ঢাকা ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
স্বাস্থ্য-মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা অভিভাবকহীন পীরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,হুমকির মুখে স্বাস্থ্য সেবা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা, এডহক ডাক্তারের প্রভাবে প্রশ্নবিদ্ধ ঠাকুরগাঁওয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ–যেন দেখার কেউ নেই ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক বিভাগের একটি চিঠিতে আতঙ্কিত জমির মালিক চাপা উত্তেজনা পীরগঞ্জে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, এসপি বরাবর অভিযোগ পীরগঞ্জ আল-হাসানা স্কুল এন্ড কলেজের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ স্থাপেনর সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে : মির্জা ফখরুল কর্তব্যরত অবস্থায় ঠাকুরগায়ের পীরগঞ্জ থানার এক এএসআই’র মৃত্যু যখন গনতন্ত্র চাপা থাকে তখন উগ্রবাদী শক্তিগলোর উল্থন ঘটে,তারা মাথা চাড়া দিয়ে উঠে-ঠাকুরগায়ে মির্জা ফখরুল ঠাকুরগায়ের ৩ টি আসনেই বিএনপি’র বিজয়,প্রতিদ্বন্দিতা করেছে জামায়াত ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির অর্ধ-কোটি টাকাসহ আটক,এলাকায় চাঞ্চল্য

স্বাধীনতা-বিরোধীদের মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনা তালিকাভুক্তির প্রতিবাদে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাংবাদিক সম্মেলন

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি:: ৩১ জুলাই উপজেলা মক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে রাজাকার আল-বদর, আল সামস পরিবারের সদস্যদের মুক্তিযোদ্ধা এবং বীরাঙ্গনা তালিকাভুক্তির প্রতিবাদ ও গেজেট বাতিলের দাবীতে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার মুক্তিযোদ্ধারা সাংবাদিক সম্মেলন করেছে। তারা অবিলম্বে এই ২ জনের নাম তালিকা থেকে বাদ দেয়া না হলে অবিরাম আন্দোলন কর্মসূচী চালিয়ে যাওয়ার ঘোষনা দেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাকে কমান্ডার মো.ইব্রাহিম খান। তিনি বলেন স্বাধীনতার তীব্র বিরোধিতাকারী রাজাকার আল বদর, আল সামস সদস্য ডা.মুনির উদ্দিন চৌধুরীকে মুক্তিযোদ্ধা ও তার মেয়ে সুফিয়া বেগম কে বীরাঙ্গনা হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। অথচ এরা ছিল খান সেনাদের ঘনিষ্ট সহচর। এদের বাড়ীতে বসেই খান সেনারা নিরস্ত্র এলাকাবাসীর উপর নানাভাবে নির্যাতন চালাতো। সে সময়ে যুবতী সুফিয়া বেগম ছিল পাকিস্থানী কর্নেল জাহিদের সার্বক্ষনিক সঙ্গী। যা নিয়ে এলাকায় তীব্র সমালোচনা ছিল। ৩ ডিসেম্বর ঠাকুরগাঁও মুক্ত দিবসের রাতেই এই ডা.মুনির পরিবার নিয়ে শহরের বাড়ী ছেড়ে বীরহলী গ্রামে গিয়ে আশ্রয় নেয়। সেখানে মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনীর সদস্যরা ঐ বাড়ী ঘেরাও করে অন্যান্য রাজাকারদের সাথে ডা.মুনির ও তার মেয়ে সুফিয়া বেগমকে হত্যা করে এলাকা শত্রুমুক্ত করে।
সম্প্রতি এসব রাজাকারদের নাম মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত করে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রনালয়। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল জামুকার ৭৩ তম সভার সিদ্ধান্তক্রমে তাদের তালিকাভুক্ত করা হয়। এ বিষয়ে স্থানীয় উপজেলা কমিটিকে উপেক্ষা করে তালিকাভুক্ত করায় উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা ও সমমনা ব্যাক্তিবর্গদের সমন্বয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে ডা.মুনির ও তার মেয়ে সুফিয়া বেগমের নাম তালিকাভুক্তির গেজেট বাতিলের দাবী জানানো হয় এই সম্মেলনে।
সম্মেলনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের এমপি উপজেলা বিএনপি সভাপতি মো. জাহিদুর রহমান, সাবেক এমপি উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি মো.ইমদাদুল হক, পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইকরামুল হক, উপজেলা আ’লীগ সাধারন সম্পাদক রেজওয়ানুল হক বিপ্লব, সহ. সভাপতি শামিমুজ্জামান জুযেল, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুজ্জামান প্রমুখ।

