সংবাদ শিরোনাম
৪২-বিজিবি দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন এর বিশেষ অভিযান, বিরল সীমান্তে ভারতীয় মদ উদ্ধার ৪২-বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে ঠাকুরগাঁও-দিনাজপুর সীমান্ত এলাকায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক উদ্ধার সীমান্তের ১৩ টি পূজা মন্ডবে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেছে ৪২ বিজিবির সদস্যরা পীরগঞ্জে দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ন করতে উপজেলা প্রশাসনের মত-বিনীময় সভা পীরগঞ্জে হিন্দু ধর্মীয় দুর্গা-পূজার জন্য অনুদান বিতরন একটি আদর্শ, একটি স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দেবার ক্ষেত্রে এটি নি:সন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ন মাইলফলক-পরিচালক ইত্তাশাম-উল-হক পীরগঞ্জে ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত চেরকুঘাট সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন চেরকুঘাট সেতুর উদ্বোধন করলেন এমপি জাহিদুর ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলে অন্ত: প্রতিযোগীতা ইংলিশ অলিম্পিয়ার্ড ও বিজ্ঞান উৎসবের উদ্বোধন পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর টিকা দেয়ার কারনে আজ দেশ থেকে গুটি বসন্ত রোগ চিরতরে বিদায় হয়েছে, তেমনি করে গরু ছাগলকেও টিকা দেয়ার বিকল্প নেই-ঠাকুরগাঁওয়ে লাইভষ্টক পরিচালক ডা: আব্দুল হাই সরকার

সেবা অনুযায়ী হাসপাতালের ক্যাটাগরি ও ফি নির্ধারণ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ai

স্টাফ রিপোর্টার:: বেসরকারি হাসপাতালের সেবা অনুযায়ী ক্যাটাগরি এবং রোগনির্ণয় পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলাম। তাদের বলেছি সেবার মানে উন্নয়ন করতে হবে। সেক্ষেত্রে আমরা ক্যাটাগরি করে দেবো। সেবার মানকে উন্নত করে এ, বি ও সি ক্যাটাগরি করে দেবো। সার্বিক ব্যবস্থাপনা অনুযায়ী ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা হবে।
আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

জাহিদ মালেক বলেন, যে ক্যাটাগরিতে যে স্বাস্থ্যসেবা দেয়ার উপযোগী সেই প্রতিষ্ঠান তার বাইরে সেবা দিতে পারবে না। অনেকে অপারেশন করেন, সিজার করেন। কিন্তু সিজার করার ব্যবস্থা হয়তো সেই ক্লিনিক বা হাসপাতালে নেই, তাদের অপারেশন বা সিজার করতে দেয়া যাবে না।

মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন হাসপাতালে যে রোগনির্ণয় পরীক্ষার ফি আছে সেটিকে আমরা নির্ধারণ করে দেয়ার চেষ্টা করছি। কোনো কোনো জায়গায় দেখা যায় একটি বিশেষ পরীক্ষার জন্য ১০ হাজার টাকা অন্য জায়গায় আবার ৫০ হাজার টাকা। এই বিরাট বৈষম্য আমরা দূর করতে চাই।

এটি হতে দেয়া যাবে না। দরিদ্র জনগণ যাতে সঠিক চিকিৎসা পায়, তারা যেন কষ্ট না পায় সেদিকে নজর রাখতে হবে। তাদের যাতে বাড়তি মূল্য না দিতে হয়।

