেকে সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হন দবিরুল ইসলাম। পরে তিনি আ.লীগে যোগদান করে ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে এমপি নির্বাচিত হন। এরপর ২০২৪ সালে তাঁর ছেলে মাজহারুল ইসলাম সুজন আ.লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়ে এমপি নির্বাচিত হন।
এদিকে ঠাকুরগা -৩ পীরগঞ্জ ো রানীশংকৈল উপজেলা নিয়ে গঠিত আসনে বিশাল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি পীরগঞ্জ উপজেলা সভাপতি সাবেক এমপি আলহাজ্ব মো: জাহিদুর রহমান। তিনি পেয়েছেন ১২৮ টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৩২ হাজার ৭শ’ ৯৭ ভোট আর প্রতিদ্বন্দি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো: মিজানুর রহমান মাষ্টার পেয়েছেন ৯১ হাজার ৯শ’ ৩৪ ভোট। জাতীয় পার্টি (এরশাদ) এর লাঙ্গল প্রতিকে সােবক এমপি হাফিজ উদ্দিন আগমেদ পেয়েছেন ২৭ হাজার ১শ’ ৩৩ ভোট, বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টির কাস্তে প্রতীকে প্রভাত সমীর শাহজাহান আলম পেয়েছেন ১ হাজার ৫শ;৪৮ ভোট, গন-অিধকার পরিষদের মামুনুর রশীদ মামুন পেয়েছেন ৫শ ৫২ ভোট,স্বতস্ত্র প্রার্থী আশামনি ফুটবল প্রতীকে পেয়েছন ২শ’ ৭৯ ভোট,মাইনরিটি পার্টির কমলা কান্ত রায় রকেট প্রতীকে পেয়েছেন৬শ ‘৮০ ভোট, মুসলীম লীগ’র এসএম খলিলুর রহমান হ্যারিকেন প্রতীকে পেয়েছেন ১শ’১৩ ভোট। নির্বাচিত হবার পরে এক আলোচনা সভায় জাহিদুর রহমান সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেছেন, শুধুমাত্র তাদের একচ্ছত্র ভোটদানের কারনেই তার বিজয় নিশ্চত হয়েছে। তারা দলবেধ ভোটকেন্দ্রে গেছে এবং ধানের শীেষ ভোটপ্রদান করে আমাকে বিজয়ি করেছে।

নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের পর মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার বাসভবনে স্থানীয় সাংবাদকিদের সাথে এক মতবিনিময সভায় মিলিত হন এবং বেশ কিছু বিষয়ে কথা বলেন।
গনতন্ত্র চাপা থাকে তখন উগ্রবাদী শক্তিগলোর উল্থন ঘটে,তারা মাথা চাড়া দিয়ে উঠে-ঠাকুরগায়ে মির্জা ফখরুল।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যখন গণতন্ত্র চাপা থাকে, তখন উগ্রবাদী শক্তিগুলোর উত্থান ঘটে। তারা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। দেশে জামায়াতে ইসলামীর ক্ষেত্রে এমন ঘটনা ঘটেছে।
তিনি বলেন, বিএনপি কখনো জনপ্রিয়তা হারায়নি। কারণ বিএনপি সবসময় জনগণের রাজনীতি করেছে। এটাই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। বিএনপি সরকারে ছিল, সরকার হিসেবে কাজ করেছে। বিএনপির কথাগুলো যখন গ্রহণ করেছে তখন এমন বিজয় হয়েছে।
১৩ ফেব্রুয়ারি ঠাকুরগাঁওয়ের নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, আমরা সবসময় কমিটমেন্টে অটুট থাকি। ফ্যাসিষ্টদের সঙ্গে যারা যুগপৎ আন্দোলন করেছে তাদেরকে নিয়ে আমরা নির্বাচন করেছি। তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে আমরা সরকার গঠন করব।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে জনগণ তাদের রিজেক্ট করেছে। বিএনপি তিনভাগের ২ ভাগ মেজরিটি পেয়ে গেছে। জনগণ আবারও সুষ্ঠু সৎ ও  কল্যাণমুখী রাজনীতির মধ্য দিয়ে সমস্ত অপপ্রবণতাগুলোকে রুখে দিতে সক্ষম হবে। এসময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। দুপুর ২ টার দিকে তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে ঠাকুরগাঁও ত্যাগ করেন।
Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

যখন গনতন্ত্র চাপা থাকে তখন উগ্রবাদী শক্তিগলোর উল্থন ঘটে,তারা মাথা চাড়া দিয়ে উঠে-ঠাকুরগায়ে মির্জা ফখরুল

