সংবাদ শিরোনাম
রংপুর বিভাগীয় পরিচালকের পীরগঞ্জ প্রানিসম্পদ দপ্তরের সম্প্রসারন কার্যক্রম পরিদর্শন পীরগঞ্জ পেৌরসভার ৫২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা পীরগঞ্জে বৃক্ষরােপন কর্মসূচীর উদ্বোধন পীরগঞ্জে স্বপ্ন-সারথিদের মাঝে গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান ঠাকুরগাঁও সীমান্তে ১১ ভারতীয়কে ৪৮ ঘন্টা পর ফিরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ তারেক রহমানের নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে- মির্জা ফখরুল ঠাকুরগাঁওয়ে দাম্পত্য কলহের জেরে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধুর মৃত্যু, স্বামী পলাতক সাংবাদিকতার চাইতে চ্যালেঞ্জিং পেশা আর নেই-মির্জা ফখরুল পীরগঞ্জ প্রাণিসম্পদ দপ্তরে নির্ধারিত ৫শ৪৬ খামারীর মাঝে পশুখাদ্য ও উপকরণ বিতরণ পীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদে এমপি’র অফিস উদ্বোধন

শেকৃবির সঙ্গে বিএফআরআই সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত

মাৎস্যবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ, প্রশিক্ষণ ও যৌথ গবেষণার পরিধি বাড়াতে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই)-এর মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স রুমে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহাম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএফআরআই-এর মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো.সেকেন্দার আলী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল হক বেগসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, পরিচালক, শিক্ষক, কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন একোয়াকালচার বিভাগের চেয়ারম্যান ড. এ. এম. সাহাবউদ্দিন।
শেকৃবি’র পক্ষ থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহাম্মদ এবং বিএফআরআই পক্ষে মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। ফিশারিজ বায়োলজি এন্ড জেনেটিক্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক. ড. কাজী আহসান হাবিব এবং বিএফআরআই পক্ষে ড. মো. এনামুল হক চুক্তি সাক্ষী হিসেবে স্বাক্ষর করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের মৎস্য সেক্টরে গর্বের জায়গা যেমন রয়েছে তেমনি চ্যালেঞ্জও আছে। গুণগত মানসম্পন্ন পোনা উৎপাদন, জনবল সংকট, চাষযোগ্য জমির স্বল্পতা ইত্যাদি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারি সহায়তায় বিএফআরআই কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কারিগরি সহযোগিতা পেলে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা সম্ভব হবে।
এসময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন বলেন, এ সমঝোতা স্বারক দেশের মৎস্য সেক্টর উন্নয়নে ও এর সাথে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। এ স্বারক স্বাক্ষর করায় তিনি বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

রংপুর বিভাগীয় পরিচালকের পীরগঞ্জ প্রানিসম্পদ দপ্তরের সম্প্রসারন কার্যক্রম পরিদর্শন

শেকৃবির সঙ্গে বিএফআরআই সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত

আপডেট টাইম ১২:৪৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুলাই ২০১৮
মাৎস্যবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ, প্রশিক্ষণ ও যৌথ গবেষণার পরিধি বাড়াতে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই)-এর মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স রুমে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহাম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএফআরআই-এর মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো.সেকেন্দার আলী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল হক বেগসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, পরিচালক, শিক্ষক, কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন একোয়াকালচার বিভাগের চেয়ারম্যান ড. এ. এম. সাহাবউদ্দিন।
শেকৃবি’র পক্ষ থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহাম্মদ এবং বিএফআরআই পক্ষে মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। ফিশারিজ বায়োলজি এন্ড জেনেটিক্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক. ড. কাজী আহসান হাবিব এবং বিএফআরআই পক্ষে ড. মো. এনামুল হক চুক্তি সাক্ষী হিসেবে স্বাক্ষর করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের মৎস্য সেক্টরে গর্বের জায়গা যেমন রয়েছে তেমনি চ্যালেঞ্জও আছে। গুণগত মানসম্পন্ন পোনা উৎপাদন, জনবল সংকট, চাষযোগ্য জমির স্বল্পতা ইত্যাদি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারি সহায়তায় বিএফআরআই কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কারিগরি সহযোগিতা পেলে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা সম্ভব হবে।
এসময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন বলেন, এ সমঝোতা স্বারক দেশের মৎস্য সেক্টর উন্নয়নে ও এর সাথে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। এ স্বারক স্বাক্ষর করায় তিনি বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।