সংবাদ শিরোনাম
শরিয়াহভিত্তিক ইসলামিক রাষ্ট্র নয়, বাংলাদেশের মানুষ উদারপন্থি রাজনীতি করতে চায়-ঠাকুরগাঁও বিএনপি’র বর্ধিত সভায় মির্জা ফখরুল ব্র্যাক’র স্বপ্নসারথী দলের কিশোরীদের মাঝে শিক্ষা সহায়তা প্রদান সম্পন্ন রংপুর বিভাগীয় পরিচালকের পীরগঞ্জ প্রানিসম্পদ দপ্তরের সম্প্রসারন কার্যক্রম পরিদর্শন পীরগঞ্জ পেৌরসভার ৫২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা পীরগঞ্জে বৃক্ষরােপন কর্মসূচীর উদ্বোধন পীরগঞ্জে স্বপ্ন-সারথিদের মাঝে গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান ঠাকুরগাঁও সীমান্তে ১১ ভারতীয়কে ৪৮ ঘন্টা পর ফিরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ তারেক রহমানের নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে- মির্জা ফখরুল ঠাকুরগাঁওয়ে দাম্পত্য কলহের জেরে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধুর মৃত্যু, স্বামী পলাতক সাংবাদিকতার চাইতে চ্যালেঞ্জিং পেশা আর নেই-মির্জা ফখরুল

হাজীপুর কলেজে জীবন্ত গাছ কেটে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট, সভাপতি বলেছেন ব্যবস্থা নেয়া হবে

ষ্টাফ রিপোর্টার:: সরকারী আইন লঙ্ঘন করে কলেজ ক্যাম্পাসের জীবিত কয়েকটি গাছ কেটে বিক্রি করায় পরিবেশের ভারসাম্য নষ্টের অভিযোগ উঠেছে কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে স্থানীয়রা কলেজের অধ্যক্ষকে দায়ী করলেও অধ্যক্ষ তার দায় অস্বীকার করলেও কলেজের সভাপতি ব্যবস্থা গ্রহনের কথা জানিয়েছেন।

জানা যায়, ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার ৭ নং হাজীপুর ইউনিয়নের হাজীপুর কলেজের ক্যাম্পাস থেকে সোমবার বিকেলে স্থানীয় জামরুল ইসলাম তার লোকজন নিয়ে ৩ টি উঠতি বয়সের বনজ গাছ কেটে বিক্রি করেন। আশেপাশের লোকজন এর প্রতিবাদ জানালে তিনি বলেছেন, এই জায়গা আমি কলেজে দান করেছি এবং কলেজের নামে রেজিষ্ট্রি  করে দিয়েছি। এই গাছগুলো আমি নিজ হাতে লাগিয়েছি তাই আমি কলেজ অধ্যক্ষের অনুমতি নিয়ে এইসব গাছ কেটেছি। জীবিত গাছ কাটার ঘটনাটি এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করলে খোজ নিয়ে জানা যায়, বন বিভাগের অনুমতি ছাড়া গাছ কাটার কোন অনুমতি কেউ দিতে পারবেনা, অধ্যক্ষ অনুমতি দিয়ে থাকলে তিনি সরকারী আইনের লঙ্ঘন করেছেন । এ ব্যাপারে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জনাব জেসমিন আরা মুক্তির মতামত চাওয়া হলে তিনি বলেন আমি গাছ কাটার ব্যাপারে কাউকে কোন অনুমতি দেইনি, তবে আমি বিষয়টি জানি। যিনি গাছ কেটেছেন, গাছগুলো তার হাতেই লাগানো তাই এ ব্যাপারে বিধিগত ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বিষয়টি সম্পর্কে কলেজের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: রমিজ আলমের মন্তব্য চাওয়া হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু জানিনা বা কেউ আমাকে কিছু জানায়নি, আমি আগামীকাল অধ্যক্ষের সাথে কথা বলে এবং সরেজমিন ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধিগত ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে জানান। এ ব্যাপারে পরিবেশ অধিদপ্তর সহ সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কতৃপক্ষের আশু পদক্ষেপ জরুরী হযে পড়েছে বলে মনে করছেন এলাকার সচেতন মহল।

 

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

শরিয়াহভিত্তিক ইসলামিক রাষ্ট্র নয়, বাংলাদেশের মানুষ উদারপন্থি রাজনীতি করতে চায়-ঠাকুরগাঁও বিএনপি’র বর্ধিত সভায় মির্জা ফখরুল

হাজীপুর কলেজে জীবন্ত গাছ কেটে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট, সভাপতি বলেছেন ব্যবস্থা নেয়া হবে

আপডেট টাইম ০৯:৩১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৫

ষ্টাফ রিপোর্টার:: সরকারী আইন লঙ্ঘন করে কলেজ ক্যাম্পাসের জীবিত কয়েকটি গাছ কেটে বিক্রি করায় পরিবেশের ভারসাম্য নষ্টের অভিযোগ উঠেছে কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে স্থানীয়রা কলেজের অধ্যক্ষকে দায়ী করলেও অধ্যক্ষ তার দায় অস্বীকার করলেও কলেজের সভাপতি ব্যবস্থা গ্রহনের কথা জানিয়েছেন।

জানা যায়, ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার ৭ নং হাজীপুর ইউনিয়নের হাজীপুর কলেজের ক্যাম্পাস থেকে সোমবার বিকেলে স্থানীয় জামরুল ইসলাম তার লোকজন নিয়ে ৩ টি উঠতি বয়সের বনজ গাছ কেটে বিক্রি করেন। আশেপাশের লোকজন এর প্রতিবাদ জানালে তিনি বলেছেন, এই জায়গা আমি কলেজে দান করেছি এবং কলেজের নামে রেজিষ্ট্রি  করে দিয়েছি। এই গাছগুলো আমি নিজ হাতে লাগিয়েছি তাই আমি কলেজ অধ্যক্ষের অনুমতি নিয়ে এইসব গাছ কেটেছি। জীবিত গাছ কাটার ঘটনাটি এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করলে খোজ নিয়ে জানা যায়, বন বিভাগের অনুমতি ছাড়া গাছ কাটার কোন অনুমতি কেউ দিতে পারবেনা, অধ্যক্ষ অনুমতি দিয়ে থাকলে তিনি সরকারী আইনের লঙ্ঘন করেছেন । এ ব্যাপারে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জনাব জেসমিন আরা মুক্তির মতামত চাওয়া হলে তিনি বলেন আমি গাছ কাটার ব্যাপারে কাউকে কোন অনুমতি দেইনি, তবে আমি বিষয়টি জানি। যিনি গাছ কেটেছেন, গাছগুলো তার হাতেই লাগানো তাই এ ব্যাপারে বিধিগত ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বিষয়টি সম্পর্কে কলেজের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: রমিজ আলমের মন্তব্য চাওয়া হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু জানিনা বা কেউ আমাকে কিছু জানায়নি, আমি আগামীকাল অধ্যক্ষের সাথে কথা বলে এবং সরেজমিন ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধিগত ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে জানান। এ ব্যাপারে পরিবেশ অধিদপ্তর সহ সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কতৃপক্ষের আশু পদক্ষেপ জরুরী হযে পড়েছে বলে মনে করছেন এলাকার সচেতন মহল।