ঠাকুরগায়ের ৩ টি আসনেই বিএনপি’র বিজয়,প্রতিদ্বন্দিতা করেছে জামায়াত

আপডেট টাইম ০৪:৫১:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আজম রেহমান:ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ঠাকুরগা জেলার ৩ টি আসনেই নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করেছে।  ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিশাল ভোটের ব্যবধানে ৯৫ হাজার ৪৯১ ভোট বেশি পেয়ে জয়ী হয়েছেন বিএনপির মহাসচিব ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ১৮৫টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী তিনি মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৭৫ ভোট পেয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী দেলাওয়ার পেয়েছেন এক লাখ ৩২ হাজার ৫৮৪ ভোট। অন্যদিকে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মো. খাদেমুল ইসলাম পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৩৩টি ভোট।
আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ঠাকুরগাঁও-২ আসন (বালিয়াডাঙ্গী-হরিপুর)। দীর্ঘ ৩৭ বছর পর এই আসনে বিএনপি থেকে জয়ী হয়েছেন ড্যাবের সাবেক মহাসচিব ডা. আব্দুস সালাম।
বৃহস্পতিবার রাত ২টায় রিটার্নিং কর্মকর্তা ইশরাত ফারজানা চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করেছেন। এই আসনে ৩ লাখ ৪০ হাজার ৪৯ ভোটারের মধ্যে ঠাকুরগাঁও ২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. আব্দুস সালাম ১ লাখ ২১ হাজার ১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দী জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী মাওলানা আব্দুল হাকিম ১ লাখ ১৫ হাজার ৭০৭টি ভোট পেয়েছেন।
এ ছাড়াও জাতীয় পার্টির প্রার্থী নুরুন নাহার বেগম ২ হাজার ৮৭৬ ভোট, গণঅধিকার পরিষদের ফারুক হাসান ১ হাজার ৮৪৩ ভোট, এবি পার্টির নাহিদ রানা ৪৫১ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রেজাউল ইসলাম ৪শ’৩৭ ভোট এবং বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী সাহাবুদ্দিন ৩শ’৮০ ভোট পেয়েছেন। আসনটিতে ১০৪টি কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৭৩.০৪ শতাংশ।
বিজয়ের পর আব্দুস সালাম বলেন, ‘আমরা কারও প্রতি অন্যায় করব না। আওয়ামী লীগ-বিএনপি-জামায়াত সবাইকে নিয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করব। এ ছাড়াও নির্বাচনী প্রচারণায় গিয়ে ভোটারদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের নিকট আদায় করবেন বলে আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য, ১৯৮৬ ও ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি থেকে সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হন দবিরুল ইসলাম। পরে তিনি আ.লীগে যোগদান করে ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে এমপি নির্বাচিত হন। এরপর ২০২৪ সালে তাঁর ছেলে মাজহারুল ইসলাম সুজন আ.লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়ে এমপি নির্বাচিত হন।
এদিকে ঠাকুরগা -৩ পীরগঞ্জ ো রানীশংকৈল উপজেলা নিয়ে গঠিত আসনে বিশাল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি পীরগঞ্জ উপজেলা সভাপতি সাবেক এমপি আলহাজ্ব মো: জাহিদুর রহমান। তিনি পেয়েছেন ১২৮ টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৩২ হাজার ৭শ’ ৯৭ ভোট আর প্রতিদ্বন্দি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো: মিজানুর রহমান মাষ্টার পেয়েছেন ৯১ হাজার ৯শ’ ৩৪ ভোট। জাতীয় পার্টি (এরশাদ) এর লাঙ্গল প্রতিকে সােবক এমপি হাফিজ উদ্দিন আগমেদ পেয়েছেন ২৭ হাজার ১শ’ ৩৩ ভোট, বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টির কাস্তে প্রতীকে প্রভাত সমীর শাহজাহান আলম পেয়েছেন ১ হাজার ৫শ;৪৮ ভোট, গন-অিধকার পরিষদের মামুনুর রশীদ মামুন পেয়েছেন ৫শ ৫২ ভোট,স্বতস্ত্র প্রার্থী আশামনি ফুটবল প্রতীকে পেয়েছন ২শ’ ৭৯ ভোট,মাইনরিটি পার্টির কমলা কান্ত রায় রকেট প্রতীকে পেয়েছেন৬শ ‘৮০ ভোট, মুসলীম লীগ’র এসএম খলিলুর রহমান হ্যারিকেন প্রতীকে পেয়েছেন ১শ’১৩ ভোট। নির্বাচিত হবার পরে এক আলোচনা সভায় জাহিদুর রহমান সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেছেন, শুধুমাত্র তাদের একচ্ছত্র ভোটদানের কারনেই তার বিজয় নিশ্চত হয়েছে। তারা দলবেধ ভোটকেন্দ্রে গেছে এবং ধানের শীেষ ভোটপ্রদান করে আমাকে বিজয়ি করেছে।

নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের পর মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার বাসভবনে স্থানীয় সাংবাদকিদের সাথে এক মতবিনিময সভায় মিলিত হন এবং বেশ কিছু বিষয়ে কথা বলেন।
গনতন্ত্র চাপা থাকে তখন উগ্রবাদী শক্তিগলোর উল্থন ঘটে,তারা মাথা চাড়া দিয়ে উঠে-ঠাকুরগায়ে মির্জা ফখরুল।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যখন গণতন্ত্র চাপা থাকে, তখন উগ্রবাদী শক্তিগুলোর উত্থান ঘটে। তারা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। দেশে জামায়াতে ইসলামীর ক্ষেত্রে এমন ঘটনা ঘটেছে।
তিনি বলেন, বিএনপি কখনো জনপ্রিয়তা হারায়নি। কারণ বিএনপি সবসময় জনগণের রাজনীতি করেছে। এটাই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। বিএনপি সরকারে ছিল, সরকার হিসেবে কাজ করেছে। বিএনপির কথাগুলো যখন গ্রহণ করেছে তখন এমন বিজয় হয়েছে।
১৩ ফেব্রুয়ারি ঠাকুরগাঁওয়ের নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, আমরা সবসময় কমিটমেন্টে অটুট থাকি। ফ্যাসিষ্টদের সঙ্গে যারা যুগপৎ আন্দোলন করেছে তাদেরকে নিয়ে আমরা নির্বাচন করেছি। তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে আমরা সরকার গঠন করব।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে জনগণ তাদের রিজেক্ট করেছে। বিএনপি তিনভাগের ২ ভাগ মেজরিটি পেয়ে গেছে। জনগণ আবারও সুষ্ঠু সৎ ও  কল্যাণমুখী রাজনীতির মধ্য দিয়ে সমস্ত অপপ্রবণতাগুলোকে রুখে দিতে সক্ষম হবে। এসময় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। দুপুর ২ টার দিকে তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে ঠাকুরগাঁও ত্যাগ করেন।