সংবাদ শিরোনাম
৪২-বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে ঠাকুরগাঁও-দিনাজপুর সীমান্ত এলাকায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক উদ্ধার সীমান্তের ১৩ টি পূজা মন্ডবে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেছে ৪২ বিজিবির সদস্যরা পীরগঞ্জে দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ন করতে উপজেলা প্রশাসনের মত-বিনীময় সভা পীরগঞ্জে হিন্দু ধর্মীয় দুর্গা-পূজার জন্য অনুদান বিতরন একটি আদর্শ, একটি স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দেবার ক্ষেত্রে এটি নি:সন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ন মাইলফলক-পরিচালক ইত্তাশাম-উল-হক পীরগঞ্জে ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত চেরকুঘাট সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন চেরকুঘাট সেতুর উদ্বোধন করলেন এমপি জাহিদুর ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলে অন্ত: প্রতিযোগীতা ইংলিশ অলিম্পিয়ার্ড ও বিজ্ঞান উৎসবের উদ্বোধন পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর টিকা দেয়ার কারনে আজ দেশ থেকে গুটি বসন্ত রোগ চিরতরে বিদায় হয়েছে, তেমনি করে গরু ছাগলকেও টিকা দেয়ার বিকল্প নেই-ঠাকুরগাঁওয়ে লাইভষ্টক পরিচালক ডা: আব্দুল হাই সরকার ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

রিমান্ড কেন চাইলো না, প্রশ্ন বিচারকের

সারাদিন ডেস্ক::   চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগের মামলায় গ্রেফতার রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) দুই পরিচালক শাকিল কামাল চৌধুরী ও ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ মহিউদ্দীন শিকদারকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারী জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ধানমন্ডি মডেল থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) মো. আশফাক রাজীব হাসান আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

বিকেল পৌনে ৪টায় আদালতে কার্যক্রম শুরু হয়। শুনানিকালে বিচারক মামলাটিতে আসামিদের রিমান্ড না চাওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর উদ্দেশ্যে বলেন, বুঝলাম না, কেন রিমান্ড চাইলো না?

জবাবে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর আজাদ রহমান বলেন, হয়তো পুলিশ পরে রিমান্ড চাইবে।

পরে আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. জাহিদুল ইসলাম কাদির জামিন আবেদনের শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করেন।

কারাগারে আটক রাখার আবেদন তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, বাদীর বাড়ী চাঁপাইনাবাবগঞ্জ। আসামি শাকিলের সাথে তার ৭/৮ মাস আগে ফেসবুকে পরিচয় হয়। বাদী আসামি শাকিলকে একটি চাকরির কথা বলে। পরে শাকিল তাকে ঢাকায় আসতে বলেন। সে অনুযায়ী বাদী ঢাকায় আসেন এবং আসামির কথা মতো গত ২৬ সেপ্টেম্বর সাড়ে ৩টার বাদী ধানমন্ডি থানাধীন রোড নং-১৩, বাড়ী নং-৮, ফ্ল্যাট নং-ই/বি রিহাবের অফিসের উত্তর-পূর্ব পাশের কক্ষে আসে। সেখানে আসামি শাকিল ও মহিউদ্দিন ছিল। তখন বাদী কিছু বুঝে ওঠার আগেই আসামি মহিউদ্দিন সোফার ওপর বাদীকে ধর্ষণ করেন। ওই সময় আসামি শাকিল বাদীর হাত ও মাথা ধরে রাখে এবং আসামি মহিউদ্দিন ধর্ষণের পর আসামি শাকিল তাকে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের পর আসামিরা তাকে বিভিন্ন প্রকার হুমকি দেন। এরপর আসামি শাকিল বাথরুমে গেলে বাদী আসামি মহিউদ্দিনকে ধাক্কা দিয়ে দৌড়ে দরজা খুলে পালিয়ে আসে।

মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

এর আগে রোববার বিকেলে আসামিদের ধানমন্ডি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

৪২-বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে ঠাকুরগাঁও-দিনাজপুর সীমান্ত এলাকায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক উদ্ধার

রিমান্ড কেন চাইলো না, প্রশ্ন বিচারকের

আপডেট টাইম ০৭:৩৯:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯

সারাদিন ডেস্ক::   চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগের মামলায় গ্রেফতার রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) দুই পরিচালক শাকিল কামাল চৌধুরী ও ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ মহিউদ্দীন শিকদারকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারী জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ধানমন্ডি মডেল থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) মো. আশফাক রাজীব হাসান আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

বিকেল পৌনে ৪টায় আদালতে কার্যক্রম শুরু হয়। শুনানিকালে বিচারক মামলাটিতে আসামিদের রিমান্ড না চাওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর উদ্দেশ্যে বলেন, বুঝলাম না, কেন রিমান্ড চাইলো না?

জবাবে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর আজাদ রহমান বলেন, হয়তো পুলিশ পরে রিমান্ড চাইবে।

পরে আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. জাহিদুল ইসলাম কাদির জামিন আবেদনের শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করেন।

কারাগারে আটক রাখার আবেদন তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, বাদীর বাড়ী চাঁপাইনাবাবগঞ্জ। আসামি শাকিলের সাথে তার ৭/৮ মাস আগে ফেসবুকে পরিচয় হয়। বাদী আসামি শাকিলকে একটি চাকরির কথা বলে। পরে শাকিল তাকে ঢাকায় আসতে বলেন। সে অনুযায়ী বাদী ঢাকায় আসেন এবং আসামির কথা মতো গত ২৬ সেপ্টেম্বর সাড়ে ৩টার বাদী ধানমন্ডি থানাধীন রোড নং-১৩, বাড়ী নং-৮, ফ্ল্যাট নং-ই/বি রিহাবের অফিসের উত্তর-পূর্ব পাশের কক্ষে আসে। সেখানে আসামি শাকিল ও মহিউদ্দিন ছিল। তখন বাদী কিছু বুঝে ওঠার আগেই আসামি মহিউদ্দিন সোফার ওপর বাদীকে ধর্ষণ করেন। ওই সময় আসামি শাকিল বাদীর হাত ও মাথা ধরে রাখে এবং আসামি মহিউদ্দিন ধর্ষণের পর আসামি শাকিল তাকে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের পর আসামিরা তাকে বিভিন্ন প্রকার হুমকি দেন। এরপর আসামি শাকিল বাথরুমে গেলে বাদী আসামি মহিউদ্দিনকে ধাক্কা দিয়ে দৌড়ে দরজা খুলে পালিয়ে আসে।

মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

এর আগে রোববার বিকেলে আসামিদের ধানমন্ডি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।