সংবাদ শিরোনাম
আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত প্রাণিসম্পদ বিভাগের দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ফ্রি ভ্যাকসিনেশন ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত: ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলের অন্ত:স্কুল শিখন ও গনিত উৎসব-২৬ অনুষ্ঠিত “আমিষেই শক্তি, আমিষেই মুক্তি” প্রতিপাদ্য নিয়ে পীরগঞ্জে   প্রানিসম্পদের ফ্রি-মেডিকেল ক্যাম্প ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শরিয়াহভিত্তিক ইসলামিক রাষ্ট্র নয়, বাংলাদেশের মানুষ উদারপন্থি রাজনীতি করতে চায়-ঠাকুরগাঁও বিএনপি’র বর্ধিত সভায় মির্জা ফখরুল ব্র্যাক’র স্বপ্নসারথী দলের কিশোরীদের মাঝে শিক্ষা সহায়তা প্রদান সম্পন্ন রংপুর বিভাগীয় পরিচালকের পীরগঞ্জ প্রানিসম্পদ দপ্তরের সম্প্রসারন কার্যক্রম পরিদর্শন পীরগঞ্জ পেৌরসভার ৫২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা পীরগঞ্জে বৃক্ষরােপন কর্মসূচীর উদ্বোধন পীরগঞ্জে স্বপ্ন-সারথিদের মাঝে গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান

তদন্ত কমিটির কাছে মামুনকে দায়ী করেছেন এডিসি হারুন-সানজিদা

অনলাইন ::ছাত্রলীগের নেতাদের পেটানোর ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত হাওয়া এডিসি হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। 

ঘটনা তদন্তে ডিএমপির গঠিত ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি আরও পাঁচ দিন সময় চেয়ে আবেদন করেছে। এ আবেদনের পর আরও পাঁচ কর্ম দিবস সময় বাড়ানো হয়েছে।

ইতোমধ্যে কমিটি এডিসি হারুন-অর-রশীদ, এডিসি সানজিদা আফরিন, পরিদর্শক মো. গোলাম মোস্তফা, ঘটনার মূল ভুক্তভোগী ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন নাঈম, আরেক আহত ছাত্রলীগের বিজ্ঞানবিষয়ক সম্পাদক শরীফ আহমেদ মুনিমসহ অন্তত ১০ জনের বক্তব্য নিয়েছে।

এডিসি সানজিদা আফরিনের স্বামী রাষ্ট্রপতির এপিএস আজিজুল হক খান মামুনকে চিঠি দিয়ে বক্তব্য নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তদন্ত সূত্র জানায়, এডিসি হারুন ও সানজিদা তদন্ত কমিটির কাছে এ ঘটনার মূল দায় দিয়েছেন এপিএস মামুনের ওপর। অন্যদিকে ঘটনার ভুক্তভোগীরা পুলিশের কমিটির কাছে ঘটনার আদ্যোপান্ত ও নির্যাতনের বর্ণনা তুলে ধরেছেন।

কমিটি নাঈম ও মুনিমের বাইরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও দুই ছাত্রের এ ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার তথ্য পেয়েছে। তদন্ত কমিটি তাদেরও বক্তব্য গ্রহণ করবে। অপরাধের মাত্রা নিরূপণ করে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করবে তারা।

এখন পর্যন্ত যেসব সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে তার মধ্যে এডিসি হারুন ও পরিদর্শক মোস্তফার সেদিন সবচেয়ে আগ্রাসী ভূমিকায় থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে আহত ছাত্রলীগের নেতাদের পক্ষ থেকে হামলায় ১০-১৫ জনের অংশগ্রহণের কথা বলা হলেও তদন্তে এখন পর্যন্ত ৮-১০ জনের নাম পাওয়া গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তদন্ত কমিটির এক সদস্য  বলেন, ‘অত্যন্ত নির্মোহভাবে এ ঘটনার তদন্ত চলছে। সেদিন যা ঘটেছিল, তদন্তে তাই উঠে আসবে।’

