সংবাদ শিরোনাম
আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত প্রাণিসম্পদ বিভাগের দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ফ্রি ভ্যাকসিনেশন ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত: ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলের অন্ত:স্কুল শিখন ও গনিত উৎসব-২৬ অনুষ্ঠিত “আমিষেই শক্তি, আমিষেই মুক্তি” প্রতিপাদ্য নিয়ে পীরগঞ্জে   প্রানিসম্পদের ফ্রি-মেডিকেল ক্যাম্প ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শরিয়াহভিত্তিক ইসলামিক রাষ্ট্র নয়, বাংলাদেশের মানুষ উদারপন্থি রাজনীতি করতে চায়-ঠাকুরগাঁও বিএনপি’র বর্ধিত সভায় মির্জা ফখরুল ব্র্যাক’র স্বপ্নসারথী দলের কিশোরীদের মাঝে শিক্ষা সহায়তা প্রদান সম্পন্ন রংপুর বিভাগীয় পরিচালকের পীরগঞ্জ প্রানিসম্পদ দপ্তরের সম্প্রসারন কার্যক্রম পরিদর্শন পীরগঞ্জ পেৌরসভার ৫২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা পীরগঞ্জে বৃক্ষরােপন কর্মসূচীর উদ্বোধন পীরগঞ্জে স্বপ্ন-সারথিদের মাঝে গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান

ভাতা নিতে এসে ৪’শতাধিক দরিদ্র মা পেলেন সামান্য কিছু ত্রাণ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ভাতা পাবেন এই আশায় কাঠ ফাটাঁ রোদে অনেক পথ পাড়ি দিয়ে সদর উপজেলার ২১টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসা ৪’শতাধিক দরিদ্র মা পেলেন সামান্য কিছু ত্রাণ, তারা এসে এ ব্যাপারে অভিযোগ করেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের বিরুদ্ধে। তাদের অভিযোগ ভাতা দেয়ার নাম করে তাদের এনে এই সামান্য ত্রাণ দেয়া হয়। একই সাথে এই ত্রাণ বিতরণে সামাজিক দূরত্ব না মেনে বিপদগ্রস্থ করা হয়েছে এই মা’দের ।
রোববার (৩ এপ্রিল) সালন্দর কমরুল হুদা চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এমনই বিড়ম্বনায় পড়েছেন তারা।
সদর উপজেলার কালিগাঁও গ্রামের সীতা রাণী মাতৃত্বকালীন ভাতা নিতে এসে প্রায় ৩ ঘন্টা পর  ভাতার বদলে পেলেন যৎ সামান্য চাল-আলু ও গুড়ো দুধ। লকডাউনের ভেতরে ৪শ  ভাড়ায়  অটো রিক্সা রিজার্ভ করে এসে জুটলো পাঁচ কেজি চাল, ১ কেজি আলু ও কিছু গুড়ো দুধ। যা তার পথ খরচও উঠেনি। তিনি জানান মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রাতে ফোন দিয়ে তাকে আসতে বলেছিলেন সকাল সাড়ে ৯টায়।
শুধু সীতারাণী নয় তার মত সুমাইয়া, এলিজাসহ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ২১টি ইউনিয়নের ৪৪০ জন দরিদ্র মা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার ফোনে ছুটে এসেছিলেন তারা। ভাতা ভোগী এলিজার অভিযোগ সকাল সাড়ে ৯টা থেকে অপেক্ষার পর বেলা ১২টায় ভাতার বদলে  মিললো যৎ সামান্য ত্রান। আখানগর ইউনিয়নের দলুয়া গ্রামের জোৎ¯œা রাণী বলেন  আগে জানিলে এতলা টাকা ( সাড়ে ৩’শ টাকা ) খরচ করে এই সামান্য রিলিফ নিতে আসতাম না। তার মত একই আক্ষেপ করেন অনেকে ।
বেগুন বাড়ী থেকে আসা শুনিল শর্মা জানান এখানে সামাজিক দুরত্ব না মেনে যে ভাবে একত্রিত হয়ে জটলা করে ছিল তাতে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ তো দুূরের কথা এতে উল্টোটা ঘটবে বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মকর্তা নিহারঞ্জন কুমার রায় বলেন আমার বলার কিছুই নেই, কর্তৃপক্ষের আদেশ পালন করেছি।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত

ভাতা নিতে এসে ৪’শতাধিক দরিদ্র মা পেলেন সামান্য কিছু ত্রাণ

আপডেট টাইম ০৩:০৬:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২০

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ভাতা পাবেন এই আশায় কাঠ ফাটাঁ রোদে অনেক পথ পাড়ি দিয়ে সদর উপজেলার ২১টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসা ৪’শতাধিক দরিদ্র মা পেলেন সামান্য কিছু ত্রাণ, তারা এসে এ ব্যাপারে অভিযোগ করেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের বিরুদ্ধে। তাদের অভিযোগ ভাতা দেয়ার নাম করে তাদের এনে এই সামান্য ত্রাণ দেয়া হয়। একই সাথে এই ত্রাণ বিতরণে সামাজিক দূরত্ব না মেনে বিপদগ্রস্থ করা হয়েছে এই মা’দের ।
রোববার (৩ এপ্রিল) সালন্দর কমরুল হুদা চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এমনই বিড়ম্বনায় পড়েছেন তারা।
সদর উপজেলার কালিগাঁও গ্রামের সীতা রাণী মাতৃত্বকালীন ভাতা নিতে এসে প্রায় ৩ ঘন্টা পর  ভাতার বদলে পেলেন যৎ সামান্য চাল-আলু ও গুড়ো দুধ। লকডাউনের ভেতরে ৪শ  ভাড়ায়  অটো রিক্সা রিজার্ভ করে এসে জুটলো পাঁচ কেজি চাল, ১ কেজি আলু ও কিছু গুড়ো দুধ। যা তার পথ খরচও উঠেনি। তিনি জানান মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রাতে ফোন দিয়ে তাকে আসতে বলেছিলেন সকাল সাড়ে ৯টায়।
শুধু সীতারাণী নয় তার মত সুমাইয়া, এলিজাসহ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ২১টি ইউনিয়নের ৪৪০ জন দরিদ্র মা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার ফোনে ছুটে এসেছিলেন তারা। ভাতা ভোগী এলিজার অভিযোগ সকাল সাড়ে ৯টা থেকে অপেক্ষার পর বেলা ১২টায় ভাতার বদলে  মিললো যৎ সামান্য ত্রান। আখানগর ইউনিয়নের দলুয়া গ্রামের জোৎ¯œা রাণী বলেন  আগে জানিলে এতলা টাকা ( সাড়ে ৩’শ টাকা ) খরচ করে এই সামান্য রিলিফ নিতে আসতাম না। তার মত একই আক্ষেপ করেন অনেকে ।
বেগুন বাড়ী থেকে আসা শুনিল শর্মা জানান এখানে সামাজিক দুরত্ব না মেনে যে ভাবে একত্রিত হয়ে জটলা করে ছিল তাতে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ তো দুূরের কথা এতে উল্টোটা ঘটবে বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মকর্তা নিহারঞ্জন কুমার রায় বলেন আমার বলার কিছুই নেই, কর্তৃপক্ষের আদেশ পালন করেছি।