সংবাদ শিরোনাম
আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত প্রাণিসম্পদ বিভাগের দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ফ্রি ভ্যাকসিনেশন ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত: ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলের অন্ত:স্কুল শিখন ও গনিত উৎসব-২৬ অনুষ্ঠিত “আমিষেই শক্তি, আমিষেই মুক্তি” প্রতিপাদ্য নিয়ে পীরগঞ্জে   প্রানিসম্পদের ফ্রি-মেডিকেল ক্যাম্প ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শরিয়াহভিত্তিক ইসলামিক রাষ্ট্র নয়, বাংলাদেশের মানুষ উদারপন্থি রাজনীতি করতে চায়-ঠাকুরগাঁও বিএনপি’র বর্ধিত সভায় মির্জা ফখরুল ব্র্যাক’র স্বপ্নসারথী দলের কিশোরীদের মাঝে শিক্ষা সহায়তা প্রদান সম্পন্ন রংপুর বিভাগীয় পরিচালকের পীরগঞ্জ প্রানিসম্পদ দপ্তরের সম্প্রসারন কার্যক্রম পরিদর্শন পীরগঞ্জ পেৌরসভার ৫২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা পীরগঞ্জে বৃক্ষরােপন কর্মসূচীর উদ্বোধন পীরগঞ্জে স্বপ্ন-সারথিদের মাঝে গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান

কাদেরের প্রতারণার ফাঁদে অর্থ হাড়িয়ে দিশেহারা অনেকেই

হাসিবুর রহমান স্বপন, ঠাকুরগাঁও থেকে: কাদেরের প্রতারণার ফাঁদে অর্থ হাড়িয়ে দিশেহারা অনেকেই। তার কাছে ব্যাংক কর্মকর্তা থেকে শুরু করে বিকাশ এজেন্ট এমনকি অনেক দোকানদারো প্রতারিত হয়েছে। এদের মধ্যে অনেকের ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার উপক্রম হয়েছে । অনেককে আবার এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ঋণের ঘানি টানতে হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে আইনী প্রতিকার চেয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানাই অভিযোগ এমনকি ঠাকুরগাঁও সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী আদালতে এন আই এ্যক্টের মামলা পর্যন্ত চলমান রয়েছে। তার পুরো নাম গোলাম কাদের । সে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানোর কাচকালী গ্রামের আব্দুর রহমান মাষ্টারের ছেলে । তিনি ব্যবসার সুবাদে র্দীঘ দিন ধরে জেলা শহরের হাজীপাড়াই বসবাস করতেন । সেই সুবাদেই শহরের অনেকের সাথে সখ্যতা গড়ে উঠে কাদেরের। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অনেকের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নেন। বিষয়টি জানাজানি হয় কাদের আত্ব গোপনে চলেগেলে।
শহরের শহিদুল ইসলাম নামে এক বিকাশ ব্যবসায়ী বলেন, সে দীর্ঘ দিন ধরে আমার দোকানে লেনদেন করার সুবাদে মাঝে মাঝে বাকি ফেলতো আবার দিয়েও দিতো হুজুর মানুষ মনে করে তাকে বিশ^াস করতাম । সে কৌশলে আমার দোকানে প্রায় ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বাকি রেখে গাঁ ঢাকা দিয়েছে। তাকে খোঁজার জন্য তার গ্রামের বাড়ি পর্যন্ত গেছি তার বাড়ির লোকজন আমার সাথে দূর্ব্যবহার করেছে। আমি এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে কোন মত ব্যবসা করছি বর্তমানে আমার ব্যবসা বন্ধ হওয়ার মত সংসার চালাতে পারছিনা।
তাজুল ইসলাম নামে এক বিকাশ দোকানদার বলেন, সে আমার কাছে বিকাশে লেনদেন করতো ৫০ হাজার আজকে নিলে কালকে দিয়ে দিতো। দেখি কয়েকদিন নাই আবার হঠাৎ করে আসে বলতো ভাই আমি বিপদে পড়ছি আমার লেনদেনটা চালু করে দেন এরকম করে সে ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা আমার কাছে নিয়ে চলেগেছে । আর আসেনি । আমি তাকে অনেক খোঁজা খুজি করেছি তাকে পাইনি । বাধ্য হয়ে আমি তার বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁও সদর থানাই অভিযোগ এমনকি আদালতে মামলা করেছি।
আপনি তার ফাঁদে কিভাবে পা দিলেন জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভুক্তভোগী ব্যাংক কর্মকর্তা বলেন, সে হুজুর মানুষ তার মিষ্টি কথায় বিপদে পড়ার কারণে তাকে সহযোগীতা করেছিলাম।
তবে তার গ্রামের অনেকেই বলেন, কাদের এরকম করার কথা না ব্যবসায় লোকশান হওয়ার কারণে হয়তোবা এরকম হয়েছে।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত

