ঢাকা ১২:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে গ্রীন ফিল্ড টি ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেডের সাংবাদিক সম্মেলন

>স্টাফ রিপোর্টার:;ঠাকুরগাঁওয়ে গ্রীন ফিল্ড টি ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেডের আয়োজনে সাংবাদিক সম্মেলন আনুষ্ঠিত হয়েছে
কয়েকদিন ধরে সংবাদপত্রে ঠাকুরগাঁও জেলার একমাত্র চা ফ্যাক্টরি গ্রীণ ফিল্ড ট্রি এন্ড ইন্ডাষ্টিজ বিষয়ে চা -চাষীদের হয়রানী, চা পাতা কমদামে ক্রয় বিভন্ন বিষয়ে চা -চাষীগণ সভাকরে এবং চা- চাষী কল্যাণ সমিতি গঠন করে। এঅভিযোগের ভিত্তিতে গ্রীণ ফিল্ড ট্রি ইন্ডাষ্টিজের চেয়ারম্যান ফয়জুল ইসলাম হিরু ব্যাখা দিয়েছেন।
রবিবার ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের আনিসুর হক মিলনায়তনে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মুনসুর আলীর সভাপতিত্বে ঠাকুরগাঁও জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণের সাথে বিস্তারিত তুলে ধরেন গ্রীন ফিল্ড টি ইন্ডাষ্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: ফয়জুল ইসলাম হিরু ।তিনি বলেন, আমাকে আপনার পাঠকদের মাঝে কথা বলার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য । আসল ঘটনা হলো , এ বছরের শুরু থেকে ভারত থেকে ব্যপক ভাবে চোরাই পথে কম দামের চা আসা শুরু হয় , যাহা আমরা যথাসময়ে কতৃপক্ষকে অবহিত করি কিন্তুু কতৃপক্ষ কোনোভাবে ঠেকাতে পারেননি , যাহা আমাদের সকল চা চাষীদের চরমভাবে লোকশান বয়ে নিয়ে আসে , যেখানে গত বছর চায়ের দাম ছিল কেজি ২৭০ -৮০ টাকা , সেখানে এবছর দাম হলো কেজি ১১০-১১৭ টাকা মাত্র , আমরা আগে বেশী দামে কিনে অনেক লোকশান দিয়েছি , আমাদের পাশে অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে । আমি নিজে তিনকৌটি টাকা লোকশান দিয়ে বসে আছি ।আমার পক্ষে যখন আর কারখানা চালানোর মত ছিল না , তখন আমরা কারখানা বন্ধ না করে সকল চা চাষীদের অনুরোধ করি যে আপনারা আমাদিগকে ছোট মানের ভালো চা পাতা সরবরাহ করুন , উহার দাম কিছুটা কম হলেও উভয়ের লোকশানের ঝুকি নেই , সবশেষে আমি নিজে অনুরোধ করার পরও সফল হতে পারিনী । পরবর্তীতেও চা চাষীভাই গন আমাদের চাপ দিয়ে তাঁদের লম্বা চা পাতা দিতে থাকে , সভা করে , অনেক ভাবে সমস্যা করছে ।
আমি বারংবার চাষীদের বলেছি আমাদের তিন পাতা একটি কুড়ি ছোট চা পাতা সরবরাহ করুন যাহা আমরা নিজেরা নিজেদের মাধ্যমে সুলতান চা নামে বিক্রয় করবো , যাহাতে কোন সমস্যা হবে না ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক লৎফর রহমান মিঠু,প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু তোরাব মানিক, ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সংগ্রামী বাংলার সম্পাদক আব্দুল লতিফ, প্রথম আলো পত্রিকার প্রতিনিধি মজিবর রহমান খান,সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুল ইসলাম বিপ্লব,যমুনা টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি পার্থ সারথি দাস, রোড প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল করিম,প্রেসক্লাবের সাবেক সহ – সভাপতি শাহীন ফেরদৌস,সাপ্তাহিক বাংলার আলো পত্রিকার সম্পাদক প্রশান্ত কুমার দাস, গোলাম সারোয়ার সম্রাট, মো: হারুন অর রশিদ ,দৈনিক নওরোজ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মেহেদী হাসান প্রমুখ।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

