সংবাদ শিরোনাম
আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত প্রাণিসম্পদ বিভাগের দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ফ্রি ভ্যাকসিনেশন ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত: ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলের অন্ত:স্কুল শিখন ও গনিত উৎসব-২৬ অনুষ্ঠিত “আমিষেই শক্তি, আমিষেই মুক্তি” প্রতিপাদ্য নিয়ে পীরগঞ্জে   প্রানিসম্পদের ফ্রি-মেডিকেল ক্যাম্প ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শরিয়াহভিত্তিক ইসলামিক রাষ্ট্র নয়, বাংলাদেশের মানুষ উদারপন্থি রাজনীতি করতে চায়-ঠাকুরগাঁও বিএনপি’র বর্ধিত সভায় মির্জা ফখরুল ব্র্যাক’র স্বপ্নসারথী দলের কিশোরীদের মাঝে শিক্ষা সহায়তা প্রদান সম্পন্ন রংপুর বিভাগীয় পরিচালকের পীরগঞ্জ প্রানিসম্পদ দপ্তরের সম্প্রসারন কার্যক্রম পরিদর্শন পীরগঞ্জ পেৌরসভার ৫২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা পীরগঞ্জে বৃক্ষরােপন কর্মসূচীর উদ্বোধন পীরগঞ্জে স্বপ্ন-সারথিদের মাঝে গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান

স্বজনদের আহাজারিতে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি

আজম রেহমান,সারাদিন ডেস্ক:: কাঠমান্ডুতে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে নিহত বাংলাদেশিদের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। আজ সোমবার বাদ আসর ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর স্বজনদের কাছে লাশ বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় সেখানে প্রিয়জনের লাশ নিতে আসা স্বজনদের আহাজারিতে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

জানাজায় নিহতদের স্বজন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষ অংশ নেয়। জানাজা শেষে নিহতদের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়।রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে তাঁর সামরিক সচিব, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, স্পিকার শিরিন শারমীন চৌধুরী নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ ছাড়া আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পক্ষ থেকে পৃথকভাবে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এ সময় সেনাবাহিনীর প্রধান ও বিমানবাহিনীর প্রধান সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

জানাজা ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে লাশ স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।এর আগে বিকেল চারটার দিকে ২৩ বাংলাদেশির লাশ দেশে এসে পৌঁছে। বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ উড়োজাহাজ হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সোয়া চারটার দিকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের কাছে লাশগুলো হস্তান্তর করেন বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরার। সেখান থেকে ১৯টি গাড়িতে করে লাশগুলো নেওয়া হয় আর্মি স্টেডিয়ামে।

আজ সোমবার সকালে কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশ দূতাবাসে নিহতদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। গত সোমবার ইউএস-বাংলার বিএস-২১১ উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে নিহত হন ৪৯ জন।এর আগে বিকেল চারটার দিকে মরদেহগুলো নিয়ে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ উড়োজাহাজ হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

বিমানবন্দরের ভিভিআইপি টার্মিনালে একে একে মরদেহগুলো নামিয়ে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত গাড়িতে ওঠানো হয়। ১৯টি গাড়িতে ২৩টি মরদেহ তোলা হয়। কফিনের ওপর যুক্ত নম্বর সঙ্গে মিলিয়ে গাড়িতে মরদেহগুলো ওঠানো হয়। এক নম্বর কফিনটি ছিল ইউএস বাংলার পাইলট আবিদ সুলতানের মেরদেহ। দুই নম্বর কফিনে ছিল কোপাইলট পৃথুলা রশিদের মরদেহ। এ ছাড়া রাফিকুজ্জামান, তাঁর স্ত্রী সানজিদা হক ও ছেলে অনিরুদ্ধ জামানের মরদেহ ১৩ নম্বর গাড়িতে, ৬ নম্বর গাড়িতে নেওয়া হয় প্রিয়ক ও তাঁর মেয়ে তামারা প্রিয়ন্ময়ীর মৃতদেহ। ১০ নম্বর গাড়িতে বেগম হুরুন নাহার বিলকিস বানু ও মো. ইমাম হাসানের মরদেহ রাখা হয়।বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে মরদেহগুলো বিমানবন্দর থেকে সরাসরি আর্মি স্টেডিয়ামে আনা হয়। সেখানে ২৩ যাত্রীর মৃতদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে তাঁরা হলেন আহমেদ ফয়সল, বিলকিস আরা, বেগম হুরুন নাহার বিলকিস বানু, আক্তারা বেগম, নাজিয়া আফরিন চৌধুরী, রাকিবুল হাসান, সানজিদা হক, ইমাম হাসান , আঁখি মণি, মিনহাজ বিন নাসির, এফ এইচ প্রিয়ক, তামারা প্রিয়ন্ময়ী, মতিউর রহমান, এস এম মাহমুদুর রহমান, তাহিরা তানভীন শশী, উম্মে সালমা, অনিরুদ্ধ জামান, নুরুজ্জামান ও রফিক উজ জামান, চার বিমান ক্রুর পাইলট আবিদ সুলতান, কো পাইলট পৃথুলা রশীদ, কেবিন ক্রু খাজা হোসেন মোহাম্মদ শফি ও শারমিন আক্তার।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত

