সংবাদ শিরোনাম
পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর টিকা দেয়ার কারনে আজ দেশ থেকে গুটি বসন্ত রোগ চিরতরে বিদায় হয়েছে, তেমনি করে গরু ছাগলকেও টিকা দেয়ার বিকল্প নেই-ঠাকুরগাঁওয়ে লাইভষ্টক পরিচালক ডা: আব্দুল হাই সরকার ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নৈতিক শিক্ষা আর নীতি আদর্শ না থাকলে কোনো শিক্ষাই জীবনে কাজে আসবেনা-আল-হাসানাহ পরিচালক মিম ঠাকুরগাঁওয়ে ‘এন্টি-মাইক্রোবিয়াল রেজিস্টেন্স’ রোধে প্রাণিসম্পদ বিভাগের মতবিনিময় সভা ঠাকুরগাঁওয়ের হবি গরুর খামার করে এখন চিজ ফ্যাক্টরীর মালিক পীরগঞ্জে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কর্মশালা পীরগঞ্জে নাশকতা চেষ্টার অভিযোগে ২ জন আটক ‘এন্টি মাইক্রোবিয়াল রেজিষ্টেন্স’ রোধে প্রানিসম্পদ বিভাগের ষ্টেক-হোল্ডারদের মত-বিনিময় সভা আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত

গর্ভে প্রেমিকের সন্তান নিয়ে অন্যত্র বিয়ে, অতঃপর…

সারাদিন ডেস্ক::গর্ভে প্রেমিকের চার মাসের যমজ সন্তান নিয়ে অন্যত্রে বিয়ে হওয়ার প্রায় ছয় মাস পর স্বামী সংসার থেকে বিতাড়িত হয়েছেন এক তরুণী। এখন ওই তরুণী গত বুধবার থেকে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করে স্ত্রীর অধিকার ও সন্তানদের পিতৃত্বের স্বীকৃতি দেয়ার দাবি তুলেছেন।

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার ওই তরুণী জানান, একই গ্রামের আফসার উদ্দিনের ছেলে মজনুর (২৫) সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। একপর্যায়ে মজনু তাকে বিয়ে করবে বলে দৈহিক মেলামেশাও করেছে। এতে তার গর্ভে মজনুর সন্তান চলে আসে।

গর্ভের সন্তানের বয়স যখন চার মাস তখন তরুণীর মা-বাবা তাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একই ইউনিয়নের বীর সিধলী গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে বিল্লাল হোসেনের (৩০) সঙ্গে বিয়ে দেন। বিয়ের ছয় মাস পর যমজ সন্তান প্রসব করলে তাকে তার স্বামীও এখন মেনে নিচ্ছেন না।

এই তরুণী তার স্বামী সংসারে না থেকে প্রেমিক মজনুর বাড়িতে গিয়ে পাঁচ দিন ধরে অবস্থান করছেন। মজনুর কাছে তার সন্তানদের পিতৃত্বের স্বীকৃতি ও নিজেকে স্ত্রীর অধিকার দেয়ার দাবি তুলেছেন।

এদিকে প্রেমিক মজনু তাকে মেনে না নিয়ে বাড়ি থেকে উধাও হয়ে গেছেন। মজনু তার স্বজনদের মাধ্যমে জানাচ্ছেন, ওই তরুণীর সাথে তার কখনো  দৈহিক মেলামেশাতো দূরের কথা তাদের আদৌ কোনো সম্পর্কই ছিল না।

এদিকে মেয়ে এবং তার সন্তানকে মেনে না নেয়ায় তরুণীর বাবা মজনুর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।

এবিষয়ে মজনুর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে মজনুর বোন মিতু আক্তার বলেন, ‘ওই তরুণী যে সন্তান জন্ম দিয়েছেন, ওই সন্তানদের বাবা আমার ভাই মজনু না।’

কলমাকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে এম মিজানুর রহমান অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তবে, ওই সন্তান দু’টির পিতৃত্বের ব্যাপারে ডিএনএ টেস্ট ছাড়া কিছুই বলা যাবে না।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর

গর্ভে প্রেমিকের সন্তান নিয়ে অন্যত্র বিয়ে, অতঃপর…

আপডেট টাইম ০৮:১৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অগাস্ট ২০১৮

সারাদিন ডেস্ক::গর্ভে প্রেমিকের চার মাসের যমজ সন্তান নিয়ে অন্যত্রে বিয়ে হওয়ার প্রায় ছয় মাস পর স্বামী সংসার থেকে বিতাড়িত হয়েছেন এক তরুণী। এখন ওই তরুণী গত বুধবার থেকে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করে স্ত্রীর অধিকার ও সন্তানদের পিতৃত্বের স্বীকৃতি দেয়ার দাবি তুলেছেন।

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার ওই তরুণী জানান, একই গ্রামের আফসার উদ্দিনের ছেলে মজনুর (২৫) সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। একপর্যায়ে মজনু তাকে বিয়ে করবে বলে দৈহিক মেলামেশাও করেছে। এতে তার গর্ভে মজনুর সন্তান চলে আসে।

গর্ভের সন্তানের বয়স যখন চার মাস তখন তরুণীর মা-বাবা তাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একই ইউনিয়নের বীর সিধলী গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে বিল্লাল হোসেনের (৩০) সঙ্গে বিয়ে দেন। বিয়ের ছয় মাস পর যমজ সন্তান প্রসব করলে তাকে তার স্বামীও এখন মেনে নিচ্ছেন না।

এই তরুণী তার স্বামী সংসারে না থেকে প্রেমিক মজনুর বাড়িতে গিয়ে পাঁচ দিন ধরে অবস্থান করছেন। মজনুর কাছে তার সন্তানদের পিতৃত্বের স্বীকৃতি ও নিজেকে স্ত্রীর অধিকার দেয়ার দাবি তুলেছেন।

এদিকে প্রেমিক মজনু তাকে মেনে না নিয়ে বাড়ি থেকে উধাও হয়ে গেছেন। মজনু তার স্বজনদের মাধ্যমে জানাচ্ছেন, ওই তরুণীর সাথে তার কখনো  দৈহিক মেলামেশাতো দূরের কথা তাদের আদৌ কোনো সম্পর্কই ছিল না।

এদিকে মেয়ে এবং তার সন্তানকে মেনে না নেয়ায় তরুণীর বাবা মজনুর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।

এবিষয়ে মজনুর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে মজনুর বোন মিতু আক্তার বলেন, ‘ওই তরুণী যে সন্তান জন্ম দিয়েছেন, ওই সন্তানদের বাবা আমার ভাই মজনু না।’

কলমাকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে এম মিজানুর রহমান অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তবে, ওই সন্তান দু’টির পিতৃত্বের ব্যাপারে ডিএনএ টেস্ট ছাড়া কিছুই বলা যাবে না।