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যাকে ঘিরে ঘটনার সূত্রপাত, সেই নারী এডিসি সানজিদার বিভিন্ন বিষয়ে তদন্ত হচ্ছে। সর্বশেষ হারুনের সঙ্গে বিশেষ সম্পর্কে জড়ান বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি বেশ কয়েক মাস ধরে তার স্বামী ও রাষ্ট্রপতির এপিএস আজিজুল গোপনে নজরদারি করছিলেন।

ঘটনার পর ডিএমপি সদর দপ্তরে কর্মরত এডিসি সানজিদা অন্তরালে থাকলেও মঙ্গলবার মুখ খুলেছেন গণমাধ্যমে। তার দাবি, স্বামী মামুনই প্রথম এডিসি হারুনের গায়ে হাত তোলেন।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত

তদন্ত কমিটির কাছে মামুনকে দায়ী করেছেন এডিসি হারুন-সানজিদা

আপডেট টাইম ০৮:১৪:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩

অনলাইন ::ছাত্রলীগের নেতাদের পেটানোর ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত হাওয়া এডিসি হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। 

ঘটনা তদন্তে ডিএমপির গঠিত ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি আরও পাঁচ দিন সময় চেয়ে আবেদন করেছে। এ আবেদনের পর আরও পাঁচ কর্ম দিবস সময় বাড়ানো হয়েছে।

ইতোমধ্যে কমিটি এডিসি হারুন-অর-রশীদ, এডিসি সানজিদা আফরিন, পরিদর্শক মো. গোলাম মোস্তফা, ঘটনার মূল ভুক্তভোগী ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন নাঈম, আরেক আহত ছাত্রলীগের বিজ্ঞানবিষয়ক সম্পাদক শরীফ আহমেদ মুনিমসহ অন্তত ১০ জনের বক্তব্য নিয়েছে।

এডিসি সানজিদা আফরিনের স্বামী রাষ্ট্রপতির এপিএস আজিজুল হক খান মামুনকে চিঠি দিয়ে বক্তব্য নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তদন্ত সূত্র জানায়, এডিসি হারুন ও সানজিদা তদন্ত কমিটির কাছে এ ঘটনার মূল দায় দিয়েছেন এপিএস মামুনের ওপর। অন্যদিকে ঘটনার ভুক্তভোগীরা পুলিশের কমিটির কাছে ঘটনার আদ্যোপান্ত ও নির্যাতনের বর্ণনা তুলে ধরেছেন।

কমিটি নাঈম ও মুনিমের বাইরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও দুই ছাত্রের এ ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার তথ্য পেয়েছে। তদন্ত কমিটি তাদেরও বক্তব্য গ্রহণ করবে। অপরাধের মাত্রা নিরূপণ করে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করবে তারা।

এখন পর্যন্ত যেসব সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে তার মধ্যে এডিসি হারুন ও পরিদর্শক মোস্তফার সেদিন সবচেয়ে আগ্রাসী ভূমিকায় থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে আহত ছাত্রলীগের নেতাদের পক্ষ থেকে হামলায় ১০-১৫ জনের অংশগ্রহণের কথা বলা হলেও তদন্তে এখন পর্যন্ত ৮-১০ জনের নাম পাওয়া গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তদন্ত কমিটির এক সদস্য  বলেন, ‘অত্যন্ত নির্মোহভাবে এ ঘটনার তদন্ত চলছে। সেদিন যা ঘটেছিল, তদন্তে তাই উঠে আসবে।’

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যাকে ঘিরে ঘটনার সূত্রপাত, সেই নারী এডিসি সানজিদার বিভিন্ন বিষয়ে তদন্ত হচ্ছে। সর্বশেষ হারুনের সঙ্গে বিশেষ সম্পর্কে জড়ান বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি বেশ কয়েক মাস ধরে তার স্বামী ও রাষ্ট্রপতির এপিএস আজিজুল গোপনে নজরদারি করছিলেন।

ঘটনার পর ডিএমপি সদর দপ্তরে কর্মরত এডিসি সানজিদা অন্তরালে থাকলেও মঙ্গলবার মুখ খুলেছেন গণমাধ্যমে। তার দাবি, স্বামী মামুনই প্রথম এডিসি হারুনের গায়ে হাত তোলেন।