সংবাদ শিরোনাম
সীমান্তের ১৩ টি পূজা মন্ডবে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেছে ৪২ বিজিবির সদস্যরা পীরগঞ্জে দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ন করতে উপজেলা প্রশাসনের মত-বিনীময় সভা পীরগঞ্জে হিন্দু ধর্মীয় দুর্গা-পূজার জন্য অনুদান বিতরন একটি আদর্শ, একটি স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দেবার ক্ষেত্রে এটি নি:সন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ন মাইলফলক-পরিচালক ইত্তাশাম-উল-হক পীরগঞ্জে ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত চেরকুঘাট সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন চেরকুঘাট সেতুর উদ্বোধন করলেন এমপি জাহিদুর ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলে অন্ত: প্রতিযোগীতা ইংলিশ অলিম্পিয়ার্ড ও বিজ্ঞান উৎসবের উদ্বোধন পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর টিকা দেয়ার কারনে আজ দেশ থেকে গুটি বসন্ত রোগ চিরতরে বিদায় হয়েছে, তেমনি করে গরু ছাগলকেও টিকা দেয়ার বিকল্প নেই-ঠাকুরগাঁওয়ে লাইভষ্টক পরিচালক ডা: আব্দুল হাই সরকার ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নৈতিক শিক্ষা আর নীতি আদর্শ না থাকলে কোনো শিক্ষাই জীবনে কাজে আসবেনা-আল-হাসানাহ পরিচালক মিম

জোড়া তালি দিয়ে চলছে ঠাকুরগাঁও পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট!

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে ঠাকুরগাঁও পলিটেকনিক্যাল ইনস্টটিউিট। শিক্ষক ও আবাসন সংকটে নাকাল কারিগরি শিক্ষার এই প্রতিষ্ঠানটি। আবাসন ব্যবস্থার অভাবে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন শিক্ষক- শিক্ষাথীরা। থাকা-খাওয়ার সমস্যার জন্য প্রতিষ্ঠানটির নারী শিক্ষার্থীদের ভর্র্তির হার দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে । বর্তমানে পড়া-লেখা করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাত্র ১০ শতাংশ ছাত্রী।

প্রতিষ্ঠানটির তথ্য মতে, ২০০৪ সালে ঠাকুরগাঁও বিসিক এলাকায় ২ একর জমির ওপর স্থাপন করা হয় কারিগরি এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি। এখানে পাঁচটি টেকনোলজিতে ১১১ জন শিক্ষক পদের বিপরীতে শিক্ষক রয়েছেন মাত্র ৩৪জন। এর মধ্যে ৩ জন রয়েছে প্রেষণে। জমির অভাবে ল্যাবের আয়তন বাড়ানো যাচ্ছে না। ফলে এ প্রতিষ্ঠানটি তার লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে।

শিক্ষার্থীরা জানায়, শিক্ষক স্বল্পতার কারণে একজনকে প্রতিদিনি স্বাভাবকি ৫-টি ক্লাসের স্থলে দুই শিফটের দ্বিগুন ক্লাস নিতে হচ্ছে। এতে পাঠদানে শিক্ষকরা যেমন মনোযোগ রাখতে পারছেন না, তেমনি শিক্ষার্থীরা মানসম্পন্ন শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সংকটরে কারণে অতিথি শিক্ষক দিয়ে দায়সারা পড়ালেখা চলছে এ প্রতিষ্ঠানে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ ইনস্টিটিউটে ৫টি টেকনোলজিতে প্রায় ৩ হাজার শিক্ষার্থী প্রকৌশল বিদ্যায় পড়াশোনা করছে। দুই একর জায়গায় প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধা নেই। ফলে শহরের বাইরে থেকে আসা শিক্ষার্থীদের মেসে থেকে পড়াশোনা করতে হয়। এতে বাড়তি খরচসহ নিরাপত্তা নিয়ে ও নানা বিড়ম্বনায় পড়েন তারা।

উপেন চন্দ্র রায় বলেন, ‘এভাবেই ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ হয়ে গেলো। না পেলাম শিক্ষক, না পেলাম হল সুবিধা। আবাসন সুবিধা না থাকায় যাতায়াতে নানা সমস্যায় পড়তে হয়। আমাদের পরের ব্যাচের শিক্ষার্থীরা যেন এই সমস্যাগুলোর সম্মুখীন না হয়।’

একই কথা জানান আরেক শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, এখানে বেশির ভাগই শিক্ষক সদ্য পড়াশোনা শেষ করা ছাত্র কিংবা অন্য প্রতিষ্ঠানের । যাদের অনেকেই ল্যাবের মেশিনারি সম্পর্কে ভালো জ্ঞান নেই।

