সংবাদ শিরোনাম
পীরগঞ্জে হিন্দু ধর্মীয় দুর্গা-পূজার জন্য অনুদান বিতরন একটি আদর্শ, একটি স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দেবার ক্ষেত্রে এটি নি:সন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ন মাইলফলক-পরিচালক ইত্তাশাম-উল-হক পীরগঞ্জে ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত চেরকুঘাট সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন চেরকুঘাট সেতুর উদ্বোধন করলেন এমপি জাহিদুর ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলে অন্ত: প্রতিযোগীতা ইংলিশ অলিম্পিয়ার্ড ও বিজ্ঞান উৎসবের উদ্বোধন পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর টিকা দেয়ার কারনে আজ দেশ থেকে গুটি বসন্ত রোগ চিরতরে বিদায় হয়েছে, তেমনি করে গরু ছাগলকেও টিকা দেয়ার বিকল্প নেই-ঠাকুরগাঁওয়ে লাইভষ্টক পরিচালক ডা: আব্দুল হাই সরকার ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নৈতিক শিক্ষা আর নীতি আদর্শ না থাকলে কোনো শিক্ষাই জীবনে কাজে আসবেনা-আল-হাসানাহ পরিচালক মিম ঠাকুরগাঁওয়ে ‘এন্টি-মাইক্রোবিয়াল রেজিস্টেন্স’ রোধে প্রাণিসম্পদ বিভাগের মতবিনিময় সভা ঠাকুরগাঁওয়ের হবি গরুর খামার করে এখন চিজ ফ্যাক্টরীর মালিক

বাবরি মসজিদের স্থানে মন্দির : বিকল্প জমি দেয়ার নির্দেশ মুসলিমদের ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের রায়

বাবরি মসজিদ মামলার ‘বিতর্কিত’ রায়ে অসন্তুষ্টির কথা জানিয়েছে ভারতীয় মুসলিমদের ঐক্যবদ্ধ সংগঠন অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ড। শনিবার সকালে ভারতের প্রধান-বিচারপতি রঞ্জন গগৈর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বেঞ্চের দেয়ার রায়ের পরই তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানায় সংগঠনটি। সুপ্রিম কোর্টে মুসলমানদের প্রতিনিধিত্বকারী আইনজীবী জাফরইয়াব জিলানি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বাবরি মসজিদের জমির মালিকানার পক্ষে সব ধরনের প্রমাণ সুপ্রিমকোর্ট স্বীকার করেছে। অযোধ্যায় ১৫২৮ সালে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল। ১৯৪৯ সালের ২২/২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত সেখানে নিয়মিত নামাজ আদায়ের বিষয়টিও বিচারকরা স্বীকার করেছেন। আইনজীবী জাফরইয়াব জিলানি বলেন, এটা ন্যায়বিচার হতে পারে না। ইসলাম ধর্মে মসজিদ কখনও পরিবর্তন হতে পারে না। যেখানে একবার মসজিদ নির্মিত হয়, সে জায়গাটি মসজিদেরই থাকে। মসজিদ স্থানান্তরিত করার কোনো সুযোগ নেই। এদিকে অযোধ্যায় ৪৬০ বছরের পুরনো বাবরি মসজিদ গুঁড়িয়ে দেয়ার ঘটনা আইনের লঙ্ঘন ছিল বলে জানিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। মসজিদটির জায়গায় হিন্দুদের মন্দির নির্মাণের রায়ের পাশাপাশি নতুন একটি মসজিদ নির্মাণে শহরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা জমি বরাদ্দেরও নির্দেশ দিয়েছেন ভারতের সর্বোচ্চ আদালত। আর সেই জমি অধিগ্রহণ করতে হবে ভারতীয় সরকারকে। কয়েক দশক ধরে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটিতে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা একটি ইস্যুর এভাবেই সমাধান দিয়েছেন আদালত। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বেঞ্চের এই সর্বসম্মত রায়ে দেশটিতে হিন্দু-মুসলমান বিরোধে তৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। ভারতের ১৩০ কোটি জনসংখ্যার ১৪ শতাংশ মুসলমান। মামলার একটি পক্ষ সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড রায়ের রিভিউর জন্য আবেদন করতে পারেন। এতে আরেকটি দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের দিকে যাবে এই ইস্যুটি।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

পীরগঞ্জে হিন্দু ধর্মীয় দুর্গা-পূজার জন্য অনুদান বিতরন

বাবরি মসজিদের স্থানে মন্দির : বিকল্প জমি দেয়ার নির্দেশ মুসলিমদের ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের রায়

আপডেট টাইম ০৫:২৬:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ নভেম্বর ২০১৯

বাবরি মসজিদ মামলার ‘বিতর্কিত’ রায়ে অসন্তুষ্টির কথা জানিয়েছে ভারতীয় মুসলিমদের ঐক্যবদ্ধ সংগঠন অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ড। শনিবার সকালে ভারতের প্রধান-বিচারপতি রঞ্জন গগৈর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বেঞ্চের দেয়ার রায়ের পরই তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানায় সংগঠনটি। সুপ্রিম কোর্টে মুসলমানদের প্রতিনিধিত্বকারী আইনজীবী জাফরইয়াব জিলানি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বাবরি মসজিদের জমির মালিকানার পক্ষে সব ধরনের প্রমাণ সুপ্রিমকোর্ট স্বীকার করেছে। অযোধ্যায় ১৫২৮ সালে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল। ১৯৪৯ সালের ২২/২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত সেখানে নিয়মিত নামাজ আদায়ের বিষয়টিও বিচারকরা স্বীকার করেছেন। আইনজীবী জাফরইয়াব জিলানি বলেন, এটা ন্যায়বিচার হতে পারে না। ইসলাম ধর্মে মসজিদ কখনও পরিবর্তন হতে পারে না। যেখানে একবার মসজিদ নির্মিত হয়, সে জায়গাটি মসজিদেরই থাকে। মসজিদ স্থানান্তরিত করার কোনো সুযোগ নেই। এদিকে অযোধ্যায় ৪৬০ বছরের পুরনো বাবরি মসজিদ গুঁড়িয়ে দেয়ার ঘটনা আইনের লঙ্ঘন ছিল বলে জানিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। মসজিদটির জায়গায় হিন্দুদের মন্দির নির্মাণের রায়ের পাশাপাশি নতুন একটি মসজিদ নির্মাণে শহরের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা জমি বরাদ্দেরও নির্দেশ দিয়েছেন ভারতের সর্বোচ্চ আদালত। আর সেই জমি অধিগ্রহণ করতে হবে ভারতীয় সরকারকে। কয়েক দশক ধরে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটিতে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা একটি ইস্যুর এভাবেই সমাধান দিয়েছেন আদালত। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বেঞ্চের এই সর্বসম্মত রায়ে দেশটিতে হিন্দু-মুসলমান বিরোধে তৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। ভারতের ১৩০ কোটি জনসংখ্যার ১৪ শতাংশ মুসলমান। মামলার একটি পক্ষ সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড রায়ের রিভিউর জন্য আবেদন করতে পারেন। এতে আরেকটি দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের দিকে যাবে এই ইস্যুটি।