ঢাকা ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা, এডহক ডাক্তারের প্রভাবে প্রশ্নবিদ্ধ ঠাকুরগাঁওয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ–যেন দেখার কেউ নেই ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক বিভাগের একটি চিঠিতে আতঙ্কিত জমির মালিক চাপা উত্তেজনা পীরগঞ্জে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, এসপি বরাবর অভিযোগ পীরগঞ্জ আল-হাসানা স্কুল এন্ড কলেজের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ স্থাপেনর সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে : মির্জা ফখরুল কর্তব্যরত অবস্থায় ঠাকুরগায়ের পীরগঞ্জ থানার এক এএসআই’র মৃত্যু যখন গনতন্ত্র চাপা থাকে তখন উগ্রবাদী শক্তিগলোর উল্থন ঘটে,তারা মাথা চাড়া দিয়ে উঠে-ঠাকুরগায়ে মির্জা ফখরুল ঠাকুরগায়ের ৩ টি আসনেই বিএনপি’র বিজয়,প্রতিদ্বন্দিতা করেছে জামায়াত ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির অর্ধ-কোটি টাকাসহ আটক,এলাকায় চাঞ্চল্য ঠাকুরগাঁয়ে হ্যাঁ ভোটের প্রচারনায় শ্রম উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার এম শাখাওয়াত

ঠাকুরগাঁওয়ের চাঞ্চল্যকর ইসাাহাক হত্যার জট খুলছে, ৩ ঘাতক গ্রেপ্তার

আজম রেহমান:: অবশেষে ঈদের আগের রাতে দোকান থেকে নিজ বাড়ীতে ফেরার পথে হত্যার শিকার জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার জাবরহাট গ্রামের ব্যবসায়ী ইসাহাকের হত্যার রহস্য খুলতে শুরু করেছে। পুলিশ ইতোমধ্যে ৩ সন্দেহভাজন খুনিকে আটক করতে সক্ষম হলেও অপর ২ জন আত্নগোপনে আছেন। গত ১৯ জুলাই দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টা থেকে ১.২৫ এর মধ্যে অজ্ঞাত সন্ত্রাশীদের আক্রমনে খুন হয় কম্পিউটার ও ফটোস্টাট দোকানী ইসাহাক আলী(২৮)। তাকে জবাই করে তার কাছে থাকা কিছু টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায় দুবৃত্তরা। পরদিন ইসাহাকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ব্যাপারে ইউসুফ আলী বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে পীরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু করে। যার নং ১১ তারিখ ২০.৭.২১ ইং। ধারা ৩০২/৩৪ দ.বি.। মামলার তদন্তকারী অফিসার মো.আশরাফুল ইসলাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হত্যার পর পরই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া নয়ন(২৫) পিতা ইকরামুল কে ঢাকা থেকে আটক করে ২৮ জুলাই সন্ধায় পীরগঞ্জে নিয়ে আসেন। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী দিনাজপুর থেকে অপর ২ আসামী বৈরচুনা গ্রামের আরিফুল ইসলাম পিতা আজাহারুল ইসলাম ও চন্দরিয়া গ্রামের মেজবাহ কে গ্রেপ্তার করেন। এবং তাদের স্বীকারোক্তি মোকবেক পলাতক আসামী আশরাফুলের বাড়ীর খড়ির ঢিপি থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ১ টি চাকু ও ১ টি লোহার রড উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে টাকার জন্য এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। হত্যার পর ইসাহাকের কাছে থাকা ১ লক্ষ ৩৭ হাজার টাকা তারা ৫ জনে ভাগাভাগি করে নেয় বলে জানা গেছে। চাঞ্চল্যকর এই ক্লুলেস হত্যাকান্ডের মোটিভ উদ্ঘাটন ও আসামী গ্রেপ্তারে সার্বক্ষনিক তদারকি ও নেতৃত্ব দেন সহকারী পুলিশ সুপার আহসান হাবিব. অফিসার ইনজার্চ প্রদিপ কুমার রায় ও ইন্সপ্ক্টের তদন্ত খাইরুল ইসলাম ডন।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা, এডহক ডাক্তারের প্রভাবে প্রশ্নবিদ্ধ ঠাকুরগাঁওয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ–যেন দেখার কেউ নেই

ঠাকুরগাঁওয়ের চাঞ্চল্যকর ইসাাহাক হত্যার জট খুলছে, ৩ ঘাতক গ্রেপ্তার

আপডেট টাইম ০৫:৩৮:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১

আজম রেহমান:: অবশেষে ঈদের আগের রাতে দোকান থেকে নিজ বাড়ীতে ফেরার পথে হত্যার শিকার জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার জাবরহাট গ্রামের ব্যবসায়ী ইসাহাকের হত্যার রহস্য খুলতে শুরু করেছে। পুলিশ ইতোমধ্যে ৩ সন্দেহভাজন খুনিকে আটক করতে সক্ষম হলেও অপর ২ জন আত্নগোপনে আছেন। গত ১৯ জুলাই দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টা থেকে ১.২৫ এর মধ্যে অজ্ঞাত সন্ত্রাশীদের আক্রমনে খুন হয় কম্পিউটার ও ফটোস্টাট দোকানী ইসাহাক আলী(২৮)। তাকে জবাই করে তার কাছে থাকা কিছু টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায় দুবৃত্তরা। পরদিন ইসাহাকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ব্যাপারে ইউসুফ আলী বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে পীরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু করে। যার নং ১১ তারিখ ২০.৭.২১ ইং। ধারা ৩০২/৩৪ দ.বি.। মামলার তদন্তকারী অফিসার মো.আশরাফুল ইসলাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হত্যার পর পরই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া নয়ন(২৫) পিতা ইকরামুল কে ঢাকা থেকে আটক করে ২৮ জুলাই সন্ধায় পীরগঞ্জে নিয়ে আসেন। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী দিনাজপুর থেকে অপর ২ আসামী বৈরচুনা গ্রামের আরিফুল ইসলাম পিতা আজাহারুল ইসলাম ও চন্দরিয়া গ্রামের মেজবাহ কে গ্রেপ্তার করেন। এবং তাদের স্বীকারোক্তি মোকবেক পলাতক আসামী আশরাফুলের বাড়ীর খড়ির ঢিপি থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ১ টি চাকু ও ১ টি লোহার রড উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে টাকার জন্য এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। হত্যার পর ইসাহাকের কাছে থাকা ১ লক্ষ ৩৭ হাজার টাকা তারা ৫ জনে ভাগাভাগি করে নেয় বলে জানা গেছে। চাঞ্চল্যকর এই ক্লুলেস হত্যাকান্ডের মোটিভ উদ্ঘাটন ও আসামী গ্রেপ্তারে সার্বক্ষনিক তদারকি ও নেতৃত্ব দেন সহকারী পুলিশ সুপার আহসান হাবিব. অফিসার ইনজার্চ প্রদিপ কুমার রায় ও ইন্সপ্ক্টের তদন্ত খাইরুল ইসলাম ডন।