সংবাদ শিরোনাম
আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত প্রাণিসম্পদ বিভাগের দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ফ্রি ভ্যাকসিনেশন ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত: ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলের অন্ত:স্কুল শিখন ও গনিত উৎসব-২৬ অনুষ্ঠিত “আমিষেই শক্তি, আমিষেই মুক্তি” প্রতিপাদ্য নিয়ে পীরগঞ্জে   প্রানিসম্পদের ফ্রি-মেডিকেল ক্যাম্প ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শরিয়াহভিত্তিক ইসলামিক রাষ্ট্র নয়, বাংলাদেশের মানুষ উদারপন্থি রাজনীতি করতে চায়-ঠাকুরগাঁও বিএনপি’র বর্ধিত সভায় মির্জা ফখরুল ব্র্যাক’র স্বপ্নসারথী দলের কিশোরীদের মাঝে শিক্ষা সহায়তা প্রদান সম্পন্ন রংপুর বিভাগীয় পরিচালকের পীরগঞ্জ প্রানিসম্পদ দপ্তরের সম্প্রসারন কার্যক্রম পরিদর্শন পীরগঞ্জ পেৌরসভার ৫২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা পীরগঞ্জে বৃক্ষরােপন কর্মসূচীর উদ্বোধন পীরগঞ্জে স্বপ্ন-সারথিদের মাঝে গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান

তৃতীয় দিন শেষেই কলম্বো টেস্ট জয়ের দ্বারপ্রান্তে শ্রীলংকা

তৃতীয় দিন শেষেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে কলম্বো টেস্ট জয়ের দ্বারপ্রান্তে স্বাগতিক শ্রীলংকা। ম্যাচ জয়ের জন্য তৃতীয় দিন দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৪৯০ রানের বড় টার্গেট দেয় লংকানরা। জয়ের টার্গেট পেয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে নেমে দিন শেষে ৫ উইকেটে ১৩৯ রান করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ম্যাচ জয়ের জন্য বাকী ৫ উইকেটে আরও ৩৪১ রান করতে হবে প্রোটিয়ারদের। প্রথম ইনিংসে ৩৩৮ রানের পর ৫ উইকেটে ২৭৫ রান তুলে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে শ্রীলংকা। প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকা করেছিলো ১২৪ রান।
দ্বিতীয় দিনই দক্ষিণ আফ্রিকাকে প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে দিয়ে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে শ্রীলংকা। ৩ উইকেটে ১৫১ রান তুলে দিন শেষ করে লংকারা। দিমুথ করুনারত্নে ৫৯ ও অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ ১২ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন। সেঞ্চুরির আশা জাগিয়ে ৮৫ রানে থামেন করুনারত্নে। তার ১৩৬ বলের ইনিংসে ১২টি চার ছিলো। প্রথম ইনিংসে ৫৩ রান করেছিলেন তিনি।
করুনারত্নের মত নিজের ইনিংস বড় করেছেন ম্যাথুজ। হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নিয়েও নিজের ইনিংস আরো বড় করার পথে এ টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার সফল বোলার কেশভ মহারাজের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করেন ম্যাথুজ। ৭টি চারে ১৪৭ বল মোকাবেলায় ৭১ রানে থেমে যান শ্রীলংকার সাবেক অধিনায়ক ম্যাথুজ।
দলীয় ২৬৩ রানে ম্যাথুজের আউটের কিছুক্ষণ পরই নিজেদের ইনিংস ঘোষণা করে শ্রীলংকা। এসময় তাদের রান ছিলো ৫ উইকেটে ২৭৫। ইনিংস ঘোষণার সময় রোশন সিলভা ৩২ ও উইকেটরক্ষক নিরোশান ডিকবেলা ৭ রানে অপরাজিত ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে ৪০ ওভারে ১৫৪ রানে ৩ উইকেট নেন মহারাজ। প্রথম ইনিংসে ১২৯ রানে ৯ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। পুরো ম্যাচে মহারাজের বোলিং ফিগার ২৮৩ রানে ১২ উইকেট। এই প্রথমবারের মত ম্যাচে ১০ বা ততোধিক উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করলেন তিনি। সেই সাথে শ্রীলংকার মাটিতে সফরকারী দলের কোন বোলারের এক ম্যাচে এটিই সেরা বোলিং ফিগার।

জয়ের জন্য ৪৯০ রানের বড় টার্গেট পেয়ে দেখে-শুনে শুরু করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ওপেনার ডিন এলগার ও আইডেন মার্করাম। কিন্তু দলীয় ২৩ রানে দক্ষিণ আফ্রিকার শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন শ্রীলংকার বর্ষীয়ান স্পিনার রঙ্গনা হেরাথ। ১৪ রান করা মার্করামকে বিদায় করেন হেরাথ।
এরপর ৫৭ রানের জুটি গড়েন এলগার ও থিউনিস ডি ব্রুইন। ৩৭ রান করা এলগারকে বিদায় দিয়ে শ্রীলংকাকে দ্বিতীয় সাফল্য এনে দেন দিলরুয়ান পেরেরা। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকার মিডল-অর্ডারে ১৩ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে শ্রীলংকাকে জয়ের স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেন হেরাথ ও আকিলা ধনঞ্জয়া।
চার নম্বরে নামা হাশিম আমলাকে ৬ রানের বেশি করতে দেননি হেরাথ। প্রোটিয়া অধিনায়ক ফাফ ডু-প্লেসিসকে ৭ ও মহারাজকে শুন্য রানে থামিয়ে দেন ধনঞ্জয়া। দিন শেষে ব্রুইন ৪৫ ও তেম্বা বাভুমা ১৪ রানে অপরাজিত আছেন। শ্রীলংকার হেরাথ ও ধনঞ্জয়া ২টি করে উইকেট নেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
শ্রীলংকা : ৩৩৮ ও ২৭৫/৫ডি, ৮১ ওভার (করুনারতেœ ৮৫, ম্যাথুজ ৭১, মহারাজ ৩/১৫৪)।
দক্ষিণ আফ্রিকা : ১৩৯/৫, ৪১ ওভার (ব্রুইন ৪৫*, এলগার ৩৭, ধনঞ্জয়া ২/৩৫)।
Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত

