সংবাদ শিরোনাম
আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত প্রাণিসম্পদ বিভাগের দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ফ্রি ভ্যাকসিনেশন ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত: ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলের অন্ত:স্কুল শিখন ও গনিত উৎসব-২৬ অনুষ্ঠিত “আমিষেই শক্তি, আমিষেই মুক্তি” প্রতিপাদ্য নিয়ে পীরগঞ্জে   প্রানিসম্পদের ফ্রি-মেডিকেল ক্যাম্প ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শরিয়াহভিত্তিক ইসলামিক রাষ্ট্র নয়, বাংলাদেশের মানুষ উদারপন্থি রাজনীতি করতে চায়-ঠাকুরগাঁও বিএনপি’র বর্ধিত সভায় মির্জা ফখরুল ব্র্যাক’র স্বপ্নসারথী দলের কিশোরীদের মাঝে শিক্ষা সহায়তা প্রদান সম্পন্ন রংপুর বিভাগীয় পরিচালকের পীরগঞ্জ প্রানিসম্পদ দপ্তরের সম্প্রসারন কার্যক্রম পরিদর্শন পীরগঞ্জ পেৌরসভার ৫২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা পীরগঞ্জে বৃক্ষরােপন কর্মসূচীর উদ্বোধন পীরগঞ্জে স্বপ্ন-সারথিদের মাঝে গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান

নির্মান কাজে রডের বদলে বাশ-অভিযোগের সত্যতা মেলেনি

ষ্টাফ রিপোর্টার,ঠাকুরগাঁও:: জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার জাবরহাট কলেজে নির্মান প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটির তদন্তে রডের বদলে বাশ’র অভিযোগের সত্যতা মিলেনি বরং ঘটনাটি কে বা কারা অসৎ উদ্দেশ্যে করেছে মর্মে প্রমানিত হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, গত ২১ ফেব্রুয়ারী শহীদমিনারে পুষ্পার্ঘ অর্পন শেষে কলেজের অধ্যক্ষ, অন্যান্য শিক্ষক কর্মচারীদের নিয়ে কলেজের ওয়াস ব্লক নির্মান কাজ পরিদর্শনে গিয়ে সদ্য নির্মিত একটি স্লাবের ঢাকনার এক প্রান্তে বাশের বাতা দেখতে পেয়ে বিষয়টি তাৎক্ষনিক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকৌশলীকে অবগত করেন। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিস্তর লেখালেখি হয়। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যেও একটি কদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির প্রধান উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি আলহাজ আখতারুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ রেজাউল করিম, উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) শামীম আখতার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তারিফুল ইসলাম ও ইউডিএফ প্রকল্প কর্মকর্তা মোঃ জসিম উদ্দিন, ২৩ ফেব্রুয়ারী বিকেলে ঘটনাস্থল সরেজমিন তদন্ত করেন। প্রকাশ্যে ও গোপনে তদন্তকালে কলেজ কতৃপক্ষ, শিক্ষক কর্মচারী সহ স্থানীয় লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে অভিযোগের সত্যতা পায়নি। জানা গেছে পীরগঞ্জ উপজেলা পরিচালন ও উন্নয়ন প্রকল্প (ইউজিডিপি) থেকে ৭ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়ে ইন্সকেকশন কাজ শুরু করেন এলাকার তরুন ঠিকাদার মোঃ ফারুক হোসেন। ইতোমধ্যে নির্মাণ কাজ ৮০ ভাগ সমাপ্ত হয়েছে। ২০ ভাগ কাজ চলমান রয়েছে। ইন্সপেকশন এর ২/২ ফিট একটি ঢাকনায় সচরাচর ৩/৪ কেজি লোহার রড প্রয়োজন হয় যার বাজার মূল্য ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। সমগ্র কাজ সঠিক ভাবে শেষ করে একটি ঢাকনা নির্মানে ৩০০ টাকার রড ফাকির বিষয়টি স্থানীয়রা মানতে নারাজ। এ ছাড়া অন্যান্য ঢাকনাগুলোও ঠিকাদারের উপস্থিতিতে ভেঙ্গে পরীক্ষা করা হয়েছে, যেগুলোতে যথাযথভাবে রডের ব্যবহার দেখা গেছে। তদন্ত কমিটি সহ সংশ্লিষ্ট সকলের মতে বিষয়টি অসৎ উদ্দেশ্যে কে বা কারা পরিকল্পিত উপায়ে সৃষ্টি করেছে।
এ ব্যাপারে ঠিকাদার মোঃ ফারুক হোসেন বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদগুলোর প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, আমি দীর্ঘ দিন ধরে প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদার হিসেবে পীরগঞ্জ সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় সুনামের সাথে নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করেছি। একটি মহল আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্যে গভীর ষড়যন্ত্র করছে এবং মিথ্যে তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করে আমার মানহানী করেছে, আমি সংশ্লিষ্ট সংবাদগুলোর তীব্র প্রতিবাদ সহ নিন্দা জানাই।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত

নির্মান কাজে রডের বদলে বাশ-অভিযোগের সত্যতা মেলেনি

আপডেট টাইম ০৯:৩৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২২

ষ্টাফ রিপোর্টার,ঠাকুরগাঁও:: জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার জাবরহাট কলেজে নির্মান প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে গঠিত তদন্ত কমিটির তদন্তে রডের বদলে বাশ’র অভিযোগের সত্যতা মিলেনি বরং ঘটনাটি কে বা কারা অসৎ উদ্দেশ্যে করেছে মর্মে প্রমানিত হয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, গত ২১ ফেব্রুয়ারী শহীদমিনারে পুষ্পার্ঘ অর্পন শেষে কলেজের অধ্যক্ষ, অন্যান্য শিক্ষক কর্মচারীদের নিয়ে কলেজের ওয়াস ব্লক নির্মান কাজ পরিদর্শনে গিয়ে সদ্য নির্মিত একটি স্লাবের ঢাকনার এক প্রান্তে বাশের বাতা দেখতে পেয়ে বিষয়টি তাৎক্ষনিক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকৌশলীকে অবগত করেন। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিস্তর লেখালেখি হয়। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যেও একটি কদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির প্রধান উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি আলহাজ আখতারুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ রেজাউল করিম, উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) শামীম আখতার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তারিফুল ইসলাম ও ইউডিএফ প্রকল্প কর্মকর্তা মোঃ জসিম উদ্দিন, ২৩ ফেব্রুয়ারী বিকেলে ঘটনাস্থল সরেজমিন তদন্ত করেন। প্রকাশ্যে ও গোপনে তদন্তকালে কলেজ কতৃপক্ষ, শিক্ষক কর্মচারী সহ স্থানীয় লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে অভিযোগের সত্যতা পায়নি। জানা গেছে পীরগঞ্জ উপজেলা পরিচালন ও উন্নয়ন প্রকল্প (ইউজিডিপি) থেকে ৭ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়ে ইন্সকেকশন কাজ শুরু করেন এলাকার তরুন ঠিকাদার মোঃ ফারুক হোসেন। ইতোমধ্যে নির্মাণ কাজ ৮০ ভাগ সমাপ্ত হয়েছে। ২০ ভাগ কাজ চলমান রয়েছে। ইন্সপেকশন এর ২/২ ফিট একটি ঢাকনায় সচরাচর ৩/৪ কেজি লোহার রড প্রয়োজন হয় যার বাজার মূল্য ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। সমগ্র কাজ সঠিক ভাবে শেষ করে একটি ঢাকনা নির্মানে ৩০০ টাকার রড ফাকির বিষয়টি স্থানীয়রা মানতে নারাজ। এ ছাড়া অন্যান্য ঢাকনাগুলোও ঠিকাদারের উপস্থিতিতে ভেঙ্গে পরীক্ষা করা হয়েছে, যেগুলোতে যথাযথভাবে রডের ব্যবহার দেখা গেছে। তদন্ত কমিটি সহ সংশ্লিষ্ট সকলের মতে বিষয়টি অসৎ উদ্দেশ্যে কে বা কারা পরিকল্পিত উপায়ে সৃষ্টি করেছে।
এ ব্যাপারে ঠিকাদার মোঃ ফারুক হোসেন বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদগুলোর প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, আমি দীর্ঘ দিন ধরে প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদার হিসেবে পীরগঞ্জ সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় সুনামের সাথে নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করেছি। একটি মহল আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্যে গভীর ষড়যন্ত্র করছে এবং মিথ্যে তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করে আমার মানহানী করেছে, আমি সংশ্লিষ্ট সংবাদগুলোর তীব্র প্রতিবাদ সহ নিন্দা জানাই।