সংবাদ শিরোনাম
আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত প্রাণিসম্পদ বিভাগের দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ফ্রি ভ্যাকসিনেশন ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত: ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলের অন্ত:স্কুল শিখন ও গনিত উৎসব-২৬ অনুষ্ঠিত “আমিষেই শক্তি, আমিষেই মুক্তি” প্রতিপাদ্য নিয়ে পীরগঞ্জে   প্রানিসম্পদের ফ্রি-মেডিকেল ক্যাম্প ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শরিয়াহভিত্তিক ইসলামিক রাষ্ট্র নয়, বাংলাদেশের মানুষ উদারপন্থি রাজনীতি করতে চায়-ঠাকুরগাঁও বিএনপি’র বর্ধিত সভায় মির্জা ফখরুল ব্র্যাক’র স্বপ্নসারথী দলের কিশোরীদের মাঝে শিক্ষা সহায়তা প্রদান সম্পন্ন রংপুর বিভাগীয় পরিচালকের পীরগঞ্জ প্রানিসম্পদ দপ্তরের সম্প্রসারন কার্যক্রম পরিদর্শন পীরগঞ্জ পেৌরসভার ৫২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা পীরগঞ্জে বৃক্ষরােপন কর্মসূচীর উদ্বোধন পীরগঞ্জে স্বপ্ন-সারথিদের মাঝে গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান

ঠাকুরগাঁওয়ে শুরু হলো ভার্চুয়াল আদালতের কার্যক্রম

virtual court in bangladesh

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি::একটি মিসকেস মামলার জামিন শুনানির মধ্য দিয়ে শুরু হলো ঠাকুরগাঁওয়ে কোভিড-১৯ মহামারীর মধ্যে ভার্চুয়াল আদালতের কার্যক্রম। দু’পক্ষের আইনজীবীরা ঘরে বসেই ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে এক্ষেত্রে নিজ নিজ পক্ষের মামলা পরিচালনা করেন। শুধুমাত্র জামিন শুনানীই হচ্ছে এই ভার্চুয়াল মামলার কার্যক্রম।

মঙ্গলবার ৪টি মামলার শুনানীর মধ্য দিয়ে ডিজিটাল এ কার্যক্রম চালু হয় জেলায়। প্রথম দিনে ঠাকুরগাঁও বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ মামুনুর রশিদ ৪টি মামলার শুনানী করেন। রানীশংকৈল কাশিপুর চিকন মাটি গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুল করিমের মিস কেস মামলায় জামিনের আদেশ দেন তিনি। শুনানীতে সরকারী পিপি এ্যাড.শেখর কুমার রায় ও আসামীপক্ষে এ্যাড. ফজলে রাব্বি বকুল নিজ চেম্বারে বসেই ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মামলার কাজ পরিচালনা করেন।

তথ্য প্রযুক্তির বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে ডিজিটাল পদ্ধতিতে (যেমন: ই-মেইল আইডি, মোবাইল নম্বর) চিহ্নিত করে আইনজীবীগণ স্ব-স্ব পরিচয় জমা প্রদানের মাধ্যমে মামলার কার্যক্রমে অংশগ্রহন করছেন। এক্ষেত্রে মামলা শুনানীর ১৫ মিনিট পূর্বেই জরুরী সংশ্লিষ্ট ধাপসমূহ অনুসরণ করে আদালতে ই-ফাইলিং এর মাধ্যমে জামিনের আবেদন দাখিল করেন আইনজীবীগণ।
ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে আদালতের কার্যক্রম চালানোর এ পদক্ষেপকে যুগান্তকারী হিসেবে বর্ণনা করেছেন জেলার সাধারণ মানুষ।
উল্লেখ্য যে, গত বছরের ৬ এপ্রিল ফেনীর সোনাগাজিতে মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহানকে আলিম পরিক্ষা কেন্দ্রে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে হত্যার চাঞ্চল্যকর মামলায় মাদ্রাসার বরখাস্ত অধ্যক্ষ এম.এম সিরাজ উদ দৌলাসহ ১৬ জন আসামীর প্রত্যেককে মৃত্যুদন্ড দেন বর্তমান ঠাকুরগাঁও জেলা ও দায়রা জজ মামুনুর রশিদ। ওই সময়ে তিনি ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ছিলেন।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত

ঠাকুরগাঁওয়ে শুরু হলো ভার্চুয়াল আদালতের কার্যক্রম

আপডেট টাইম ০২:৪৪:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২০

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি::একটি মিসকেস মামলার জামিন শুনানির মধ্য দিয়ে শুরু হলো ঠাকুরগাঁওয়ে কোভিড-১৯ মহামারীর মধ্যে ভার্চুয়াল আদালতের কার্যক্রম। দু’পক্ষের আইনজীবীরা ঘরে বসেই ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে এক্ষেত্রে নিজ নিজ পক্ষের মামলা পরিচালনা করেন। শুধুমাত্র জামিন শুনানীই হচ্ছে এই ভার্চুয়াল মামলার কার্যক্রম।

মঙ্গলবার ৪টি মামলার শুনানীর মধ্য দিয়ে ডিজিটাল এ কার্যক্রম চালু হয় জেলায়। প্রথম দিনে ঠাকুরগাঁও বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ মামুনুর রশিদ ৪টি মামলার শুনানী করেন। রানীশংকৈল কাশিপুর চিকন মাটি গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুল করিমের মিস কেস মামলায় জামিনের আদেশ দেন তিনি। শুনানীতে সরকারী পিপি এ্যাড.শেখর কুমার রায় ও আসামীপক্ষে এ্যাড. ফজলে রাব্বি বকুল নিজ চেম্বারে বসেই ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মামলার কাজ পরিচালনা করেন।

তথ্য প্রযুক্তির বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে ডিজিটাল পদ্ধতিতে (যেমন: ই-মেইল আইডি, মোবাইল নম্বর) চিহ্নিত করে আইনজীবীগণ স্ব-স্ব পরিচয় জমা প্রদানের মাধ্যমে মামলার কার্যক্রমে অংশগ্রহন করছেন। এক্ষেত্রে মামলা শুনানীর ১৫ মিনিট পূর্বেই জরুরী সংশ্লিষ্ট ধাপসমূহ অনুসরণ করে আদালতে ই-ফাইলিং এর মাধ্যমে জামিনের আবেদন দাখিল করেন আইনজীবীগণ।
ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে আদালতের কার্যক্রম চালানোর এ পদক্ষেপকে যুগান্তকারী হিসেবে বর্ণনা করেছেন জেলার সাধারণ মানুষ।
উল্লেখ্য যে, গত বছরের ৬ এপ্রিল ফেনীর সোনাগাজিতে মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহানকে আলিম পরিক্ষা কেন্দ্রে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে হত্যার চাঞ্চল্যকর মামলায় মাদ্রাসার বরখাস্ত অধ্যক্ষ এম.এম সিরাজ উদ দৌলাসহ ১৬ জন আসামীর প্রত্যেককে মৃত্যুদন্ড দেন বর্তমান ঠাকুরগাঁও জেলা ও দায়রা জজ মামুনুর রশিদ। ওই সময়ে তিনি ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ছিলেন।