সংবাদ শিরোনাম
সীমান্তের ১৩ টি পূজা মন্ডবে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেছে ৪২ বিজিবির সদস্যরা পীরগঞ্জে দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ন করতে উপজেলা প্রশাসনের মত-বিনীময় সভা পীরগঞ্জে হিন্দু ধর্মীয় দুর্গা-পূজার জন্য অনুদান বিতরন একটি আদর্শ, একটি স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দেবার ক্ষেত্রে এটি নি:সন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ন মাইলফলক-পরিচালক ইত্তাশাম-উল-হক পীরগঞ্জে ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত চেরকুঘাট সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন চেরকুঘাট সেতুর উদ্বোধন করলেন এমপি জাহিদুর ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলে অন্ত: প্রতিযোগীতা ইংলিশ অলিম্পিয়ার্ড ও বিজ্ঞান উৎসবের উদ্বোধন পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর টিকা দেয়ার কারনে আজ দেশ থেকে গুটি বসন্ত রোগ চিরতরে বিদায় হয়েছে, তেমনি করে গরু ছাগলকেও টিকা দেয়ার বিকল্প নেই-ঠাকুরগাঁওয়ে লাইভষ্টক পরিচালক ডা: আব্দুল হাই সরকার ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নৈতিক শিক্ষা আর নীতি আদর্শ না থাকলে কোনো শিক্ষাই জীবনে কাজে আসবেনা-আল-হাসানাহ পরিচালক মিম

ফের ধান কেনার ঘোষণা, খুশি নন কৃষকেরা

ডেস্ক:: ধানের দাম কমে যাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছিল কৃষক। সেই হতাশা থেকে ‍কৃষকের মুখে হাসি ফুটাতে আবারও নতুন করে আড়াই লাখ টন ধান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে নতুন করে ধান ক্রয়ে কৃষকেরা কতটুকু সুফল পাবেন তা নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়।

রংপুর অঞ্চলের কৃষকের দাবি, মৌসুমের শুরুতেই ন্যায্য মূল্যে ধান বিক্রি করতে না পেরে চরমভাবে লোকসানের মুখে পড়েছেন তারা। ধার দেনা মেটাতে পানির দরে বিক্রি করে দিয়েছেন উৎপাদিত ধানের বড় একটি অংশ। ইতিমধ্যে যা চলে গেছে মিলারদের হাতে। এ অবস্থায় নতুন করে ধান কেনার ঘোষণায় মধ্যস্বত্বভোগীরাই লাভবান হবেন বলে জানিয়েছেন কৃষকেরা।

তবে এবার নতুন করে সরকারের দুই লাখ মেট্রিক টন ধান কেনার ঘোষণা রংপুর, দিনাজপুর এলাকার কৃষকদের খুব একটা খুশি করতে পারছে না। কারণ বিগত দিনের তিক্ত অভিজ্ঞতা।

এদিকে একজন কৃষক অভিযোগ করে বলেন, যখন আমাদের কৃষকরা ধান কেনা-বেচা করে তখন কোনো ধানের দাম নেই।

অন্যদিকে আরও একজন অভিযোগ করে বলেন, যেখানে ১৫০০ টাকার বস্তা পাওয়ার কথা সেখানে ১০০০ বা ৯০০ পাওয়া যায়। এভাবে করে তো আমরা কৃষকরা মরে ভূত হয়ে যাব।

সরকারের ঘরে ধান দিতে পারার ভাগ্যবান কৃষকের সংখ্যা খুবই কম। এবারও ধান দিতে পারবেন তারও নিশ্চয়তা নেই।

কৃষকেরা আরও বলেন, আমরা তো সরকারের ধারে কাছেই যেতে পারি না। প্রতি কৃষকের কাছে ১২ মণ নিয়েছে, এতে আমার কি হবে?

চলতি বছর রংপুর, দিনাজপুর ৮ টি জেলায় উৎপাদিত হয়েছে ৭ কোটি ৮ লাখ ধান। প্রথম দফায় তেইশ হাজার চার’শ চল্লিশ মণ ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রায় নির্ধারণ করা হলেও আড়াই লাখ টন যুক্ত করার পর নতুন লক্ষ্যমাত্রা এখনো আসেনি।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

সীমান্তের ১৩ টি পূজা মন্ডবে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেছে ৪২ বিজিবির সদস্যরা

ফের ধান কেনার ঘোষণা, খুশি নন কৃষকেরা

আপডেট টাইম ০৮:৫৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০১৯

ডেস্ক:: ধানের দাম কমে যাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছিল কৃষক। সেই হতাশা থেকে ‍কৃষকের মুখে হাসি ফুটাতে আবারও নতুন করে আড়াই লাখ টন ধান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে নতুন করে ধান ক্রয়ে কৃষকেরা কতটুকু সুফল পাবেন তা নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়।

রংপুর অঞ্চলের কৃষকের দাবি, মৌসুমের শুরুতেই ন্যায্য মূল্যে ধান বিক্রি করতে না পেরে চরমভাবে লোকসানের মুখে পড়েছেন তারা। ধার দেনা মেটাতে পানির দরে বিক্রি করে দিয়েছেন উৎপাদিত ধানের বড় একটি অংশ। ইতিমধ্যে যা চলে গেছে মিলারদের হাতে। এ অবস্থায় নতুন করে ধান কেনার ঘোষণায় মধ্যস্বত্বভোগীরাই লাভবান হবেন বলে জানিয়েছেন কৃষকেরা।

তবে এবার নতুন করে সরকারের দুই লাখ মেট্রিক টন ধান কেনার ঘোষণা রংপুর, দিনাজপুর এলাকার কৃষকদের খুব একটা খুশি করতে পারছে না। কারণ বিগত দিনের তিক্ত অভিজ্ঞতা।

এদিকে একজন কৃষক অভিযোগ করে বলেন, যখন আমাদের কৃষকরা ধান কেনা-বেচা করে তখন কোনো ধানের দাম নেই।

অন্যদিকে আরও একজন অভিযোগ করে বলেন, যেখানে ১৫০০ টাকার বস্তা পাওয়ার কথা সেখানে ১০০০ বা ৯০০ পাওয়া যায়। এভাবে করে তো আমরা কৃষকরা মরে ভূত হয়ে যাব।

সরকারের ঘরে ধান দিতে পারার ভাগ্যবান কৃষকের সংখ্যা খুবই কম। এবারও ধান দিতে পারবেন তারও নিশ্চয়তা নেই।

কৃষকেরা আরও বলেন, আমরা তো সরকারের ধারে কাছেই যেতে পারি না। প্রতি কৃষকের কাছে ১২ মণ নিয়েছে, এতে আমার কি হবে?

চলতি বছর রংপুর, দিনাজপুর ৮ টি জেলায় উৎপাদিত হয়েছে ৭ কোটি ৮ লাখ ধান। প্রথম দফায় তেইশ হাজার চার’শ চল্লিশ মণ ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রায় নির্ধারণ করা হলেও আড়াই লাখ টন যুক্ত করার পর নতুন লক্ষ্যমাত্রা এখনো আসেনি।