স্বজনদের আহাজারিতে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি

আপডেট টাইম ০৮:৫৯:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ মার্চ ২০১৮

আজম রেহমান,সারাদিন ডেস্ক:: কাঠমান্ডুতে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে নিহত বাংলাদেশিদের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। আজ সোমবার বাদ আসর ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর স্বজনদের কাছে লাশ বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় সেখানে প্রিয়জনের লাশ নিতে আসা স্বজনদের আহাজারিতে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

জানাজায় নিহতদের স্বজন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষ অংশ নেয়। জানাজা শেষে নিহতদের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়।রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে তাঁর সামরিক সচিব, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, স্পিকার শিরিন শারমীন চৌধুরী নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ ছাড়া আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পক্ষ থেকে পৃথকভাবে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এ সময় সেনাবাহিনীর প্রধান ও বিমানবাহিনীর প্রধান সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

জানাজা ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে লাশ স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।এর আগে বিকেল চারটার দিকে ২৩ বাংলাদেশির লাশ দেশে এসে পৌঁছে। বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ উড়োজাহাজ হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সোয়া চারটার দিকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের কাছে লাশগুলো হস্তান্তর করেন বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরার। সেখান থেকে ১৯টি গাড়িতে করে লাশগুলো নেওয়া হয় আর্মি স্টেডিয়ামে।

আজ সোমবার সকালে কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশ দূতাবাসে নিহতদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। গত সোমবার ইউএস-বাংলার বিএস-২১১ উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে নিহত হন ৪৯ জন।এর আগে বিকেল চারটার দিকে মরদেহগুলো নিয়ে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ উড়োজাহাজ হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

বিমানবন্দরের ভিভিআইপি টার্মিনালে একে একে মরদেহগুলো নামিয়ে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত গাড়িতে ওঠানো হয়। ১৯টি গাড়িতে ২৩টি মরদেহ তোলা হয়। কফিনের ওপর যুক্ত নম্বর সঙ্গে মিলিয়ে গাড়িতে মরদেহগুলো ওঠানো হয়। এক নম্বর কফিনটি ছিল ইউএস বাংলার পাইলট আবিদ সুলতানের মেরদেহ। দুই নম্বর কফিনে ছিল কোপাইলট পৃথুলা রশিদের মরদেহ। এ ছাড়া রাফিকুজ্জামান, তাঁর স্ত্রী সানজিদা হক ও ছেলে অনিরুদ্ধ জামানের মরদেহ ১৩ নম্বর গাড়িতে, ৬ নম্বর গাড়িতে নেওয়া হয় প্রিয়ক ও তাঁর মেয়ে তামারা প্রিয়ন্ময়ীর মৃতদেহ। ১০ নম্বর গাড়িতে বেগম হুরুন নাহার বিলকিস বানু ও মো. ইমাম হাসানের মরদেহ রাখা হয়।বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে মরদেহগুলো বিমানবন্দর থেকে সরাসরি আর্মি স্টেডিয়ামে আনা হয়। সেখানে ২৩ যাত্রীর মৃতদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে তাঁরা হলেন আহমেদ ফয়সল, বিলকিস আরা, বেগম হুরুন নাহার বিলকিস বানু, আক্তারা বেগম, নাজিয়া আফরিন চৌধুরী, রাকিবুল হাসান, সানজিদা হক, ইমাম হাসান , আঁখি মণি, মিনহাজ বিন নাসির, এফ এইচ প্রিয়ক, তামারা প্রিয়ন্ময়ী, মতিউর রহমান, এস এম মাহমুদুর রহমান, তাহিরা তানভীন শশী, উম্মে সালমা, অনিরুদ্ধ জামান, নুরুজ্জামান ও রফিক উজ জামান, চার বিমান ক্রুর পাইলট আবিদ সুলতান, কো পাইলট পৃথুলা রশীদ, কেবিন ক্রু খাজা হোসেন মোহাম্মদ শফি ও শারমিন আক্তার।