সংবাদ শিরোনাম
আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত প্রাণিসম্পদ বিভাগের দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ফ্রি ভ্যাকসিনেশন ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত: ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলের অন্ত:স্কুল শিখন ও গনিত উৎসব-২৬ অনুষ্ঠিত “আমিষেই শক্তি, আমিষেই মুক্তি” প্রতিপাদ্য নিয়ে পীরগঞ্জে   প্রানিসম্পদের ফ্রি-মেডিকেল ক্যাম্প ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শরিয়াহভিত্তিক ইসলামিক রাষ্ট্র নয়, বাংলাদেশের মানুষ উদারপন্থি রাজনীতি করতে চায়-ঠাকুরগাঁও বিএনপি’র বর্ধিত সভায় মির্জা ফখরুল ব্র্যাক’র স্বপ্নসারথী দলের কিশোরীদের মাঝে শিক্ষা সহায়তা প্রদান সম্পন্ন রংপুর বিভাগীয় পরিচালকের পীরগঞ্জ প্রানিসম্পদ দপ্তরের সম্প্রসারন কার্যক্রম পরিদর্শন পীরগঞ্জ পেৌরসভার ৫২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা পীরগঞ্জে বৃক্ষরােপন কর্মসূচীর উদ্বোধন পীরগঞ্জে স্বপ্ন-সারথিদের মাঝে গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান

ঠাকুরগাঁও সদরে ৭ শ ৬৬ জন প্রতিবন্ধীসহ ২ হাজার ৩২ পরিবার পেলো ত্রাণ সামগ্রী

আজম রেহমান,ঠাকুরগাঁও:: ৭ শ’ ৬৬ জন প্রতিবন্ধীসহ ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসন ও সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২ হাজার ৩২ টি পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। শনিবার সকালে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহরের পাবলিক ক্লাব ও সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সদর উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে এ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং ক্ষেত্র বিশেষে বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
সমাজ সেবা অধিদপ্তরের কার্ডধারী বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষের মাঝে বিভিন্ন ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময় ৭ শ ৬৬ জন কার্ডধারী (প্রতিবন্ধী)’র মাঝে ত্রাণের বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ডঃ কেএম কামরুজ্জামান সেলিম। অপরদিকে সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জগন্নাথপুর, বেগুনবাড়ি, নারগুন ও মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন। এ সময় প্রত্যেক ইউনিয়নের ১শ জন করে দিনমজুর, দু:স্থ, ভিক্ষুক তথা কর্মহীন পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। তিনি জানান, সব মিলিয়ে সদর উপজেল প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই দিন ১ হাজার ২৬৬ টি পরিবারের মাঝে ত্রাণের খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক ডঃ কেএম কামরুজ্জামান সেলিম বলেন, এই ত্রাণ যাতে করোনা পরিস্থিতিতে প্রতিটি কর্মহীন পরিবারের কাছে পৌঁছে সে ব্যাপারে জেলা প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে। একই সাথে ব্যক্তি , সামাজিক সংগঠন ও বেসরকারি সংস্থা থেকে যে ত্রাণ দেয়া হচ্ছে সে ব্যাপারে উৎসাহিত করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, উপকারভোগীদের তালিকা যেন জেলা প্রশাসনকে দেয়া হয় যাতে একই পরিবার একাধিক মাধ্যমে থেকে তথ্য গোপন করে সহযোগীতা না নিতে পারে এবং প্রত্যেকটি পরিবারের কাছে ত্রাণ পৌঁছোয়।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত

ঠাকুরগাঁও সদরে ৭ শ ৬৬ জন প্রতিবন্ধীসহ ২ হাজার ৩২ পরিবার পেলো ত্রাণ সামগ্রী

আপডেট টাইম ০৩:৩৮:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২০

আজম রেহমান,ঠাকুরগাঁও:: ৭ শ’ ৬৬ জন প্রতিবন্ধীসহ ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসন ও সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২ হাজার ৩২ টি পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। শনিবার সকালে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহরের পাবলিক ক্লাব ও সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সদর উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে এ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং ক্ষেত্র বিশেষে বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
সমাজ সেবা অধিদপ্তরের কার্ডধারী বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষের মাঝে বিভিন্ন ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময় ৭ শ ৬৬ জন কার্ডধারী (প্রতিবন্ধী)’র মাঝে ত্রাণের বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ডঃ কেএম কামরুজ্জামান সেলিম। অপরদিকে সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জগন্নাথপুর, বেগুনবাড়ি, নারগুন ও মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন। এ সময় প্রত্যেক ইউনিয়নের ১শ জন করে দিনমজুর, দু:স্থ, ভিক্ষুক তথা কর্মহীন পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। তিনি জানান, সব মিলিয়ে সদর উপজেল প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই দিন ১ হাজার ২৬৬ টি পরিবারের মাঝে ত্রাণের খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক ডঃ কেএম কামরুজ্জামান সেলিম বলেন, এই ত্রাণ যাতে করোনা পরিস্থিতিতে প্রতিটি কর্মহীন পরিবারের কাছে পৌঁছে সে ব্যাপারে জেলা প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে। একই সাথে ব্যক্তি , সামাজিক সংগঠন ও বেসরকারি সংস্থা থেকে যে ত্রাণ দেয়া হচ্ছে সে ব্যাপারে উৎসাহিত করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, উপকারভোগীদের তালিকা যেন জেলা প্রশাসনকে দেয়া হয় যাতে একই পরিবার একাধিক মাধ্যমে থেকে তথ্য গোপন করে সহযোগীতা না নিতে পারে এবং প্রত্যেকটি পরিবারের কাছে ত্রাণ পৌঁছোয়।