সংবাদ শিরোনাম
টিকা দেয়ার কারনে আজ দেশ থেকে গুটি বসন্ত রোগ চিরতরে বিদায় হয়েছে, তেমনি করে গরু ছাগলকেও টিকা দেয়ার বিকল্প নেই-ঠাকুরগাঁওয়ে লাইভষ্টক পরিচালক ডা: আব্দুল হাই সরকার ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নৈতিক শিক্ষা আর নীতি আদর্শ না থাকলে কোনো শিক্ষাই জীবনে কাজে আসবেনা-আল-হাসানাহ পরিচালক মিম ঠাকুরগাঁওয়ে ‘এন্টি-মাইক্রোবিয়াল রেজিস্টেন্স’ রোধে প্রাণিসম্পদ বিভাগের মতবিনিময় সভা ঠাকুরগাঁওয়ের হবি গরুর খামার করে এখন চিজ ফ্যাক্টরীর মালিক পীরগঞ্জে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কর্মশালা পীরগঞ্জে নাশকতা চেষ্টার অভিযোগে ২ জন আটক ‘এন্টি মাইক্রোবিয়াল রেজিষ্টেন্স’ রোধে প্রানিসম্পদ বিভাগের ষ্টেক-হোল্ডারদের মত-বিনিময় সভা আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত প্রাণিসম্পদ বিভাগের দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ফ্রি ভ্যাকসিনেশন ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত:

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চেয়ে শেখ হাসিনার ফাঁসির দাবি

২০০৯ সালে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ পুনর্তদন্ত ও এর ‘পরিকল্পনাকারী’ শেখ হাসিনার ফাঁসির দাবি জানিয়েছে সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী সরকারি চাকরিজীবী পরিবার সমবায় সমিতি লিমিটেড।

বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে সমিতির বক্তারা এ দাবি জানান।

বক্তব্যে সমিতির সভাপতি শফিকুর রহমান জামাল বলেন, দেশ শাসনে শেখ হাসিনা ভারতের আস্থা, বিশ্বাস অর্জন ও সহযোগিতার জন্য পরিকল্পিতভাবে দরবার অনুষ্ঠানে সেনা অফিসারদের একত্রিত করে হত্যার মহোৎসব চালিয়েছিল বলে আমরা বিশ্বাস করি। আমরা ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন হত্যার নিরপেক্ষ পুনর্তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। সরকার এই হত্যাকাণ্ডকে বিডিআর বিদ্রোহ হিসেবে বললেও মূলত এটা ছিল সেনা অফিসারদের হত্যার ছক।

তিনি বলেন, সেদিনের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের নাটের গুরু ছিলেন শেখ হাসিনাসহ তার প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা তারেক সিদ্দিকী। সরকার নিজেই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে নিরপরাধ অফিসার ও জোয়ানদের ফাঁসিয়ে শত শত বিডিআর সদস্যকে মৃত্যুদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার জোয়ানকে চাকরিচ্যুত করেছিল। যার ফলে আমরা গত ১৬ বছর ধরে মানবেতর জীবনযাপন করছি।

শফিকুর রহমান জামাল বলেন, কোটা সংস্কারে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী-জনতা, নারী-শিশুদের পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক সেনাবাহিনী ও বিডিআর ভাইদের হত্যা ছাড়াও ক্ষমতায় আঁকড়ে থাকতে রাষ্ট্রের নাগরিক ও সমাজের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশবাহিনীকেও ব্যবহার করে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। আমরা খুনি হাসিনা ও তার দোসরদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে মিথ্যা সাক্ষী না দেওয়ায় ও চাকরিচ্যুত নিরপরাধ বিডিআর সদস্যদের চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি জানাচ্ছি।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

টিকা দেয়ার কারনে আজ দেশ থেকে গুটি বসন্ত রোগ চিরতরে বিদায় হয়েছে, তেমনি করে গরু ছাগলকেও টিকা দেয়ার বিকল্প নেই-ঠাকুরগাঁওয়ে লাইভষ্টক পরিচালক ডা: আব্দুল হাই সরকার

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চেয়ে শেখ হাসিনার ফাঁসির দাবি

আপডেট টাইম ০৪:৫৮:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৪

২০০৯ সালে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ পুনর্তদন্ত ও এর ‘পরিকল্পনাকারী’ শেখ হাসিনার ফাঁসির দাবি জানিয়েছে সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী সরকারি চাকরিজীবী পরিবার সমবায় সমিতি লিমিটেড।

বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে সমিতির বক্তারা এ দাবি জানান।

বক্তব্যে সমিতির সভাপতি শফিকুর রহমান জামাল বলেন, দেশ শাসনে শেখ হাসিনা ভারতের আস্থা, বিশ্বাস অর্জন ও সহযোগিতার জন্য পরিকল্পিতভাবে দরবার অনুষ্ঠানে সেনা অফিসারদের একত্রিত করে হত্যার মহোৎসব চালিয়েছিল বলে আমরা বিশ্বাস করি। আমরা ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন হত্যার নিরপেক্ষ পুনর্তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। সরকার এই হত্যাকাণ্ডকে বিডিআর বিদ্রোহ হিসেবে বললেও মূলত এটা ছিল সেনা অফিসারদের হত্যার ছক।

তিনি বলেন, সেদিনের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের নাটের গুরু ছিলেন শেখ হাসিনাসহ তার প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা তারেক সিদ্দিকী। সরকার নিজেই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে নিরপরাধ অফিসার ও জোয়ানদের ফাঁসিয়ে শত শত বিডিআর সদস্যকে মৃত্যুদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার জোয়ানকে চাকরিচ্যুত করেছিল। যার ফলে আমরা গত ১৬ বছর ধরে মানবেতর জীবনযাপন করছি।

শফিকুর রহমান জামাল বলেন, কোটা সংস্কারে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী-জনতা, নারী-শিশুদের পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক সেনাবাহিনী ও বিডিআর ভাইদের হত্যা ছাড়াও ক্ষমতায় আঁকড়ে থাকতে রাষ্ট্রের নাগরিক ও সমাজের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশবাহিনীকেও ব্যবহার করে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। আমরা খুনি হাসিনা ও তার দোসরদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে মিথ্যা সাক্ষী না দেওয়ায় ও চাকরিচ্যুত নিরপরাধ বিডিআর সদস্যদের চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি জানাচ্ছি।