ঢাকা ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির অর্ধ-কোটি টাকাসহ আটক,এলাকায় চাঞ্চল্য ঠাকুরগাঁয়ে হ্যাঁ ভোটের প্রচারনায় শ্রম উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার এম শাখাওয়াত স্বাস্থ্য বিভাগের বিধি-বহির্ভূত আদেশে ক্ষোভ, ঠাকুরগাঁওয়ে ডাক্তারের বদলীর বিতর্কিত আদেশ বাতিলের দাবীতে মানববন্ধন,স্বারকলিপি পীরগঞ্জে সরকারি স্কুল শিক্ষকদের গণভোট সম্পর্কে অবহিতকরণ স্বাস্থ্য পরিচালকের শেষ কর্মদিবসেও বদলী বানিজ্য- প্রশাসনে দুর্নিতীর রেকর্ড ভঙ্গ দেশের পরিস্থিতি নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন, সরকার অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে ব্যার্থ হয়েছে-বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হেভিওয়েট প্রার্থীদের মনোনয়ন বাদ পড়ায় হতাশ জামায়াত, আপিলে ভরসা ২৩ বছর পর ঠাকুরগাঁও সফরে আসছেন তারেক রহমান কাউন্সিলর বাপ্পির নির্দেশে হত্যা করা হয় ওসমান হাদিকে : ডিবি রেজাউল সভাপতি, রিপন সম্পাদক, সামাদ সাংগাঠনিক, ঠাকুরগাঁওজার্নালিষ্ট ক্লাব’র পূর্নাঙ্গ কিমিট গঠন

বদলি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য বড় দুসংবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক:: হঠাৎ করেই প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি নিয়ে দুসংবাদ দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়মিত বদলি বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ফলে একই বিদ্যালয়ে দীর্ঘ সময় থাকার সুযোগ আর পাবেন না সহকারী ও প্রধান শিক্ষকরা। এ সংক্রান্ত প্রস্তাবনা তৈরির জন্য ইতোমধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) মহাপরিচালককে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের তিন অথবা পাঁচ বছর পর বাধ্যতামূলক বদলি করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সম্প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম-আল হোসেনের সভাপত্বিতে ভার্চুয়াল এক সভায় এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবনা ডিপিই থেকে তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে।

তবে শিক্ষকদের যেন ভোগান্তি না হয় সে কারণে কাছাকাছি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বদলি করার ব্যবস্থা রাখার কথা বলা হয় সভায়। সরকারি চাকরিজীবীদের তিন বছর পরপর বদলি করার নিয়ম থাকলেও প্রাথমিক শিক্ষকদের বেলায় তা করা হয় না। এর আগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা চাইলে এক বিদ্যালয়ে থেকেই চাকরির মেয়াদ শেষ করতে পারতেন।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল হোসেন বলেন, একই বিদ্যালয়ে জীবনভর থেকে ক্লাসের প্রতি শিক্ষকরা অমনোযোগী হয়ে ওঠেন। এ কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের চাকরি বদলিযোগ্য করা হবে। তাদের তিন অথবা পাঁচ বছর পরপর এক স্কুল থেকে আরেক স্কুলে বদলি করা হবে।

তিনি বলেন, প্রতিবছর শিক্ষকদের বদলি নিয়ে বড় ধরনের জটিলতা ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায়। এসব বন্ধ করতে বদলি বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এটি কার্যকর হলে শিক্ষক বদলিতে আর উপচে পড়া ভিড় তৈরি হবে না।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকের শিক্ষক বদলি নিয়ে প্রায়ই দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়। প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি ও মার্চে বদলির সুযোগ দেয়া হলে তখন এজন্য তদবির শুরু হয়। বিগত বছরগুলোতে শিক্ষক বদলিতে দুর্নীতির অভিযোগও ওঠে। এই দুর্নীতি দূর করতে শিক্ষক বদলির কার্যক্রম অনলাইনে করার উদ্যোগ নেয় মন্ত্রণালয়। কিন্তু এখনো তা চালু করা সম্ভব হয়নি।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির অর্ধ-কোটি টাকাসহ আটক,এলাকায় চাঞ্চল্য

বদলি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য বড় দুসংবাদ

আপডেট টাইম ১২:৪৮:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২০
নিজস্ব প্রতিবেদক:: হঠাৎ করেই প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি নিয়ে দুসংবাদ দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়মিত বদলি বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ফলে একই বিদ্যালয়ে দীর্ঘ সময় থাকার সুযোগ আর পাবেন না সহকারী ও প্রধান শিক্ষকরা। এ সংক্রান্ত প্রস্তাবনা তৈরির জন্য ইতোমধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) মহাপরিচালককে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের তিন অথবা পাঁচ বছর পর বাধ্যতামূলক বদলি করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সম্প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম-আল হোসেনের সভাপত্বিতে ভার্চুয়াল এক সভায় এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবনা ডিপিই থেকে তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে।

তবে শিক্ষকদের যেন ভোগান্তি না হয় সে কারণে কাছাকাছি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বদলি করার ব্যবস্থা রাখার কথা বলা হয় সভায়। সরকারি চাকরিজীবীদের তিন বছর পরপর বদলি করার নিয়ম থাকলেও প্রাথমিক শিক্ষকদের বেলায় তা করা হয় না। এর আগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা চাইলে এক বিদ্যালয়ে থেকেই চাকরির মেয়াদ শেষ করতে পারতেন।

এ বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল হোসেন বলেন, একই বিদ্যালয়ে জীবনভর থেকে ক্লাসের প্রতি শিক্ষকরা অমনোযোগী হয়ে ওঠেন। এ কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের চাকরি বদলিযোগ্য করা হবে। তাদের তিন অথবা পাঁচ বছর পরপর এক স্কুল থেকে আরেক স্কুলে বদলি করা হবে।

তিনি বলেন, প্রতিবছর শিক্ষকদের বদলি নিয়ে বড় ধরনের জটিলতা ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায়। এসব বন্ধ করতে বদলি বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এটি কার্যকর হলে শিক্ষক বদলিতে আর উপচে পড়া ভিড় তৈরি হবে না।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকের শিক্ষক বদলি নিয়ে প্রায়ই দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়। প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি ও মার্চে বদলির সুযোগ দেয়া হলে তখন এজন্য তদবির শুরু হয়। বিগত বছরগুলোতে শিক্ষক বদলিতে দুর্নীতির অভিযোগও ওঠে। এই দুর্নীতি দূর করতে শিক্ষক বদলির কার্যক্রম অনলাইনে করার উদ্যোগ নেয় মন্ত্রণালয়। কিন্তু এখনো তা চালু করা সম্ভব হয়নি।