ঢাকা ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
স্বাস্থ্য-মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা অভিভাবকহীন পীরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,হুমকির মুখে স্বাস্থ্য সেবা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা, এডহক ডাক্তারের প্রভাবে প্রশ্নবিদ্ধ ঠাকুরগাঁওয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ–যেন দেখার কেউ নেই ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক বিভাগের একটি চিঠিতে আতঙ্কিত জমির মালিক চাপা উত্তেজনা পীরগঞ্জে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, এসপি বরাবর অভিযোগ পীরগঞ্জ আল-হাসানা স্কুল এন্ড কলেজের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ স্থাপেনর সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে : মির্জা ফখরুল কর্তব্যরত অবস্থায় ঠাকুরগায়ের পীরগঞ্জ থানার এক এএসআই’র মৃত্যু যখন গনতন্ত্র চাপা থাকে তখন উগ্রবাদী শক্তিগলোর উল্থন ঘটে,তারা মাথা চাড়া দিয়ে উঠে-ঠাকুরগায়ে মির্জা ফখরুল ঠাকুরগায়ের ৩ টি আসনেই বিএনপি’র বিজয়,প্রতিদ্বন্দিতা করেছে জামায়াত ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির অর্ধ-কোটি টাকাসহ আটক,এলাকায় চাঞ্চল্য

বাবরি মসজিদের স্থানে মন্দির : বিকল্প জমি দেয়ার নির্দেশ মুসলিমদের ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের রায়

বাবরি মসজিদ মামলার ‘বিতর্কিত’ রায়ে অসন্তুষ্টির কথা জানিয়েছে ভারতীয় মুসলিমদের ঐক্যবদ্ধ সংগঠন অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ড। শনিবার সকালে ভারতের প্রধান-বিচারপতি রঞ্জন গগৈর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বেঞ্চের দেয়ার রায়ের পরই তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানায় সংগঠনটি। সুপ্রিম কোর্টে মুসলমানদের প্রতিনিধিত্বকারী আইনজীবী জাফরইয়াব জিলানি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বাবরি মসজিদের জমির মালিকানার পক্ষে সব ধরনের প্রমাণ সুপ্রিমকোর্ট স্বীকার করেছে। অযোধ্যায় ১৫২৮ সালে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল। ১৯৪৯ সালের ২২/২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত সেখানে নিয়মিত নামাজ আদায়ের বিষয়টিও বিচারকরা স্বীকার করেছেন। আইনজীবী জাফরইয়াব জিলানি বলেন, এটা ন্যায়বিচার হতে পারে না। ইসলাম ধর্মে মসজিদ কখনও পরিবর্তন হতে পারে না। যেখানে একবার মসজিদ নির্মিত হয়, সে জায়গাটি মসজিদেরই থাকে। মসজিদ স্থানান্তরিত করার কোনো সুযোগ নেই। এদিকে অযোধ্যায় ৪৬০ বছরের পুরনো বাবরি মসজিদ গুঁড়িয়ে দেয়ার ঘটনা আইনের লঙ্ঘন ছিল বলে জানিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। মসজিদটির জায়গায় হিন্দুদের মন্দির নির্মাণের রায়ের পাশাপাশি নতুন একটি মসজিদ নির্মাণে শহরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা জমি বরাদ্দেরও নির্দেশ দিয়েছেন ভারতের সর্বোচ্চ আদালত। আর সেই জমি অধিগ্রহণ করতে হবে ভারতীয় সরকারকে। কয়েক দশক ধরে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটিতে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা একটি ইস্যুর এভাবেই সমাধান দিয়েছেন আদালত। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বেঞ্চের এই সর্বসম্মত রায়ে দেশটিতে হিন্দু-মুসলমান বিরোধে তৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। ভারতের ১৩০ কোটি জনসংখ্যার ১৪ শতাংশ মুসলমান। মামলার একটি পক্ষ সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড রায়ের রিভিউর জন্য আবেদন করতে পারেন। এতে আরেকটি দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের দিকে যাবে এই ইস্যুটি।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

স্বাস্থ্য-মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা অভিভাবকহীন পীরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,হুমকির মুখে স্বাস্থ্য সেবা

বাবরি মসজিদের স্থানে মন্দির : বিকল্প জমি দেয়ার নির্দেশ মুসলিমদের ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের রায়

আপডেট টাইম ০৫:২৬:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ নভেম্বর ২০১৯

বাবরি মসজিদ মামলার ‘বিতর্কিত’ রায়ে অসন্তুষ্টির কথা জানিয়েছে ভারতীয় মুসলিমদের ঐক্যবদ্ধ সংগঠন অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ড। শনিবার সকালে ভারতের প্রধান-বিচারপতি রঞ্জন গগৈর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বেঞ্চের দেয়ার রায়ের পরই তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানায় সংগঠনটি। সুপ্রিম কোর্টে মুসলমানদের প্রতিনিধিত্বকারী আইনজীবী জাফরইয়াব জিলানি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বাবরি মসজিদের জমির মালিকানার পক্ষে সব ধরনের প্রমাণ সুপ্রিমকোর্ট স্বীকার করেছে। অযোধ্যায় ১৫২৮ সালে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল। ১৯৪৯ সালের ২২/২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত সেখানে নিয়মিত নামাজ আদায়ের বিষয়টিও বিচারকরা স্বীকার করেছেন। আইনজীবী জাফরইয়াব জিলানি বলেন, এটা ন্যায়বিচার হতে পারে না। ইসলাম ধর্মে মসজিদ কখনও পরিবর্তন হতে পারে না। যেখানে একবার মসজিদ নির্মিত হয়, সে জায়গাটি মসজিদেরই থাকে। মসজিদ স্থানান্তরিত করার কোনো সুযোগ নেই। এদিকে অযোধ্যায় ৪৬০ বছরের পুরনো বাবরি মসজিদ গুঁড়িয়ে দেয়ার ঘটনা আইনের লঙ্ঘন ছিল বলে জানিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। মসজিদটির জায়গায় হিন্দুদের মন্দির নির্মাণের রায়ের পাশাপাশি নতুন একটি মসজিদ নির্মাণে শহরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা জমি বরাদ্দেরও নির্দেশ দিয়েছেন ভারতের সর্বোচ্চ আদালত। আর সেই জমি অধিগ্রহণ করতে হবে ভারতীয় সরকারকে। কয়েক দশক ধরে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটিতে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা একটি ইস্যুর এভাবেই সমাধান দিয়েছেন আদালত। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বেঞ্চের এই সর্বসম্মত রায়ে দেশটিতে হিন্দু-মুসলমান বিরোধে তৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। ভারতের ১৩০ কোটি জনসংখ্যার ১৪ শতাংশ মুসলমান। মামলার একটি পক্ষ সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড রায়ের রিভিউর জন্য আবেদন করতে পারেন। এতে আরেকটি দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের দিকে যাবে এই ইস্যুটি।