সংবাদ শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলে অন্ত: প্রতিযোগীতা ইংলিশ অলিম্পিয়ার্ড ও বিজ্ঞান উৎসবের উদ্বোধন পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর টিকা দেয়ার কারনে আজ দেশ থেকে গুটি বসন্ত রোগ চিরতরে বিদায় হয়েছে, তেমনি করে গরু ছাগলকেও টিকা দেয়ার বিকল্প নেই-ঠাকুরগাঁওয়ে লাইভষ্টক পরিচালক ডা: আব্দুল হাই সরকার ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নৈতিক শিক্ষা আর নীতি আদর্শ না থাকলে কোনো শিক্ষাই জীবনে কাজে আসবেনা-আল-হাসানাহ পরিচালক মিম ঠাকুরগাঁওয়ে ‘এন্টি-মাইক্রোবিয়াল রেজিস্টেন্স’ রোধে প্রাণিসম্পদ বিভাগের মতবিনিময় সভা ঠাকুরগাঁওয়ের হবি গরুর খামার করে এখন চিজ ফ্যাক্টরীর মালিক পীরগঞ্জে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কর্মশালা পীরগঞ্জে নাশকতা চেষ্টার অভিযোগে ২ জন আটক ‘এন্টি মাইক্রোবিয়াল রেজিষ্টেন্স’ রোধে প্রানিসম্পদ বিভাগের ষ্টেক-হোল্ডারদের মত-বিনিময় সভা

পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর

আজম রেহমান, ঠাকুরগাঁও : জেলার পীরগঞ্জ উপজেলায় সীমান্তের ওপারে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ এর গুলিতে নিহত বাংলাদেশি যুবক আসাদুল হকের (৩৫) মরদেহ পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি রকাছে হস্তান্তর করেছে বিএসএফ।

১৩ সেপ্টেম্বর  রাত ৯টার দিকে পীরগঞ্জ উপজেলার দানাজপুর বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন সীমান্ত পিলার ৩৪০/৩-এস এলাকার শূন্যরেখায় আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। নিহত আসাদুল হক পীরগঞ্জ উপজেলার ইন্দ্রইল গ্রামের মৃত ওয়াজেদ আলীর ছেলে।

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে পীরগঞ্জ উপজেলার বৈরচুনা ইউনিয়নের চান্দেরহাট বিজিবি ক্যাম্পের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত পিলার ৩৩৩/২-এস থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন কয়েকজন বাংলাদেশি। এ সময় চকশিবান্ধা (চকশিবানন্দ) ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা গুলি চালালে আসাদুল হক গুরুতর আহত হন। পরে তাকে ভারতের কালিয়াগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় ইন্দ্রইল গ্রামের আহেদ আলীর ছেলে মোস্তাকিন (৩৪) ও মনসা বর্মনের ছেলে উদয় চন্দ্র রায় (৩৫) নামের আরও দুই বাংলাদেশি আহত হয়ে বিএসএফের হাতে আটক রয়েছেন।মরদেহ হস্তান্তরের আগে রোববার সন্ধ্যা ৬টার দিকে রামনা-চান্দোহর সীমান্ত পিলার ৩৩৩/২-এস এলাকার শূন্যরেখায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে একটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দিনাজপুর ব্যাটালিয়নের (৪২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল আল মুইনের নেতৃত্বে বিজিবির প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। অপরদিকে ভারতের চাদগাঁও বিএসএফ ক্যাম্পের কমান্ডার সূরিয়া পালের নেতৃত্বে বিএসএফ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পতাকা বৈঠক শেষে রাত ৯টায় শূন্যরেখায় মরদেহটি বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। হস্তান্তরকালে ৪২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল আল মুইন, বৈরচুনা এলাকার বিজিবির তিন ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার মো. শাহ আলম এবং চাদগাঁও বিএসএফ ক্যাম্পের কমান্ডার সূরিয়া পালসহ উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

জনপ্রিয় সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলে অন্ত: প্রতিযোগীতা ইংলিশ অলিম্পিয়ার্ড ও বিজ্ঞান উৎসবের উদ্বোধন

পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর

আপডেট টাইম ০২:৫৭:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আজম রেহমান, ঠাকুরগাঁও : জেলার পীরগঞ্জ উপজেলায় সীমান্তের ওপারে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ এর গুলিতে নিহত বাংলাদেশি যুবক আসাদুল হকের (৩৫) মরদেহ পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি রকাছে হস্তান্তর করেছে বিএসএফ।

১৩ সেপ্টেম্বর  রাত ৯টার দিকে পীরগঞ্জ উপজেলার দানাজপুর বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন সীমান্ত পিলার ৩৪০/৩-এস এলাকার শূন্যরেখায় আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। নিহত আসাদুল হক পীরগঞ্জ উপজেলার ইন্দ্রইল গ্রামের মৃত ওয়াজেদ আলীর ছেলে।

বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে পীরগঞ্জ উপজেলার বৈরচুনা ইউনিয়নের চান্দেরহাট বিজিবি ক্যাম্পের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত পিলার ৩৩৩/২-এস থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন কয়েকজন বাংলাদেশি। এ সময় চকশিবান্ধা (চকশিবানন্দ) ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা গুলি চালালে আসাদুল হক গুরুতর আহত হন। পরে তাকে ভারতের কালিয়াগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় ইন্দ্রইল গ্রামের আহেদ আলীর ছেলে মোস্তাকিন (৩৪) ও মনসা বর্মনের ছেলে উদয় চন্দ্র রায় (৩৫) নামের আরও দুই বাংলাদেশি আহত হয়ে বিএসএফের হাতে আটক রয়েছেন।মরদেহ হস্তান্তরের আগে রোববার সন্ধ্যা ৬টার দিকে রামনা-চান্দোহর সীমান্ত পিলার ৩৩৩/২-এস এলাকার শূন্যরেখায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে একটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দিনাজপুর ব্যাটালিয়নের (৪২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল আল মুইনের নেতৃত্বে বিজিবির প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। অপরদিকে ভারতের চাদগাঁও বিএসএফ ক্যাম্পের কমান্ডার সূরিয়া পালের নেতৃত্বে বিএসএফ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পতাকা বৈঠক শেষে রাত ৯টায় শূন্যরেখায় মরদেহটি বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। হস্তান্তরকালে ৪২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল আল মুইন, বৈরচুনা এলাকার বিজিবির তিন ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার মো. শাহ আলম এবং চাদগাঁও বিএসএফ ক্যাম্পের কমান্ডার সূরিয়া পালসহ উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।