সংবাদ শিরোনাম
পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর টিকা দেয়ার কারনে আজ দেশ থেকে গুটি বসন্ত রোগ চিরতরে বিদায় হয়েছে, তেমনি করে গরু ছাগলকেও টিকা দেয়ার বিকল্প নেই-ঠাকুরগাঁওয়ে লাইভষ্টক পরিচালক ডা: আব্দুল হাই সরকার ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নৈতিক শিক্ষা আর নীতি আদর্শ না থাকলে কোনো শিক্ষাই জীবনে কাজে আসবেনা-আল-হাসানাহ পরিচালক মিম ঠাকুরগাঁওয়ে ‘এন্টি-মাইক্রোবিয়াল রেজিস্টেন্স’ রোধে প্রাণিসম্পদ বিভাগের মতবিনিময় সভা ঠাকুরগাঁওয়ের হবি গরুর খামার করে এখন চিজ ফ্যাক্টরীর মালিক পীরগঞ্জে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কর্মশালা পীরগঞ্জে নাশকতা চেষ্টার অভিযোগে ২ জন আটক ‘এন্টি মাইক্রোবিয়াল রেজিষ্টেন্স’ রোধে প্রানিসম্পদ বিভাগের ষ্টেক-হোল্ডারদের মত-বিনিময় সভা আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত

জুলাই সনদের ৫ম দফা সংশোধনের প্রস্তাব সালাহউদ্দিন আহমদের

জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ এর পঞ্চম দফা সংশোধনের প্রস্তাব জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ।

ফেসবুক পোস্টে সালাহউদ্দিন আহমদ লিখেছেন, জুলাই জাতীয় সনদের ৫নং দফা নিম্নলিখিতভাবে সংশোধিত হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি। কারণ, ছাত্র গণঅভ‍্যুত্থান ২০২৪ এ আওয়ামী লীগ ফ্যাসিস্ট বাহিনী এবং তাদের অনুগত কতিপয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিরীহ নিরস্ত্র আন্দোলনকারী ছাত্র জনতার উপর হানাদার বাহিনীর মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে নির্বিচারে গণহত্যা চালায়। তবে জনগণের প্রতিরোধের মুখে হানাদার বাহিনীর কিছু লোকও প্রাণ হারায় (তারা গাদ্দার, বিশ্বাস ঘাতক)। জনতার আদালতে তাদের বিচার হয়ে গেছে। সুতরাং যৌক্তিক কারণে তাদের বিচার গণঅভ্যুত্থানের যুদ্ধের ময়দানে সম্পন্ন হয়ে গেছে।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর

জুলাই সনদের ৫ম দফা সংশোধনের প্রস্তাব সালাহউদ্দিন আহমদের

আপডেট টাইম ০৩:৪৭:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ এর পঞ্চম দফা সংশোধনের প্রস্তাব জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ।

ফেসবুক পোস্টে সালাহউদ্দিন আহমদ লিখেছেন, জুলাই জাতীয় সনদের ৫নং দফা নিম্নলিখিতভাবে সংশোধিত হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি। কারণ, ছাত্র গণঅভ‍্যুত্থান ২০২৪ এ আওয়ামী লীগ ফ্যাসিস্ট বাহিনী এবং তাদের অনুগত কতিপয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিরীহ নিরস্ত্র আন্দোলনকারী ছাত্র জনতার উপর হানাদার বাহিনীর মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে নির্বিচারে গণহত্যা চালায়। তবে জনগণের প্রতিরোধের মুখে হানাদার বাহিনীর কিছু লোকও প্রাণ হারায় (তারা গাদ্দার, বিশ্বাস ঘাতক)। জনতার আদালতে তাদের বিচার হয়ে গেছে। সুতরাং যৌক্তিক কারণে তাদের বিচার গণঅভ্যুত্থানের যুদ্ধের ময়দানে সম্পন্ন হয়ে গেছে।