সংবাদ শিরোনাম
আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত প্রাণিসম্পদ বিভাগের দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ফ্রি ভ্যাকসিনেশন ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত: ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলের অন্ত:স্কুল শিখন ও গনিত উৎসব-২৬ অনুষ্ঠিত “আমিষেই শক্তি, আমিষেই মুক্তি” প্রতিপাদ্য নিয়ে পীরগঞ্জে   প্রানিসম্পদের ফ্রি-মেডিকেল ক্যাম্প ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শরিয়াহভিত্তিক ইসলামিক রাষ্ট্র নয়, বাংলাদেশের মানুষ উদারপন্থি রাজনীতি করতে চায়-ঠাকুরগাঁও বিএনপি’র বর্ধিত সভায় মির্জা ফখরুল ব্র্যাক’র স্বপ্নসারথী দলের কিশোরীদের মাঝে শিক্ষা সহায়তা প্রদান সম্পন্ন রংপুর বিভাগীয় পরিচালকের পীরগঞ্জ প্রানিসম্পদ দপ্তরের সম্প্রসারন কার্যক্রম পরিদর্শন পীরগঞ্জ পেৌরসভার ৫২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা পীরগঞ্জে বৃক্ষরােপন কর্মসূচীর উদ্বোধন পীরগঞ্জে স্বপ্ন-সারথিদের মাঝে গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান

বিচার চেয়ে হেফাজত নেতার পদত্যাগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি::  হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডবের ঘটনায় জড়িতদের বিচার চেয়ে পদত্যাগ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মুফতি আব্দুর রহিম কাসেমী। শুক্রবার সাংবাদিকদের কাছে লিখিত বক্তব্য পাঠিয়ে এতথ্য জানান তিনি।

এর আগে, সকাল সাড়ে ১০টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে আব্দুর রহিম কাসেমীর পূর্ব নির্ধারিত সংবাদ সম্মেলন থাকলেও তা স্থগিত করা হয়।

মুফতি আব্দুর রহিম কাসেমী লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী মাদরাসা জামিয়া ইউনুছিয়া ইসলামিয়াতে খেদমতে ছিলাম। কিন্তু মতাদর্শগত ভিন্নতার কারণে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমাকে ২০২০ সালের ডিসেম্বরের ১ তারিখে জামিয়ার সব দায়-দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। এরপর থেকে আমি হেফাজতে ইসলামের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য থাকলেও সব কার্যক্রমে নিষ্ক্রিয় করে রাখা হয়। তাই আমি আমার নিজস্ব তত্ত্বাবধানে মাদরাসার ছাত্রদের নিয়ে একান্তভাবে ব্যস্ত রয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘গত ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী হেফাজতে ইসলামের ডাকে যে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, তা নজিরবিহীন ও অমানবিক। দেশ ও জনগণের জানমালের ক্ষতি কোনোভাবেই ইসলামসম্মত হতে পারে না। তাই আমি ব্যক্তিগতভাবে এ সমস্ত কার্যক্রম থেকে নিষ্ক্রিয় থাকি এবং আমার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত মাদরাসাসমূহের শিক্ষক ও ছাত্রদের এ সমস্ত দেশ ও ইসলামবিরোধী কাজে যোগদান না করতে বাধ্য করি।’

কাসেমী আরও বলেন, ‘গত ২৬ মার্চ রেলওয়ে স্টেশনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আক্রমণ ও ক্ষয়ক্ষতি করা এবং ২৭ ও ২৮ মার্চ হরতাল চলাকালে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগসহ জানমালের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়, তাতে আমি এবং আমার মাদরাসার কোনো ছাত্র অংশগ্রহণ করেনি। আমি হেফাজতে ইসলামের চলমান কোনো কার্যক্রমের সঙ্গেও জড়িত নই। তাদের সব ধরনের নাশকতামূলক কার্যক্রমকে শরীয়তসম্মতভাবে অবৈধ মনে করি। আমি আনুষ্ঠানিকভাবে হেফাজতে ইসলামের সব কার্যক্রম ও জাতীয় এবং জেলা কমিটির পদসমূহ থেকে পদত্যাগ করছি। যাদের প্ররোচনায় দেশ ও জনগণের জানমালের এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তাদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনার জন্য সরকার ও প্রশাসনকে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি।’

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত

বিচার চেয়ে হেফাজত নেতার পদত্যাগ

আপডেট টাইম ০৫:২৯:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি::  হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডবের ঘটনায় জড়িতদের বিচার চেয়ে পদত্যাগ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মুফতি আব্দুর রহিম কাসেমী। শুক্রবার সাংবাদিকদের কাছে লিখিত বক্তব্য পাঠিয়ে এতথ্য জানান তিনি।

এর আগে, সকাল সাড়ে ১০টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে আব্দুর রহিম কাসেমীর পূর্ব নির্ধারিত সংবাদ সম্মেলন থাকলেও তা স্থগিত করা হয়।

মুফতি আব্দুর রহিম কাসেমী লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী মাদরাসা জামিয়া ইউনুছিয়া ইসলামিয়াতে খেদমতে ছিলাম। কিন্তু মতাদর্শগত ভিন্নতার কারণে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমাকে ২০২০ সালের ডিসেম্বরের ১ তারিখে জামিয়ার সব দায়-দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। এরপর থেকে আমি হেফাজতে ইসলামের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য থাকলেও সব কার্যক্রমে নিষ্ক্রিয় করে রাখা হয়। তাই আমি আমার নিজস্ব তত্ত্বাবধানে মাদরাসার ছাত্রদের নিয়ে একান্তভাবে ব্যস্ত রয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘গত ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী হেফাজতে ইসলামের ডাকে যে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, তা নজিরবিহীন ও অমানবিক। দেশ ও জনগণের জানমালের ক্ষতি কোনোভাবেই ইসলামসম্মত হতে পারে না। তাই আমি ব্যক্তিগতভাবে এ সমস্ত কার্যক্রম থেকে নিষ্ক্রিয় থাকি এবং আমার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত মাদরাসাসমূহের শিক্ষক ও ছাত্রদের এ সমস্ত দেশ ও ইসলামবিরোধী কাজে যোগদান না করতে বাধ্য করি।’

কাসেমী আরও বলেন, ‘গত ২৬ মার্চ রেলওয়ে স্টেশনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আক্রমণ ও ক্ষয়ক্ষতি করা এবং ২৭ ও ২৮ মার্চ হরতাল চলাকালে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগসহ জানমালের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়, তাতে আমি এবং আমার মাদরাসার কোনো ছাত্র অংশগ্রহণ করেনি। আমি হেফাজতে ইসলামের চলমান কোনো কার্যক্রমের সঙ্গেও জড়িত নই। তাদের সব ধরনের নাশকতামূলক কার্যক্রমকে শরীয়তসম্মতভাবে অবৈধ মনে করি। আমি আনুষ্ঠানিকভাবে হেফাজতে ইসলামের সব কার্যক্রম ও জাতীয় এবং জেলা কমিটির পদসমূহ থেকে পদত্যাগ করছি। যাদের প্ররোচনায় দেশ ও জনগণের জানমালের এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তাদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনার জন্য সরকার ও প্রশাসনকে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি।’