ঢাকা ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা, এডহক ডাক্তারের প্রভাবে প্রশ্নবিদ্ধ ঠাকুরগাঁওয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ–যেন দেখার কেউ নেই ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক বিভাগের একটি চিঠিতে আতঙ্কিত জমির মালিক চাপা উত্তেজনা পীরগঞ্জে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, এসপি বরাবর অভিযোগ পীরগঞ্জ আল-হাসানা স্কুল এন্ড কলেজের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ স্থাপেনর সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে : মির্জা ফখরুল কর্তব্যরত অবস্থায় ঠাকুরগায়ের পীরগঞ্জ থানার এক এএসআই’র মৃত্যু যখন গনতন্ত্র চাপা থাকে তখন উগ্রবাদী শক্তিগলোর উল্থন ঘটে,তারা মাথা চাড়া দিয়ে উঠে-ঠাকুরগায়ে মির্জা ফখরুল ঠাকুরগায়ের ৩ টি আসনেই বিএনপি’র বিজয়,প্রতিদ্বন্দিতা করেছে জামায়াত ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির অর্ধ-কোটি টাকাসহ আটক,এলাকায় চাঞ্চল্য ঠাকুরগাঁয়ে হ্যাঁ ভোটের প্রচারনায় শ্রম উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার এম শাখাওয়াত

ঠাকুরগাওয়ে ৩ দফা দাবীতে চাকুরীচ্যুৎ ও জেলবন্দি বিডিআর পরিবারের মানববন্ধন

ষ্টাফ রিপোর্টার:: গতকাল ১২ জানুয়ারী দুপুরের দিকে বিডিআর হত্যাকান্ড ঘটনায় চাকুরিচ্যুৎ ও জেলবন্দি বিডিআর সদস্যদের পরিবারের সদস্যেদর উদ্দোগে ৩ দফা দাবিতে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাব চত্বরে এক মানববন্ধন কমৃসূচী পালিত হয়েছে।
‘বিডিআরের চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের আর মাত্র তিন মাস বাকি ছিল আমার বাবার। আমি তখন পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ি। আর এখন আমি দুই সন্তানের জননী। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে বাবার জন্য অপেক্ষা করছি। কী দোষ ছিল আমার বাবার? আমার বাবা মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়নি বলেই কি তাকে জেলে আটকে রাখা হয়েছে? মিথ্যা সাক্ষ্য না দেওয়ায় কি ছিল তার অপরাধ? আমি স্বাধীন তদন্ত কমিশনকে বলব যেন দ্রুত আমার বাবাসহ নির্দোষ সকল বিডিআরকে মুক্তি দেওয়া হয় ৷’ অশ্রুসিক্ত চোখে মানববন্ধনে দাঁড়িয়ে কথাগুলো বলছিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলবন্দি বিডিআর সদস্য আক্তার আলীর মেয়ে আফরিন আক্তার।
এ সময় মানববন্ধনে এক বৃদ্ধা কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আমার সন্তান জয়দেবের মুক্তি চাই। তার চাকরি ফেরত চাই।
মানবন্ধনে একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি চন্দন বিডিআরের বোন মুক্তি রানি বলছি। আমার ভাইটাকে কবে ফেরত পাব? আমার ভাইয়ের ছেলে শ্রাবণ বুঝতে শেখার পর থেকে তার বাবাকে খুঁজছে। কেন তাদের ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে না? তাদের নিয়ে কি নতুন ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে? আমরা খুব আশা নিয়ে আছি ফ্যাসিস্ট সরকার চলে যাওয়ায় এই সরকার তাদের নিঃশর্ত মুক্তি দেবে।’
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি শেখ হাসিনা সরকারের ষড়যন্ত্রের শিকার পিলখানাসহ সারা দেশে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যের পুনর্বাসনপূর্বক চাকরিতে পুনর্বহাল; ১৬ বছর যাবত জেলবন্দি সকল নির্দোষ বিডিআর সদস্যদের জেল থেকে মুক্তি; স্বাধীন তদন্ত কমিশনের মাধ্যমে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সত্য উদ্‌ঘাটন ও অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিতকরণ এবং দাবি আদায় না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি আসে মানববন্ধন থেকে।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা, এডহক ডাক্তারের প্রভাবে প্রশ্নবিদ্ধ ঠাকুরগাঁওয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ–যেন দেখার কেউ নেই

ঠাকুরগাওয়ে ৩ দফা দাবীতে চাকুরীচ্যুৎ ও জেলবন্দি বিডিআর পরিবারের মানববন্ধন

আপডেট টাইম ০৪:১৯:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫

ষ্টাফ রিপোর্টার:: গতকাল ১২ জানুয়ারী দুপুরের দিকে বিডিআর হত্যাকান্ড ঘটনায় চাকুরিচ্যুৎ ও জেলবন্দি বিডিআর সদস্যদের পরিবারের সদস্যেদর উদ্দোগে ৩ দফা দাবিতে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাব চত্বরে এক মানববন্ধন কমৃসূচী পালিত হয়েছে।
‘বিডিআরের চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের আর মাত্র তিন মাস বাকি ছিল আমার বাবার। আমি তখন পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ি। আর এখন আমি দুই সন্তানের জননী। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে বাবার জন্য অপেক্ষা করছি। কী দোষ ছিল আমার বাবার? আমার বাবা মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়নি বলেই কি তাকে জেলে আটকে রাখা হয়েছে? মিথ্যা সাক্ষ্য না দেওয়ায় কি ছিল তার অপরাধ? আমি স্বাধীন তদন্ত কমিশনকে বলব যেন দ্রুত আমার বাবাসহ নির্দোষ সকল বিডিআরকে মুক্তি দেওয়া হয় ৷’ অশ্রুসিক্ত চোখে মানববন্ধনে দাঁড়িয়ে কথাগুলো বলছিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলবন্দি বিডিআর সদস্য আক্তার আলীর মেয়ে আফরিন আক্তার।
এ সময় মানববন্ধনে এক বৃদ্ধা কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আমার সন্তান জয়দেবের মুক্তি চাই। তার চাকরি ফেরত চাই।
মানবন্ধনে একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি চন্দন বিডিআরের বোন মুক্তি রানি বলছি। আমার ভাইটাকে কবে ফেরত পাব? আমার ভাইয়ের ছেলে শ্রাবণ বুঝতে শেখার পর থেকে তার বাবাকে খুঁজছে। কেন তাদের ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে না? তাদের নিয়ে কি নতুন ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে? আমরা খুব আশা নিয়ে আছি ফ্যাসিস্ট সরকার চলে যাওয়ায় এই সরকার তাদের নিঃশর্ত মুক্তি দেবে।’
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি শেখ হাসিনা সরকারের ষড়যন্ত্রের শিকার পিলখানাসহ সারা দেশে চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যের পুনর্বাসনপূর্বক চাকরিতে পুনর্বহাল; ১৬ বছর যাবত জেলবন্দি সকল নির্দোষ বিডিআর সদস্যদের জেল থেকে মুক্তি; স্বাধীন তদন্ত কমিশনের মাধ্যমে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সত্য উদ্‌ঘাটন ও অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিতকরণ এবং দাবি আদায় না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি আসে মানববন্ধন থেকে।