ঢাকা ১১:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

স্বপ্নের আবাসন যেন অনন্য নজির

স্টাফ রিপোটার-ঠাকুরগাঁও::প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের আবাসন নিয়ে যে মুহুত্বে সারাদেশের কিছু কিছু স্থানে নজিরবিহীন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, ঠিক সে মুহুত্বে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় গৃহহীনদের জন্য নির্মিত আবাসন যেন অনন্য নজির স্থাপন করেছে। এসব আবাসন নির্মিত হয়েছে উন্নত মানের মেটেরিয়াল আর সুদক্ষ ব্যবস্থাপনায়। অনেকেই বলছেন এটি বাস্তু ভিটামাটি বঞ্চিতদের স্বপ্নের ঠিকানা। এসব উন্নত রঙিন পাকা বাড়ি পেয়ে ভূমিহীনদের ভাগ্য শুধু বদলায়নি হয়েছে আশ্রয়হীনদের নিরাপদ আশ্রয়ও।
জানা গেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ উপজেলায় প্রথম পর্যায়ে বাড়ি প্রতি ১ লক্ষ ৭১ হাজার টাকায় ৩শ’৫৫টি এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ১ লক্ষ ৯১ হাজার টাকায় ৫শ’ টি রঙিন পাকা বাড়ি নির্মাণ করেছে উপজেলা প্রশাসন। নির্মিত রঙিন পাকা বাড়ি গুলো কয়েক দফায় তদন্ত করে প্রকৃত ভূমিহীনদের চিহ্নিত করে সিংহ ভাগ বাড়ি সম্প্রতি তাদের কে হস্তান্তর করা হয়েছে। যারা এসব বাড়ী পেযেছেন তারা প্রকৃত অসহায় ও বাস্তুভিটাহীন। ঘর গুলো নির্মাণ কাজের সময় উন্নত মানের ইট, সিমেন্ট, বালু, দরজা জানালার জন্যে জাপানী ম্যাট সিট, উন্নত মানের অন্যান্য উপকরণ ও দক্ষ জনবল দিয়ে নির্মাণ করেছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রেজাউল করিম ও কমিটির অপর সদস্যরা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের স্টিমেটের সাথে শতভাগ মিল রেখে নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করেও ক্ষান্ত হননি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও তার টিমের সদস্যরা। রঙিন পাকা বাড়ি গুলো আধুনিক, নিরাপদ, দীর্ঘ মেয়াদী ও প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নকে শতভাগ বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে স্টিমেটের বাহিরে ঘর গুলোতে নিলটনে উন্নত মানের লোহার রড সংযোজন করা হয়েছে।
নির্মাণ কাজ চলাকালে কঠোর ভাবে কাজ তদারকি করেন উপজেলা চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ নেতা আলহাজ মো.আখতারুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রেজাউল করিম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ তরিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মোঃ শামীম আক্তার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ তারিফুল ইসলাম ও সংশ্লিষ্ট ইউ’পি চেয়ারম্যানগণ। ঘর নির্মানে জাপানী ম্যাট সিট ও লোহার রড সংযোজন করায় ঘর গুলোর স্থায়িত্ব অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই আবাসন সরেজমিন পরিদর্শন ও বিচার বিশ্লেষণ করলে দেশ সেরা আবাসন হিসেবে বিবেচিত হবে বলে বিজ্ঞজনরা মনে করছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রেজাউল করিম জানান প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে আমি ও আমার অপর সদস্যরা অনেক আন্তরিকতা, সততা ও দক্ষতার সাথে ঘর গুলো আধুনিক রুপে নির্মাণ করেছি ্এবং বরাদ্দের বাইরেও কিছু বেশি দেয়ার চেষ্টা করেছি, যা কালের সাক্ষী হয়ে থাকবে। আবাসন এলাকায় গেলে মনে হয় এ যেন এক আধুনিক শহর। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সততা ও দায়িত্বশীলতা এই আবাসনকে করেছে দীপ্তিময়, সৌন্দর্যমন্ডিত ও দেশ সেরা।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

