সংবাদ শিরোনাম
তারেক রহমানের নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে- মির্জা ফখরুল ঠাকুরগাঁওয়ে দাম্পত্য কলহের জেরে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধুর মৃত্যু, স্বামী পলাতক সাংবাদিকতার চাইতে চ্যালেঞ্জিং পেশা আর নেই-মির্জা ফখরুল পীরগঞ্জ প্রাণিসম্পদ দপ্তরে নির্ধারিত ৫শ৪৬ খামারীর মাঝে পশুখাদ্য ও উপকরণ বিতরণ পীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদে এমপি’র অফিস উদ্বোধন পীরগঞ্জে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে স্থানীয় এমপি;র মত-বিনীময় সভা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলের ১ম ত্রৈ-মাসিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত পীরগঞ্জে সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৩ কিলোমিটার খাল-খনন প্রকল্পের উদ্বোধন পীরগঞ্জে পূর্ব চৌরাস্তা ব্যাবসায়ী সমিতি নির্বাচন-রব্বানী সভাপতি, রাজা সম্পাদক পীরগঞ্জে সিসি ক্যামেরার আওতায় নকলমুক্ত পরিবেশে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

ইশতেহার অনুসারে অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত করুন: টিআইবি

অপরাধ ও দুর্নীতি::হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণ ও নির্বাচনি ইশতেহারের আলোকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সদস্যদের কারও অবৈধ আয় ও সম্পদ থাকলে বাজেয়াপ্ত করতে হবে। একইভাবে আইনি সীমার বাইরে জমি থাকলে তা ভূমিহীনদের মধ্যে বিতরণ করা উচিত। দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এক বিবৃতিতে এ কথা বলেছে।

এতে দেখা যাচ্ছে দশম সংসদের তুলনায় একাদশ সংসদের সম্পদ বেড়েছে ৭৫ শতাংশের বেশি। ২০১৮ সালের তুলনায় সর্বশেষ ২০২৪ সালে বৃদ্ধির হারও ৭০ দশমিক ৪১ শতাংশ। আবার বছরে এক কোটি বা তার বেশি টাকা আয় করেন এমন ১১২ জন সংসদ-সদস্য রয়েছেন এবারের সংসদে, যা পুরো সংসদের প্রায় ৩৮ শতাংশ। আর ১০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা আয় করেন ৫২ শতাংশ সংসদ-সদস্য। নতুন এমপিদের ৬৫ শতাংশই ব্যবসায়ী। গত চারটি সংসদের মধ্যে সর্বোচ্চ। নবম জাতীয় সংসদে ৫৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ, দশম জাতীয় সংসদে ৫৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং একাদশ জাতীয় সংসদে ৬১ শতাংশ সংসদ-সদস্যই ছিলেন ব্যবসায়ী। অন্যদিকে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথম সংসদে ব্যবসায়ীর হার ছিল ১৮ শতাংশ।

আবার ভূমি সংস্কার আইন ২০২৩ অনুসারে একজন ব্যক্তির ভূমির মালিকানা সীমা সর্বোচ্চ ১০০ বিঘা। এর মধ্যে কৃষি জমি ৬০ বিঘা এবং অকৃষি জমি ৪০ বিঘা বেঁধে দেওয়া আছে। সীমার বাইরে ১৩ জন এমপির জমি আছে। সম্মিলিতভাবে এই ১৩ জন সংসদ-সদস্যের আইনি সীমার বাইরে বাড়তি জমি রয়েছে ৮০০ একর বা ২ হাজার ৪শ বিঘা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি জমির মালিক, হলফনামায় তার জমির পরিমাণ ৩৮০ দশমিক ৭৫ একর।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘ক্ষমতাসীন দলের ২০২৪ নির্বাচনি ইশতেহারে অবৈধ আয় ও সম্পদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুনির্দিষ্টভাবে অঙ্গীকার রয়েছে। এ অঙ্গীকার অনুসারে এমপিদের সম্পদ আইনি প্রক্রিয়ায় বাজেয়াপ্ত করাসহ দৃষ্টান্তমূলক জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। বিশেষ করে, আইনের বাইরে বাড়তি ৮০০ একরের বেশি জমি সংসদ-সদস্যদের অনেকের মালিকানাধীন রয়েছে। এ জমি বাজেয়াপ্ত করে ভূমিহীনদের মধ্যে বিতরণের আহ্বান জানাই।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

তারেক রহমানের নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে- মির্জা ফখরুল

ইশতেহার অনুসারে অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত করুন: টিআইবি

আপডেট টাইম ০২:২৬:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৪

অপরাধ ও দুর্নীতি::হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণ ও নির্বাচনি ইশতেহারের আলোকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সদস্যদের কারও অবৈধ আয় ও সম্পদ থাকলে বাজেয়াপ্ত করতে হবে। একইভাবে আইনি সীমার বাইরে জমি থাকলে তা ভূমিহীনদের মধ্যে বিতরণ করা উচিত। দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এক বিবৃতিতে এ কথা বলেছে।

এতে দেখা যাচ্ছে দশম সংসদের তুলনায় একাদশ সংসদের সম্পদ বেড়েছে ৭৫ শতাংশের বেশি। ২০১৮ সালের তুলনায় সর্বশেষ ২০২৪ সালে বৃদ্ধির হারও ৭০ দশমিক ৪১ শতাংশ। আবার বছরে এক কোটি বা তার বেশি টাকা আয় করেন এমন ১১২ জন সংসদ-সদস্য রয়েছেন এবারের সংসদে, যা পুরো সংসদের প্রায় ৩৮ শতাংশ। আর ১০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা আয় করেন ৫২ শতাংশ সংসদ-সদস্য। নতুন এমপিদের ৬৫ শতাংশই ব্যবসায়ী। গত চারটি সংসদের মধ্যে সর্বোচ্চ। নবম জাতীয় সংসদে ৫৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ, দশম জাতীয় সংসদে ৫৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং একাদশ জাতীয় সংসদে ৬১ শতাংশ সংসদ-সদস্যই ছিলেন ব্যবসায়ী। অন্যদিকে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথম সংসদে ব্যবসায়ীর হার ছিল ১৮ শতাংশ।

আবার ভূমি সংস্কার আইন ২০২৩ অনুসারে একজন ব্যক্তির ভূমির মালিকানা সীমা সর্বোচ্চ ১০০ বিঘা। এর মধ্যে কৃষি জমি ৬০ বিঘা এবং অকৃষি জমি ৪০ বিঘা বেঁধে দেওয়া আছে। সীমার বাইরে ১৩ জন এমপির জমি আছে। সম্মিলিতভাবে এই ১৩ জন সংসদ-সদস্যের আইনি সীমার বাইরে বাড়তি জমি রয়েছে ৮০০ একর বা ২ হাজার ৪শ বিঘা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি জমির মালিক, হলফনামায় তার জমির পরিমাণ ৩৮০ দশমিক ৭৫ একর।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘ক্ষমতাসীন দলের ২০২৪ নির্বাচনি ইশতেহারে অবৈধ আয় ও সম্পদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুনির্দিষ্টভাবে অঙ্গীকার রয়েছে। এ অঙ্গীকার অনুসারে এমপিদের সম্পদ আইনি প্রক্রিয়ায় বাজেয়াপ্ত করাসহ দৃষ্টান্তমূলক জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। বিশেষ করে, আইনের বাইরে বাড়তি ৮০০ একরের বেশি জমি সংসদ-সদস্যদের অনেকের মালিকানাধীন রয়েছে। এ জমি বাজেয়াপ্ত করে ভূমিহীনদের মধ্যে বিতরণের আহ্বান জানাই।