তৃতীয় দিন শেষেই কলম্বো টেস্ট জয়ের দ্বারপ্রান্তে শ্রীলংকা

আপডেট টাইম ১১:৪৯:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুলাই ২০১৮
তৃতীয় দিন শেষেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে কলম্বো টেস্ট জয়ের দ্বারপ্রান্তে স্বাগতিক শ্রীলংকা। ম্যাচ জয়ের জন্য তৃতীয় দিন দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৪৯০ রানের বড় টার্গেট দেয় লংকানরা। জয়ের টার্গেট পেয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে নেমে দিন শেষে ৫ উইকেটে ১৩৯ রান করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ম্যাচ জয়ের জন্য বাকী ৫ উইকেটে আরও ৩৪১ রান করতে হবে প্রোটিয়ারদের। প্রথম ইনিংসে ৩৩৮ রানের পর ৫ উইকেটে ২৭৫ রান তুলে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে শ্রীলংকা। প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকা করেছিলো ১২৪ রান।
দ্বিতীয় দিনই দক্ষিণ আফ্রিকাকে প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে দিয়ে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে শ্রীলংকা। ৩ উইকেটে ১৫১ রান তুলে দিন শেষ করে লংকারা। দিমুথ করুনারত্নে ৫৯ ও অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ ১২ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন। সেঞ্চুরির আশা জাগিয়ে ৮৫ রানে থামেন করুনারত্নে। তার ১৩৬ বলের ইনিংসে ১২টি চার ছিলো। প্রথম ইনিংসে ৫৩ রান করেছিলেন তিনি।
করুনারত্নের মত নিজের ইনিংস বড় করেছেন ম্যাথুজ। হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নিয়েও নিজের ইনিংস আরো বড় করার পথে এ টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার সফল বোলার কেশভ মহারাজের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করেন ম্যাথুজ। ৭টি চারে ১৪৭ বল মোকাবেলায় ৭১ রানে থেমে যান শ্রীলংকার সাবেক অধিনায়ক ম্যাথুজ।
দলীয় ২৬৩ রানে ম্যাথুজের আউটের কিছুক্ষণ পরই নিজেদের ইনিংস ঘোষণা করে শ্রীলংকা। এসময় তাদের রান ছিলো ৫ উইকেটে ২৭৫। ইনিংস ঘোষণার সময় রোশন সিলভা ৩২ ও উইকেটরক্ষক নিরোশান ডিকবেলা ৭ রানে অপরাজিত ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে ৪০ ওভারে ১৫৪ রানে ৩ উইকেট নেন মহারাজ। প্রথম ইনিংসে ১২৯ রানে ৯ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। পুরো ম্যাচে মহারাজের বোলিং ফিগার ২৮৩ রানে ১২ উইকেট। এই প্রথমবারের মত ম্যাচে ১০ বা ততোধিক উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করলেন তিনি। সেই সাথে শ্রীলংকার মাটিতে সফরকারী দলের কোন বোলারের এক ম্যাচে এটিই সেরা বোলিং ফিগার।

জয়ের জন্য ৪৯০ রানের বড় টার্গেট পেয়ে দেখে-শুনে শুরু করেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ওপেনার ডিন এলগার ও আইডেন মার্করাম। কিন্তু দলীয় ২৩ রানে দক্ষিণ আফ্রিকার শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন শ্রীলংকার বর্ষীয়ান স্পিনার রঙ্গনা হেরাথ। ১৪ রান করা মার্করামকে বিদায় করেন হেরাথ।
এরপর ৫৭ রানের জুটি গড়েন এলগার ও থিউনিস ডি ব্রুইন। ৩৭ রান করা এলগারকে বিদায় দিয়ে শ্রীলংকাকে দ্বিতীয় সাফল্য এনে দেন দিলরুয়ান পেরেরা। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকার মিডল-অর্ডারে ১৩ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে শ্রীলংকাকে জয়ের স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেন হেরাথ ও আকিলা ধনঞ্জয়া।
চার নম্বরে নামা হাশিম আমলাকে ৬ রানের বেশি করতে দেননি হেরাথ। প্রোটিয়া অধিনায়ক ফাফ ডু-প্লেসিসকে ৭ ও মহারাজকে শুন্য রানে থামিয়ে দেন ধনঞ্জয়া। দিন শেষে ব্রুইন ৪৫ ও তেম্বা বাভুমা ১৪ রানে অপরাজিত আছেন। শ্রীলংকার হেরাথ ও ধনঞ্জয়া ২টি করে উইকেট নেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
শ্রীলংকা : ৩৩৮ ও ২৭৫/৫ডি, ৮১ ওভার (করুনারতেœ ৮৫, ম্যাথুজ ৭১, মহারাজ ৩/১৫৪)।
দক্ষিণ আফ্রিকা : ১৩৯/৫, ৪১ ওভার (ব্রুইন ৪৫*, এলগার ৩৭, ধনঞ্জয়া ২/৩৫)।