জনপ্রিয় সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে গ্রীন ফিল্ড টি ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেডের সাংবাদিক সম্মেলন

আপডেট টাইম ০৩:৫৯:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

>স্টাফ রিপোর্টার:;ঠাকুরগাঁওয়ে গ্রীন ফিল্ড টি ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেডের আয়োজনে সাংবাদিক সম্মেলন আনুষ্ঠিত হয়েছে
কয়েকদিন ধরে সংবাদপত্রে ঠাকুরগাঁও জেলার একমাত্র চা ফ্যাক্টরি গ্রীণ ফিল্ড ট্রি এন্ড ইন্ডাষ্টিজ বিষয়ে চা -চাষীদের হয়রানী, চা পাতা কমদামে ক্রয় বিভন্ন বিষয়ে চা -চাষীগণ সভাকরে এবং চা- চাষী কল্যাণ সমিতি গঠন করে। এঅভিযোগের ভিত্তিতে গ্রীণ ফিল্ড ট্রি ইন্ডাষ্টিজের চেয়ারম্যান ফয়জুল ইসলাম হিরু ব্যাখা দিয়েছেন।
রবিবার ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের আনিসুর হক মিলনায়তনে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মুনসুর আলীর সভাপতিত্বে ঠাকুরগাঁও জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণের সাথে বিস্তারিত তুলে ধরেন গ্রীন ফিল্ড টি ইন্ডাষ্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: ফয়জুল ইসলাম হিরু ।তিনি বলেন, আমাকে আপনার পাঠকদের মাঝে কথা বলার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য । আসল ঘটনা হলো , এ বছরের শুরু থেকে ভারত থেকে ব্যপক ভাবে চোরাই পথে কম দামের চা আসা শুরু হয় , যাহা আমরা যথাসময়ে কতৃপক্ষকে অবহিত করি কিন্তুু কতৃপক্ষ কোনোভাবে ঠেকাতে পারেননি , যাহা আমাদের সকল চা চাষীদের চরমভাবে লোকশান বয়ে নিয়ে আসে , যেখানে গত বছর চায়ের দাম ছিল কেজি ২৭০ -৮০ টাকা , সেখানে এবছর দাম হলো কেজি ১১০-১১৭ টাকা মাত্র , আমরা আগে বেশী দামে কিনে অনেক লোকশান দিয়েছি , আমাদের পাশে অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে । আমি নিজে তিনকৌটি টাকা লোকশান দিয়ে বসে আছি ।আমার পক্ষে যখন আর কারখানা চালানোর মত ছিল না , তখন আমরা কারখানা বন্ধ না করে সকল চা চাষীদের অনুরোধ করি যে আপনারা আমাদিগকে ছোট মানের ভালো চা পাতা সরবরাহ করুন , উহার দাম কিছুটা কম হলেও উভয়ের লোকশানের ঝুকি নেই , সবশেষে আমি নিজে অনুরোধ করার পরও সফল হতে পারিনী । পরবর্তীতেও চা চাষীভাই গন আমাদের চাপ দিয়ে তাঁদের লম্বা চা পাতা দিতে থাকে , সভা করে , অনেক ভাবে সমস্যা করছে ।
আমি বারংবার চাষীদের বলেছি আমাদের তিন পাতা একটি কুড়ি ছোট চা পাতা সরবরাহ করুন যাহা আমরা নিজেরা নিজেদের মাধ্যমে সুলতান চা নামে বিক্রয় করবো , যাহাতে কোন সমস্যা হবে না ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক লৎফর রহমান মিঠু,প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু তোরাব মানিক, ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সংগ্রামী বাংলার সম্পাদক আব্দুল লতিফ, প্রথম আলো পত্রিকার প্রতিনিধি মজিবর রহমান খান,সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুল ইসলাম বিপ্লব,যমুনা টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি পার্থ সারথি দাস, রোড প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল করিম,প্রেসক্লাবের সাবেক সহ – সভাপতি শাহীন ফেরদৌস,সাপ্তাহিক বাংলার আলো পত্রিকার সম্পাদক প্রশান্ত কুমার দাস, গোলাম সারোয়ার সম্রাট, মো: হারুন অর রশিদ ,দৈনিক নওরোজ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মেহেদী হাসান প্রমুখ।