সংবাদ শিরোনাম
আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত প্রাণিসম্পদ বিভাগের দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ফ্রি ভ্যাকসিনেশন ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত: ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলের অন্ত:স্কুল শিখন ও গনিত উৎসব-২৬ অনুষ্ঠিত “আমিষেই শক্তি, আমিষেই মুক্তি” প্রতিপাদ্য নিয়ে পীরগঞ্জে   প্রানিসম্পদের ফ্রি-মেডিকেল ক্যাম্প ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শরিয়াহভিত্তিক ইসলামিক রাষ্ট্র নয়, বাংলাদেশের মানুষ উদারপন্থি রাজনীতি করতে চায়-ঠাকুরগাঁও বিএনপি’র বর্ধিত সভায় মির্জা ফখরুল ব্র্যাক’র স্বপ্নসারথী দলের কিশোরীদের মাঝে শিক্ষা সহায়তা প্রদান সম্পন্ন রংপুর বিভাগীয় পরিচালকের পীরগঞ্জ প্রানিসম্পদ দপ্তরের সম্প্রসারন কার্যক্রম পরিদর্শন পীরগঞ্জ পেৌরসভার ৫২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা পীরগঞ্জে বৃক্ষরােপন কর্মসূচীর উদ্বোধন পীরগঞ্জে স্বপ্ন-সারথিদের মাঝে গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান

অবশেষে আইনটি পাশহলো-চার্জশিট গ্রহনের আগে সরকারী কর্মচারীকে গ্রেপ্তার নয়

সারাদিন ডেস্ক::চার্জশিট গ্রহণের আগে ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত কোনো সরকারি কর্মচারীকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেয়ার বিধান রেখে ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই আইনটি অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এই অনুমোদনের কথা জানান।

মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, অনেক দিন আলোচনার পর আইনটি আসছে। অনেক বিষয়ই বিধির জন্য রাখা হয়েছে। শফিউল বলেন, সরকারি কর্মচারীদের ফৌজদারি অপরাধে অভিযোগপত্র গৃহীত হওয়ার আগে গ্রেপ্তার করতে হলে সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি লাগবে। চার্জশিট গৃহীত হলে আর অনুমোদন নেওয়া লাগবে না।

এই আইন পাস হলে দুদক ফাঁদ পেতে কোনো সরকারি কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করতে পারবে কি না- এ প্রশ্নে সচিব বলেন,চার্জশিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। চার্জশিট হওয়ার আগে গ্রেপ্তার করতে হলে আগে অনুমতি নিতে হবে।

আওয়ামী লীগ সরকার ২০১৫ বছরের ১৩ জুলাই ‘সরকারি কর্মচারী আইন, ২০১৫’ এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষে ২০১৬ সালের ২৪ নভেম্বর আইনের খসড়াটি মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হলে তা অনুমোদন পায়নি।

তখন মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেছিলেন, ‘এটা (সরকারি কর্মচারি আইন) ছিল ১৬ ধারার ছোট আইন। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংয়ের পর এটা ৭১টি ধারার অনেক বড় আইন হয়ে গেছে। এজন্য মন্ত্রিসভা বলেছে এটা একটু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা দরকার। কারণ অনেক বড় পরিবর্তন হয়ে গেছে। এরপর ফের ঝুলে যায় আইনটি।

পরে গত বছরের ৫ ডিসেম্বর প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটির সভায় অনুমোদনের জন্য ‘সরকারি কর্মচারী আইনের খসড়া উপস্থাপন করা হয়। প্রস্তাবিত আইনটির বিভিন্ন ধারা আরও চুলচেরা বিশ্লেষণের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোহরাব হোসাইনকে প্রধান করে ৮ সদস্যের একটি উপ-কমিটি গঠন করে সরকার। ওই কমিটি ৫ দফা বৈঠক করে ২৯টি প্রস্তাবসহ প্রতিবেদন জমা দেয়। গত এপ্রিলে সচিব কমিটির বৈঠকে ওই প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত

অবশেষে আইনটি পাশহলো-চার্জশিট গ্রহনের আগে সরকারী কর্মচারীকে গ্রেপ্তার নয়

আপডেট টাইম ০৭:১৯:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অগাস্ট ২০১৯

সারাদিন ডেস্ক::চার্জশিট গ্রহণের আগে ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত কোনো সরকারি কর্মচারীকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেয়ার বিধান রেখে ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই আইনটি অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এই অনুমোদনের কথা জানান।

মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, অনেক দিন আলোচনার পর আইনটি আসছে। অনেক বিষয়ই বিধির জন্য রাখা হয়েছে। শফিউল বলেন, সরকারি কর্মচারীদের ফৌজদারি অপরাধে অভিযোগপত্র গৃহীত হওয়ার আগে গ্রেপ্তার করতে হলে সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি লাগবে। চার্জশিট গৃহীত হলে আর অনুমোদন নেওয়া লাগবে না।

এই আইন পাস হলে দুদক ফাঁদ পেতে কোনো সরকারি কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করতে পারবে কি না- এ প্রশ্নে সচিব বলেন,চার্জশিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। চার্জশিট হওয়ার আগে গ্রেপ্তার করতে হলে আগে অনুমতি নিতে হবে।

আওয়ামী লীগ সরকার ২০১৫ বছরের ১৩ জুলাই ‘সরকারি কর্মচারী আইন, ২০১৫’ এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষে ২০১৬ সালের ২৪ নভেম্বর আইনের খসড়াটি মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হলে তা অনুমোদন পায়নি।

তখন মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেছিলেন, ‘এটা (সরকারি কর্মচারি আইন) ছিল ১৬ ধারার ছোট আইন। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংয়ের পর এটা ৭১টি ধারার অনেক বড় আইন হয়ে গেছে। এজন্য মন্ত্রিসভা বলেছে এটা একটু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা দরকার। কারণ অনেক বড় পরিবর্তন হয়ে গেছে। এরপর ফের ঝুলে যায় আইনটি।

পরে গত বছরের ৫ ডিসেম্বর প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটির সভায় অনুমোদনের জন্য ‘সরকারি কর্মচারী আইনের খসড়া উপস্থাপন করা হয়। প্রস্তাবিত আইনটির বিভিন্ন ধারা আরও চুলচেরা বিশ্লেষণের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোহরাব হোসাইনকে প্রধান করে ৮ সদস্যের একটি উপ-কমিটি গঠন করে সরকার। ওই কমিটি ৫ দফা বৈঠক করে ২৯টি প্রস্তাবসহ প্রতিবেদন জমা দেয়। গত এপ্রিলে সচিব কমিটির বৈঠকে ওই প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়।