স্বপ্নের আবাসন যেন অনন্য নজির

আপডেট টাইম ০৩:১২:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুলাই ২০২১

স্টাফ রিপোটার-ঠাকুরগাঁও::প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের আবাসন নিয়ে যে মুহুত্বে সারাদেশের কিছু কিছু স্থানে নজিরবিহীন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, ঠিক সে মুহুত্বে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় গৃহহীনদের জন্য নির্মিত আবাসন যেন অনন্য নজির স্থাপন করেছে। এসব আবাসন নির্মিত হয়েছে উন্নত মানের মেটেরিয়াল আর সুদক্ষ ব্যবস্থাপনায়। অনেকেই বলছেন এটি বাস্তু ভিটামাটি বঞ্চিতদের স্বপ্নের ঠিকানা। এসব উন্নত রঙিন পাকা বাড়ি পেয়ে ভূমিহীনদের ভাগ্য শুধু বদলায়নি হয়েছে আশ্রয়হীনদের নিরাপদ আশ্রয়ও।
জানা গেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ উপজেলায় প্রথম পর্যায়ে বাড়ি প্রতি ১ লক্ষ ৭১ হাজার টাকায় ৩শ’৫৫টি এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ১ লক্ষ ৯১ হাজার টাকায় ৫শ’ টি রঙিন পাকা বাড়ি নির্মাণ করেছে উপজেলা প্রশাসন। নির্মিত রঙিন পাকা বাড়ি গুলো কয়েক দফায় তদন্ত করে প্রকৃত ভূমিহীনদের চিহ্নিত করে সিংহ ভাগ বাড়ি সম্প্রতি তাদের কে হস্তান্তর করা হয়েছে। যারা এসব বাড়ী পেযেছেন তারা প্রকৃত অসহায় ও বাস্তুভিটাহীন। ঘর গুলো নির্মাণ কাজের সময় উন্নত মানের ইট, সিমেন্ট, বালু, দরজা জানালার জন্যে জাপানী ম্যাট সিট, উন্নত মানের অন্যান্য উপকরণ ও দক্ষ জনবল দিয়ে নির্মাণ করেছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রেজাউল করিম ও কমিটির অপর সদস্যরা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের স্টিমেটের সাথে শতভাগ মিল রেখে নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করেও ক্ষান্ত হননি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও তার টিমের সদস্যরা। রঙিন পাকা বাড়ি গুলো আধুনিক, নিরাপদ, দীর্ঘ মেয়াদী ও প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নকে শতভাগ বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে স্টিমেটের বাহিরে ঘর গুলোতে নিলটনে উন্নত মানের লোহার রড সংযোজন করা হয়েছে।
নির্মাণ কাজ চলাকালে কঠোর ভাবে কাজ তদারকি করেন উপজেলা চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ নেতা আলহাজ মো.আখতারুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রেজাউল করিম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ তরিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মোঃ শামীম আক্তার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ তারিফুল ইসলাম ও সংশ্লিষ্ট ইউ’পি চেয়ারম্যানগণ। ঘর নির্মানে জাপানী ম্যাট সিট ও লোহার রড সংযোজন করায় ঘর গুলোর স্থায়িত্ব অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই আবাসন সরেজমিন পরিদর্শন ও বিচার বিশ্লেষণ করলে দেশ সেরা আবাসন হিসেবে বিবেচিত হবে বলে বিজ্ঞজনরা মনে করছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রেজাউল করিম জানান প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে আমি ও আমার অপর সদস্যরা অনেক আন্তরিকতা, সততা ও দক্ষতার সাথে ঘর গুলো আধুনিক রুপে নির্মাণ করেছি ্এবং বরাদ্দের বাইরেও কিছু বেশি দেয়ার চেষ্টা করেছি, যা কালের সাক্ষী হয়ে থাকবে। আবাসন এলাকায় গেলে মনে হয় এ যেন এক আধুনিক শহর। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সততা ও দায়িত্বশীলতা এই আবাসনকে করেছে দীপ্তিময়, সৌন্দর্যমন্ডিত ও দেশ সেরা।