 

 

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

স্বাস্থ্য-মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা অভিভাবকহীন পীরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,হুমকির মুখে স্বাস্থ্য সেবা

স্বাধীনতা-বিরোধীদের মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনা তালিকাভুক্তির প্রতিবাদে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাংবাদিক সম্মেলন

আপডেট টাইম ০৪:৩৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি:: ৩১ জুলাই উপজেলা মক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে রাজাকার আল-বদর, আল সামস পরিবারের সদস্যদের মুক্তিযোদ্ধা এবং বীরাঙ্গনা তালিকাভুক্তির প্রতিবাদ ও গেজেট বাতিলের দাবীতে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার মুক্তিযোদ্ধারা সাংবাদিক সম্মেলন করেছে। তারা অবিলম্বে এই ২ জনের নাম তালিকা থেকে বাদ দেয়া না হলে অবিরাম আন্দোলন কর্মসূচী চালিয়ে যাওয়ার ঘোষনা দেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাকে কমান্ডার মো.ইব্রাহিম খান। তিনি বলেন স্বাধীনতার তীব্র বিরোধিতাকারী রাজাকার আল বদর, আল সামস সদস্য ডা.মুনির উদ্দিন চৌধুরীকে মুক্তিযোদ্ধা ও তার মেয়ে সুফিয়া বেগম কে বীরাঙ্গনা হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। অথচ এরা ছিল খান সেনাদের ঘনিষ্ট সহচর। এদের বাড়ীতে বসেই খান সেনারা নিরস্ত্র এলাকাবাসীর উপর নানাভাবে নির্যাতন চালাতো। সে সময়ে যুবতী সুফিয়া বেগম ছিল পাকিস্থানী কর্নেল জাহিদের সার্বক্ষনিক সঙ্গী। যা নিয়ে এলাকায় তীব্র সমালোচনা ছিল। ৩ ডিসেম্বর ঠাকুরগাঁও মুক্ত দিবসের রাতেই এই ডা.মুনির পরিবার নিয়ে শহরের বাড়ী ছেড়ে বীরহলী গ্রামে গিয়ে আশ্রয় নেয়। সেখানে মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনীর সদস্যরা ঐ বাড়ী ঘেরাও করে অন্যান্য রাজাকারদের সাথে ডা.মুনির ও তার মেয়ে সুফিয়া বেগমকে হত্যা করে এলাকা শত্রুমুক্ত করে।
সম্প্রতি এসব রাজাকারদের নাম মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত করে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রনালয়। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল জামুকার ৭৩ তম সভার সিদ্ধান্তক্রমে তাদের তালিকাভুক্ত করা হয়। এ বিষয়ে স্থানীয় উপজেলা কমিটিকে উপেক্ষা করে তালিকাভুক্ত করায় উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা ও সমমনা ব্যাক্তিবর্গদের সমন্বয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে ডা.মুনির ও তার মেয়ে সুফিয়া বেগমের নাম তালিকাভুক্তির গেজেট বাতিলের দাবী জানানো হয় এই সম্মেলনে।
সম্মেলনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের এমপি উপজেলা বিএনপি সভাপতি মো. জাহিদুর রহমান, সাবেক এমপি উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি মো.ইমদাদুল হক, পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইকরামুল হক, উপজেলা আ’লীগ সাধারন সম্পাদক রেজওয়ানুল হক বিপ্লব, সহ. সভাপতি শামিমুজ্জামান জুযেল, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুজ্জামান প্রমুখ।