সংবাদ শিরোনাম
আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত প্রাণিসম্পদ বিভাগের দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ফ্রি ভ্যাকসিনেশন ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত: ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলের অন্ত:স্কুল শিখন ও গনিত উৎসব-২৬ অনুষ্ঠিত “আমিষেই শক্তি, আমিষেই মুক্তি” প্রতিপাদ্য নিয়ে পীরগঞ্জে   প্রানিসম্পদের ফ্রি-মেডিকেল ক্যাম্প ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শরিয়াহভিত্তিক ইসলামিক রাষ্ট্র নয়, বাংলাদেশের মানুষ উদারপন্থি রাজনীতি করতে চায়-ঠাকুরগাঁও বিএনপি’র বর্ধিত সভায় মির্জা ফখরুল ব্র্যাক’র স্বপ্নসারথী দলের কিশোরীদের মাঝে শিক্ষা সহায়তা প্রদান সম্পন্ন রংপুর বিভাগীয় পরিচালকের পীরগঞ্জ প্রানিসম্পদ দপ্তরের সম্প্রসারন কার্যক্রম পরিদর্শন পীরগঞ্জ পেৌরসভার ৫২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা পীরগঞ্জে বৃক্ষরােপন কর্মসূচীর উদ্বোধন পীরগঞ্জে স্বপ্ন-সারথিদের মাঝে গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান

সেন্টমার্টিন ও টেকনাফে ঘূর্ণিঝড় মোখার তাণ্ডব

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি::

অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা ১০০ কিলোমিটার গতিতে আঘাত হেনেছে সেন্টমার্টিন ও টেকনাফে। চলছে ঘূর্ণিঝড়টির তাণ্ডব। ঝোড়ো বাতাসে  লণ্ড ভণ্ড হয়ে গেছে সেন্টমার্টিন দ্বীপের ঘরবাড়ি ও গাছপালা। অনেক বাড়িঘর উড়িয়ে নিয়ে গেছে। ঝড়ের তাণ্ডবে গাছ পড়ে এক নারীর মৃত্যুর খবরও পাওয়া গেছে । টেকনাফ উপজেলায়ও প্রচণ্ড গতিতে বাতাস বইছে। বড় বড় ঢেউ আছড়ে পড়ছে তীরে। আজ দুপুর থেকে এই তাণ্ডব শুরু হয়। তবে ঘূর্ণিঝড়টির মূল কেন্দ্রের আঘাত শুরু হবে তিনটার দিকে। এরপর কমে আসবে বাতাসের তীব্রতা।

এদিকে সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান,  এই মুহূর্তে সেন্টমার্টিনে বাতাসের গতি প্রচুর।অনেক ঘরবাড়ি উড়িয়ে নিয়ে গেছে। শুনেছি গাছ পড়ে এক নারীর মৃত্যুও হয়েছে। কিন্তু বৈরি পরিবেশের কারণে বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।

সেন্টমার্টিনের স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মালেক বলেন, বাতাসের গতি তীব্র থেকে তীব্রতর। সমুদ্রের পানি বাতাসে উড়িয়ে নিচ্ছে। বিচের ভেজা মাটি তুলে নিচ্ছে তীব্র বাতাসে। মানুষের ঘর বাড়ির টিন, ছাউনি, কাঠ, বাঁশ উড়িয়ে নিচ্ছে। বড় বড় গাছ ও নারিকেল গাছ দুমড়ে মুচড়ে পড়েছে। দোকানপাট ভেঙে উড়ে গেছে। পুরো সেন্টমার্টিনে বৃষ্টির পানি ও বাতাসের তীব্রতায় কিছুই দেখা যাচ্ছে না। সব ধোঁয়াশা হয়ে আছে। ঘূর্ণিঝড় মোখা মূল আঘাত মিয়ানমারের চলছে। যে কারণে বাংলাদেশের জন্য অনেকটাই ঝুঁকি কেটে গেছে।
টেকনাফ ২৬ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দেখা যায়, প্রচণ্ড বাতাস বইছে।  রোহিঙ্গারা নিজ নিজ ঘরে অবস্থান করে আছে। অনেকে স্কুল মাদরাসায় আশ্রয় নিয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত ঘরগুলো অতি ঝুঁকিতে রয়েছে। নাফ নদী ও সাগর উত্তাল রূপ ধারণ করেছে। আছড়ে পড়ছে বড় বড় ঢেউ। বাতাসের গতির জন্য বাইরে বের হওয়া অনিরাপদ হয়ে উঠেছে। এখনো কোন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত

সেন্টমার্টিন ও টেকনাফে ঘূর্ণিঝড় মোখার তাণ্ডব

আপডেট টাইম ০১:২২:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ মে ২০২৩

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি::

অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা ১০০ কিলোমিটার গতিতে আঘাত হেনেছে সেন্টমার্টিন ও টেকনাফে। চলছে ঘূর্ণিঝড়টির তাণ্ডব। ঝোড়ো বাতাসে  লণ্ড ভণ্ড হয়ে গেছে সেন্টমার্টিন দ্বীপের ঘরবাড়ি ও গাছপালা। অনেক বাড়িঘর উড়িয়ে নিয়ে গেছে। ঝড়ের তাণ্ডবে গাছ পড়ে এক নারীর মৃত্যুর খবরও পাওয়া গেছে । টেকনাফ উপজেলায়ও প্রচণ্ড গতিতে বাতাস বইছে। বড় বড় ঢেউ আছড়ে পড়ছে তীরে। আজ দুপুর থেকে এই তাণ্ডব শুরু হয়। তবে ঘূর্ণিঝড়টির মূল কেন্দ্রের আঘাত শুরু হবে তিনটার দিকে। এরপর কমে আসবে বাতাসের তীব্রতা।

এদিকে সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান,  এই মুহূর্তে সেন্টমার্টিনে বাতাসের গতি প্রচুর।অনেক ঘরবাড়ি উড়িয়ে নিয়ে গেছে। শুনেছি গাছ পড়ে এক নারীর মৃত্যুও হয়েছে। কিন্তু বৈরি পরিবেশের কারণে বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।

সেন্টমার্টিনের স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মালেক বলেন, বাতাসের গতি তীব্র থেকে তীব্রতর। সমুদ্রের পানি বাতাসে উড়িয়ে নিচ্ছে। বিচের ভেজা মাটি তুলে নিচ্ছে তীব্র বাতাসে। মানুষের ঘর বাড়ির টিন, ছাউনি, কাঠ, বাঁশ উড়িয়ে নিচ্ছে। বড় বড় গাছ ও নারিকেল গাছ দুমড়ে মুচড়ে পড়েছে। দোকানপাট ভেঙে উড়ে গেছে। পুরো সেন্টমার্টিনে বৃষ্টির পানি ও বাতাসের তীব্রতায় কিছুই দেখা যাচ্ছে না। সব ধোঁয়াশা হয়ে আছে। ঘূর্ণিঝড় মোখা মূল আঘাত মিয়ানমারের চলছে। যে কারণে বাংলাদেশের জন্য অনেকটাই ঝুঁকি কেটে গেছে।
টেকনাফ ২৬ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দেখা যায়, প্রচণ্ড বাতাস বইছে।  রোহিঙ্গারা নিজ নিজ ঘরে অবস্থান করে আছে। অনেকে স্কুল মাদরাসায় আশ্রয় নিয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত ঘরগুলো অতি ঝুঁকিতে রয়েছে। নাফ নদী ও সাগর উত্তাল রূপ ধারণ করেছে। আছড়ে পড়ছে বড় বড় ঢেউ। বাতাসের গতির জন্য বাইরে বের হওয়া অনিরাপদ হয়ে উঠেছে। এখনো কোন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।