সংবাদ শিরোনাম
শরিয়াহভিত্তিক ইসলামিক রাষ্ট্র নয়, বাংলাদেশের মানুষ উদারপন্থি রাজনীতি করতে চায়-ঠাকুরগাঁও বিএনপি’র বর্ধিত সভায় মির্জা ফখরুল ব্র্যাক’র স্বপ্নসারথী দলের কিশোরীদের মাঝে শিক্ষা সহায়তা প্রদান সম্পন্ন রংপুর বিভাগীয় পরিচালকের পীরগঞ্জ প্রানিসম্পদ দপ্তরের সম্প্রসারন কার্যক্রম পরিদর্শন পীরগঞ্জ পেৌরসভার ৫২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা পীরগঞ্জে বৃক্ষরােপন কর্মসূচীর উদ্বোধন পীরগঞ্জে স্বপ্ন-সারথিদের মাঝে গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান ঠাকুরগাঁও সীমান্তে ১১ ভারতীয়কে ৪৮ ঘন্টা পর ফিরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ তারেক রহমানের নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে- মির্জা ফখরুল ঠাকুরগাঁওয়ে দাম্পত্য কলহের জেরে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধুর মৃত্যু, স্বামী পলাতক সাংবাদিকতার চাইতে চ্যালেঞ্জিং পেশা আর নেই-মির্জা ফখরুল

ঠাকুরগাওয়ে ৩ দফা দাবীতে চাকুরীচ্যুৎ ও জেলবন্দি বিডিআর পরিবারের মানববন্ধন

ষ্টাফ রিপোর্টার:: গতকাল ১২ জানুয়ারী দুপুরের দিকে বিডিআর হত্যাকান্ড ঘটনায় চাকুরিচ্যুৎ ও জেলবন্দি বিডিআর সদস্যদের পরিবারের সদস্যেদর উদ্দোগে ৩ দফা দাবিতে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাব চত্বরে এক মানববন্ধন কমৃসূচী পালিত হয়েছে।
‘বিডিআরের চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের আর মাত্র তিন মাস বাকি ছিল আমার বাবার। আমি তখন পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ি। আর এখন আমি দুই সন্তানের জননী। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে বাবার জন্য অপেক্ষা করছি। কী দোষ ছিল আমার বাবার? আমার বাবা মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়নি বলেই কি তাকে জেলে আটকে রাখা হয়েছে? মিথ্যা সাক্ষ্য না দেওয়ায় কি ছিল তার অপরাধ? আমি স্বাধীন তদন্ত কমিশনকে বলব যেন দ্রুত আমার বাবাসহ নির্দোষ সকল বিডিআরকে মুক্তি দেওয়া হয় ৷’ অশ্রুসিক্ত চোখে মানববন্ধনে দাঁড়িয়ে কথাগুলো বলছিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলবন্দি বিডিআর সদস্য আক্তার আলীর মেয়ে আফরিন আক্তার।
এ সময় মানববন্ধনে এক বৃদ্ধা কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আমার সন্তান জয়দেবের মুক্তি চাই। তার চাকরি ফেরত চাই।
মানবন্ধনে একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি চন্দন বিডিআরের বোন মুক্তি রানি বলছি। আমার ভাইটাকে কবে ফেরত পাব? আমার ভাইয়ের ছেলে শ্রাবণ বুঝতে শেখার পর থেকে তার বাবাকে খুঁজছে। কেন তাদের ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে না? তাদের নিয়ে কি নতুন ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে? আমরা খুব আশা নিয়ে আছি ফ্যাসিস্ট সরকার চলে যাওয়ায় এই সরকার তাদের নিঃশর্ত মুক্তি দেবে।’
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি শেখ হাসিনা সরকারের ষড়যন্ত্রের শিকার পিলখানাসহ সারা দেশে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যের পুনর্বাসনপূর্বক চাকরিতে পুনর্বহাল; ১৬ বছর যাবত জেলবন্দি সকল নির্দোষ বিডিআর সদস্যদের জেল থেকে মুক্তি; স্বাধীন তদন্ত কমিশনের মাধ্যমে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সত্য উদ্‌ঘাটন ও অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিতকরণ এবং দাবি আদায় না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি আসে মানববন্ধন থেকে।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

শরিয়াহভিত্তিক ইসলামিক রাষ্ট্র নয়, বাংলাদেশের মানুষ উদারপন্থি রাজনীতি করতে চায়-ঠাকুরগাঁও বিএনপি’র বর্ধিত সভায় মির্জা ফখরুল

ঠাকুরগাওয়ে ৩ দফা দাবীতে চাকুরীচ্যুৎ ও জেলবন্দি বিডিআর পরিবারের মানববন্ধন

আপডেট টাইম ০৪:১৯:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫

ষ্টাফ রিপোর্টার:: গতকাল ১২ জানুয়ারী দুপুরের দিকে বিডিআর হত্যাকান্ড ঘটনায় চাকুরিচ্যুৎ ও জেলবন্দি বিডিআর সদস্যদের পরিবারের সদস্যেদর উদ্দোগে ৩ দফা দাবিতে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাব চত্বরে এক মানববন্ধন কমৃসূচী পালিত হয়েছে।
‘বিডিআরের চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের আর মাত্র তিন মাস বাকি ছিল আমার বাবার। আমি তখন পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ি। আর এখন আমি দুই সন্তানের জননী। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে বাবার জন্য অপেক্ষা করছি। কী দোষ ছিল আমার বাবার? আমার বাবা মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়নি বলেই কি তাকে জেলে আটকে রাখা হয়েছে? মিথ্যা সাক্ষ্য না দেওয়ায় কি ছিল তার অপরাধ? আমি স্বাধীন তদন্ত কমিশনকে বলব যেন দ্রুত আমার বাবাসহ নির্দোষ সকল বিডিআরকে মুক্তি দেওয়া হয় ৷’ অশ্রুসিক্ত চোখে মানববন্ধনে দাঁড়িয়ে কথাগুলো বলছিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলবন্দি বিডিআর সদস্য আক্তার আলীর মেয়ে আফরিন আক্তার।
এ সময় মানববন্ধনে এক বৃদ্ধা কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আমার সন্তান জয়দেবের মুক্তি চাই। তার চাকরি ফেরত চাই।
মানবন্ধনে একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি চন্দন বিডিআরের বোন মুক্তি রানি বলছি। আমার ভাইটাকে কবে ফেরত পাব? আমার ভাইয়ের ছেলে শ্রাবণ বুঝতে শেখার পর থেকে তার বাবাকে খুঁজছে। কেন তাদের ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে না? তাদের নিয়ে কি নতুন ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে? আমরা খুব আশা নিয়ে আছি ফ্যাসিস্ট সরকার চলে যাওয়ায় এই সরকার তাদের নিঃশর্ত মুক্তি দেবে।’
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি শেখ হাসিনা সরকারের ষড়যন্ত্রের শিকার পিলখানাসহ সারা দেশে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যের পুনর্বাসনপূর্বক চাকরিতে পুনর্বহাল; ১৬ বছর যাবত জেলবন্দি সকল নির্দোষ বিডিআর সদস্যদের জেল থেকে মুক্তি; স্বাধীন তদন্ত কমিশনের মাধ্যমে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সত্য উদ্‌ঘাটন ও অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিতকরণ এবং দাবি আদায় না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি আসে মানববন্ধন থেকে।