ঠাকুরগাঁও পলিটেকনিক্যাল ইনস্টটিউিটের চিফ ইনস্ট্রাক্টর সঞ্জয় বণিক জানান, এখানে শিক্ষক, র্কমচারী ও শিক্ষার্থীদের জন্য কোনো আবাসন ব্যবস্থা নেই। অধ্যক্ষের জন্য একটি বাসভবন আছে। ইনস্টটিউিটরে অধ্যক্ষ মাকসুদুর রহমান বলেন জোড়াতালি দিয়ে চলছে এই প্রতিষ্ঠানটি।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

সীমান্তের ১৩ টি পূজা মন্ডবে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেছে ৪২ বিজিবির সদস্যরা

জোড়া তালি দিয়ে চলছে ঠাকুরগাঁও পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট!

আপডেট টাইম ০৫:১৯:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে ঠাকুরগাঁও পলিটেকনিক্যাল ইনস্টটিউিট। শিক্ষক ও আবাসন সংকটে নাকাল কারিগরি শিক্ষার এই প্রতিষ্ঠানটি। আবাসন ব্যবস্থার অভাবে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন শিক্ষক- শিক্ষাথীরা। থাকা-খাওয়ার সমস্যার জন্য প্রতিষ্ঠানটির নারী শিক্ষার্থীদের ভর্র্তির হার দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে । বর্তমানে পড়া-লেখা করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাত্র ১০ শতাংশ ছাত্রী।

প্রতিষ্ঠানটির তথ্য মতে, ২০০৪ সালে ঠাকুরগাঁও বিসিক এলাকায় ২ একর জমির ওপর স্থাপন করা হয় কারিগরি এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি। এখানে পাঁচটি টেকনোলজিতে ১১১ জন শিক্ষক পদের বিপরীতে শিক্ষক রয়েছেন মাত্র ৩৪জন। এর মধ্যে ৩ জন রয়েছে প্রেষণে। জমির অভাবে ল্যাবের আয়তন বাড়ানো যাচ্ছে না। ফলে এ প্রতিষ্ঠানটি তার লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে।

শিক্ষার্থীরা জানায়, শিক্ষক স্বল্পতার কারণে একজনকে প্রতিদিনি স্বাভাবকি ৫-টি ক্লাসের স্থলে দুই শিফটের দ্বিগুন ক্লাস নিতে হচ্ছে। এতে পাঠদানে শিক্ষকরা যেমন মনোযোগ রাখতে পারছেন না, তেমনি শিক্ষার্থীরা মানসম্পন্ন শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সংকটরে কারণে অতিথি শিক্ষক দিয়ে দায়সারা পড়ালেখা চলছে এ প্রতিষ্ঠানে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ ইনস্টিটিউটে ৫টি টেকনোলজিতে প্রায় ৩ হাজার শিক্ষার্থী প্রকৌশল বিদ্যায় পড়াশোনা করছে। দুই একর জায়গায় প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধা নেই। ফলে শহরের বাইরে থেকে আসা শিক্ষার্থীদের মেসে থেকে পড়াশোনা করতে হয়। এতে বাড়তি খরচসহ নিরাপত্তা নিয়ে ও নানা বিড়ম্বনায় পড়েন তারা।

উপেন চন্দ্র রায় বলেন, ‘এভাবেই ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ হয়ে গেলো। না পেলাম শিক্ষক, না পেলাম হল সুবিধা। আবাসন সুবিধা না থাকায় যাতায়াতে নানা সমস্যায় পড়তে হয়। আমাদের পরের ব্যাচের শিক্ষার্থীরা যেন এই সমস্যাগুলোর সম্মুখীন না হয়।’

একই কথা জানান আরেক শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, এখানে বেশির ভাগই শিক্ষক সদ্য পড়াশোনা শেষ করা ছাত্র কিংবা অন্য প্রতিষ্ঠানের । যাদের অনেকেই ল্যাবের মেশিনারি সম্পর্কে ভালো জ্ঞান নেই।

ঠাকুরগাঁও পলিটেকনিক্যাল ইনস্টটিউিটের চিফ ইনস্ট্রাক্টর সঞ্জয় বণিক জানান, এখানে শিক্ষক, র্কমচারী ও শিক্ষার্থীদের জন্য কোনো আবাসন ব্যবস্থা নেই। অধ্যক্ষের জন্য একটি বাসভবন আছে। ইনস্টটিউিটরে অধ্যক্ষ মাকসুদুর রহমান বলেন জোড়াতালি দিয়ে চলছে এই প্রতিষ্ঠানটি।