কাদেরের প্রতারণার ফাঁদে অর্থ হাড়িয়ে দিশেহারা অনেকেই

আপডেট টাইম ০১:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ নভেম্বর ২০২৪

হাসিবুর রহমান স্বপন, ঠাকুরগাঁও থেকে: কাদেরের প্রতারণার ফাঁদে অর্থ হাড়িয়ে দিশেহারা অনেকেই। তার কাছে ব্যাংক কর্মকর্তা থেকে শুরু করে বিকাশ এজেন্ট এমনকি অনেক দোকানদারো প্রতারিত হয়েছে। এদের মধ্যে অনেকের ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার উপক্রম হয়েছে । অনেককে আবার এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ঋণের ঘানি টানতে হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে আইনী প্রতিকার চেয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানাই অভিযোগ এমনকি ঠাকুরগাঁও সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী আদালতে এন আই এ্যক্টের মামলা পর্যন্ত চলমান রয়েছে। তার পুরো নাম গোলাম কাদের । সে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানোর কাচকালী গ্রামের আব্দুর রহমান মাষ্টারের ছেলে । তিনি ব্যবসার সুবাদে র্দীঘ দিন ধরে জেলা শহরের হাজীপাড়াই বসবাস করতেন । সেই সুবাদেই শহরের অনেকের সাথে সখ্যতা গড়ে উঠে কাদেরের। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অনেকের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নেন। বিষয়টি জানাজানি হয় কাদের আত্ব গোপনে চলেগেলে।
শহরের শহিদুল ইসলাম নামে এক বিকাশ ব্যবসায়ী বলেন, সে দীর্ঘ দিন ধরে আমার দোকানে লেনদেন করার সুবাদে মাঝে মাঝে বাকি ফেলতো আবার দিয়েও দিতো হুজুর মানুষ মনে করে তাকে বিশ^াস করতাম । সে কৌশলে আমার দোকানে প্রায় ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বাকি রেখে গাঁ ঢাকা দিয়েছে। তাকে খোঁজার জন্য তার গ্রামের বাড়ি পর্যন্ত গেছি তার বাড়ির লোকজন আমার সাথে দূর্ব্যবহার করেছে। আমি এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে কোন মত ব্যবসা করছি বর্তমানে আমার ব্যবসা বন্ধ হওয়ার মত সংসার চালাতে পারছিনা।
তাজুল ইসলাম নামে এক বিকাশ দোকানদার বলেন, সে আমার কাছে বিকাশে লেনদেন করতো ৫০ হাজার আজকে নিলে কালকে দিয়ে দিতো। দেখি কয়েকদিন নাই আবার হঠাৎ করে আসে বলতো ভাই আমি বিপদে পড়ছি আমার লেনদেনটা চালু করে দেন এরকম করে সে ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা আমার কাছে নিয়ে চলেগেছে । আর আসেনি । আমি তাকে অনেক খোঁজা খুজি করেছি তাকে পাইনি । বাধ্য হয়ে আমি তার বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁও সদর থানাই অভিযোগ এমনকি আদালতে মামলা করেছি।
আপনি তার ফাঁদে কিভাবে পা দিলেন জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভুক্তভোগী ব্যাংক কর্মকর্তা বলেন, সে হুজুর মানুষ তার মিষ্টি কথায় বিপদে পড়ার কারণে তাকে সহযোগীতা করেছিলাম।
তবে তার গ্রামের অনেকেই বলেন, কাদের এরকম করার কথা না ব্যবসায় লোকশান হওয়ার কারণে হয়তোবা এরকম হয়েছে।