সংবাদ শিরোনাম
৪২-বিজিবি দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন এর বিশেষ অভিযান, বিরল সীমান্তে ভারতীয় মদ উদ্ধার ৪২-বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে ঠাকুরগাঁও-দিনাজপুর সীমান্ত এলাকায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক উদ্ধার সীমান্তের ১৩ টি পূজা মন্ডবে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেছে ৪২ বিজিবির সদস্যরা পীরগঞ্জে দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ন করতে উপজেলা প্রশাসনের মত-বিনীময় সভা পীরগঞ্জে হিন্দু ধর্মীয় দুর্গা-পূজার জন্য অনুদান বিতরন একটি আদর্শ, একটি স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দেবার ক্ষেত্রে এটি নি:সন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ন মাইলফলক-পরিচালক ইত্তাশাম-উল-হক পীরগঞ্জে ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত চেরকুঘাট সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন চেরকুঘাট সেতুর উদ্বোধন করলেন এমপি জাহিদুর ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলে অন্ত: প্রতিযোগীতা ইংলিশ অলিম্পিয়ার্ড ও বিজ্ঞান উৎসবের উদ্বোধন পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর টিকা দেয়ার কারনে আজ দেশ থেকে গুটি বসন্ত রোগ চিরতরে বিদায় হয়েছে, তেমনি করে গরু ছাগলকেও টিকা দেয়ার বিকল্প নেই-ঠাকুরগাঁওয়ে লাইভষ্টক পরিচালক ডা: আব্দুল হাই সরকার

ঠাকুরগাঁওয়ের চাঞ্চল্যকর ইসাাহাক হত্যার জট খুলছে, ৩ ঘাতক গ্রেপ্তার

আজম রেহমান:: অবশেষে ঈদের আগের রাতে দোকান থেকে নিজ বাড়ীতে ফেরার পথে হত্যার শিকার জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার জাবরহাট গ্রামের ব্যবসায়ী ইসাহাকের হত্যার রহস্য খুলতে শুরু করেছে। পুলিশ ইতোমধ্যে ৩ সন্দেহভাজন খুনিকে আটক করতে সক্ষম হলেও অপর ২ জন আত্নগোপনে আছেন। গত ১৯ জুলাই দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টা থেকে ১.২৫ এর মধ্যে অজ্ঞাত সন্ত্রাশীদের আক্রমনে খুন হয় কম্পিউটার ও ফটোস্টাট দোকানী ইসাহাক আলী(২৮)। তাকে জবাই করে তার কাছে থাকা কিছু টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায় দুবৃত্তরা। পরদিন ইসাহাকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ব্যাপারে ইউসুফ আলী বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে পীরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু করে। যার নং ১১ তারিখ ২০.৭.২১ ইং। ধারা ৩০২/৩৪ দ.বি.। মামলার তদন্তকারী অফিসার মো.আশরাফুল ইসলাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হত্যার পর পরই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া নয়ন(২৫) পিতা ইকরামুল কে ঢাকা থেকে আটক করে ২৮ জুলাই সন্ধায় পীরগঞ্জে নিয়ে আসেন। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী দিনাজপুর থেকে অপর ২ আসামী বৈরচুনা গ্রামের আরিফুল ইসলাম পিতা আজাহারুল ইসলাম ও চন্দরিয়া গ্রামের মেজবাহ কে গ্রেপ্তার করেন। এবং তাদের স্বীকারোক্তি মোকবেক পলাতক আসামী আশরাফুলের বাড়ীর খড়ির ঢিপি থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ১ টি চাকু ও ১ টি লোহার রড উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে টাকার জন্য এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। হত্যার পর ইসাহাকের কাছে থাকা ১ লক্ষ ৩৭ হাজার টাকা তারা ৫ জনে ভাগাভাগি করে নেয় বলে জানা গেছে। চাঞ্চল্যকর এই ক্লুলেস হত্যাকান্ডের মোটিভ উদ্ঘাটন ও আসামী গ্রেপ্তারে সার্বক্ষনিক তদারকি ও নেতৃত্ব দেন সহকারী পুলিশ সুপার আহসান হাবিব. অফিসার ইনজার্চ প্রদিপ কুমার রায় ও ইন্সপ্ক্টের তদন্ত খাইরুল ইসলাম ডন।

 

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২-বিজিবি দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন এর বিশেষ অভিযান, বিরল সীমান্তে ভারতীয় মদ উদ্ধার

ঠাকুরগাঁওয়ের চাঞ্চল্যকর ইসাাহাক হত্যার জট খুলছে, ৩ ঘাতক গ্রেপ্তার

আপডেট টাইম ০৫:৩৭:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১

আজম রেহমান:: অবশেষে ঈদের আগের রাতে দোকান থেকে নিজ বাড়ীতে ফেরার পথে হত্যার শিকার জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার জাবরহাট গ্রামের ব্যবসায়ী ইসাহাকের হত্যার রহস্য খুলতে শুরু করেছে। পুলিশ ইতোমধ্যে ৩ সন্দেহভাজন খুনিকে আটক করতে সক্ষম হলেও অপর ২ জন আত্নগোপনে আছেন। গত ১৯ জুলাই দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টা থেকে ১.২৫ এর মধ্যে অজ্ঞাত সন্ত্রাশীদের আক্রমনে খুন হয় কম্পিউটার ও ফটোস্টাট দোকানী ইসাহাক আলী(২৮)। তাকে জবাই করে তার কাছে থাকা কিছু টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায় দুবৃত্তরা। পরদিন ইসাহাকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ব্যাপারে ইউসুফ আলী বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে পীরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু করে। যার নং ১১ তারিখ ২০.৭.২১ ইং। ধারা ৩০২/৩৪ দ.বি.। মামলার তদন্তকারী অফিসার মো.আশরাফুল ইসলাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হত্যার পর পরই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া নয়ন(২৫) পিতা ইকরামুল কে ঢাকা থেকে আটক করে ২৮ জুলাই সন্ধায় পীরগঞ্জে নিয়ে আসেন। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী দিনাজপুর থেকে অপর ২ আসামী বৈরচুনা গ্রামের আরিফুল ইসলাম পিতা আজাহারুল ইসলাম ও চন্দরিয়া গ্রামের মেজবাহ কে গ্রেপ্তার করেন। এবং তাদের স্বীকারোক্তি মোকবেক পলাতক আসামী আশরাফুলের বাড়ীর খড়ির ঢিপি থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ১ টি চাকু ও ১ টি লোহার রড উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে টাকার জন্য এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। হত্যার পর ইসাহাকের কাছে থাকা ১ লক্ষ ৩৭ হাজার টাকা তারা ৫ জনে ভাগাভাগি করে নেয় বলে জানা গেছে। চাঞ্চল্যকর এই ক্লুলেস হত্যাকান্ডের মোটিভ উদ্ঘাটন ও আসামী গ্রেপ্তারে সার্বক্ষনিক তদারকি ও নেতৃত্ব দেন সহকারী পুলিশ সুপার আহসান হাবিব. অফিসার ইনজার্চ প্রদিপ কুমার রায় ও ইন্সপ্ক্টের তদন্ত খাইরুল ইসলাম ডন।