তিনি আরও বলেন, আমাদের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নের মাধ্যমে বিদেশে যাওয়া কমে আসবে। এখনও অনেকে বিদেশে চিকিৎসা নেয় এবং আমাদের কষ্টার্জিত যে বৈদেশিক মুদ্রা চলে যায় সেটি হয়তো কমবে। চিকিৎসার জন্য অনেক বৈদেশিক মুদ্রা বাইরে চলে যায়। আমাদের দেশে চিকিৎসা ভালো থাকলে মানুষ বাইরে যাবে না। তাহলে সেই টাকা দেশেই থাকবে।
কবে নাগাদ হাসপাতালের ক্যাটাগরি ও পরীক্ষার-নিরীক্ষার ফি নির্ধারণ করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আলোচনার মাধ্যমে এটি আমরা করতে পারবো। সব হাসাপাতাল তো একই মানের নয়। সুতরাং এক রকম তো হবে না। সেই অনুযায়ী চার্জ নির্ধারণ হবে। করোনার জন্য অনেক কিছু করতে পারিনি, গোটা বিশ্বই এগোতে পারেনি। আগামীতে যাতে দ্রুত করতে পারি সেদিকে নজর রাখছি। এ বছরই এটি (হাসপাতালের ক্যাটাগরি) হবে। আমরা প্রাথমিক তালিকা করে রেখেছি। সবকিছুর ধারণা রেখেছি, আশা করি দ্রুতই এটি হয়ে যাবে।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২-বিজিবি দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন এর বিশেষ অভিযান, বিরল সীমান্তে ভারতীয় মদ উদ্ধার

সেবা অনুযায়ী হাসপাতালের ক্যাটাগরি ও ফি নির্ধারণ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট টাইম ০৫:০০:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর ২০২২
স্টাফ রিপোর্টার:: বেসরকারি হাসপাতালের সেবা অনুযায়ী ক্যাটাগরি এবং রোগনির্ণয় পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলাম। তাদের বলেছি সেবার মানে উন্নয়ন করতে হবে। সেক্ষেত্রে আমরা ক্যাটাগরি করে দেবো। সেবার মানকে উন্নত করে এ, বি ও সি ক্যাটাগরি করে দেবো। সার্বিক ব্যবস্থাপনা অনুযায়ী ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা হবে।
আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

জাহিদ মালেক বলেন, যে ক্যাটাগরিতে যে স্বাস্থ্যসেবা দেয়ার উপযোগী সেই প্রতিষ্ঠান তার বাইরে সেবা দিতে পারবে না। অনেকে অপারেশন করেন, সিজার করেন। কিন্তু সিজার করার ব্যবস্থা হয়তো সেই ক্লিনিক বা হাসপাতালে নেই, তাদের অপারেশন বা সিজার করতে দেয়া যাবে না।

মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন হাসপাতালে যে রোগনির্ণয় পরীক্ষার ফি আছে সেটিকে আমরা নির্ধারণ করে দেয়ার চেষ্টা করছি। কোনো কোনো জায়গায় দেখা যায় একটি বিশেষ পরীক্ষার জন্য ১০ হাজার টাকা অন্য জায়গায় আবার ৫০ হাজার টাকা। এই বিরাট বৈষম্য আমরা দূর করতে চাই।

এটি হতে দেয়া যাবে না। দরিদ্র জনগণ যাতে সঠিক চিকিৎসা পায়, তারা যেন কষ্ট না পায় সেদিকে নজর রাখতে হবে। তাদের যাতে বাড়তি মূল্য না দিতে হয়।

তিনি আরও বলেন, আমাদের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নের মাধ্যমে বিদেশে যাওয়া কমে আসবে। এখনও অনেকে বিদেশে চিকিৎসা নেয় এবং আমাদের কষ্টার্জিত যে বৈদেশিক মুদ্রা চলে যায় সেটি হয়তো কমবে। চিকিৎসার জন্য অনেক বৈদেশিক মুদ্রা বাইরে চলে যায়। আমাদের দেশে চিকিৎসা ভালো থাকলে মানুষ বাইরে যাবে না। তাহলে সেই টাকা দেশেই থাকবে।
কবে নাগাদ হাসপাতালের ক্যাটাগরি ও পরীক্ষার-নিরীক্ষার ফি নির্ধারণ করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আলোচনার মাধ্যমে এটি আমরা করতে পারবো। সব হাসাপাতাল তো একই মানের নয়। সুতরাং এক রকম তো হবে না। সেই অনুযায়ী চার্জ নির্ধারণ হবে। করোনার জন্য অনেক কিছু করতে পারিনি, গোটা বিশ্বই এগোতে পারেনি। আগামীতে যাতে দ্রুত করতে পারি সেদিকে নজর রাখছি। এ বছরই এটি (হাসপাতালের ক্যাটাগরি) হবে। আমরা প্রাথমিক তালিকা করে রেখেছি। সবকিছুর ধারণা রেখেছি, আশা করি দ্রুতই এটি হয়ে যাবে।