সংবাদ শিরোনাম
৪২-বিজিবি দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন এর বিশেষ অভিযান, বিরল সীমান্তে ভারতীয় মদ উদ্ধার ৪২-বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে ঠাকুরগাঁও-দিনাজপুর সীমান্ত এলাকায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক উদ্ধার সীমান্তের ১৩ টি পূজা মন্ডবে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেছে ৪২ বিজিবির সদস্যরা পীরগঞ্জে দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ন করতে উপজেলা প্রশাসনের মত-বিনীময় সভা পীরগঞ্জে হিন্দু ধর্মীয় দুর্গা-পূজার জন্য অনুদান বিতরন একটি আদর্শ, একটি স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দেবার ক্ষেত্রে এটি নি:সন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ন মাইলফলক-পরিচালক ইত্তাশাম-উল-হক পীরগঞ্জে ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত চেরকুঘাট সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন চেরকুঘাট সেতুর উদ্বোধন করলেন এমপি জাহিদুর ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলে অন্ত: প্রতিযোগীতা ইংলিশ অলিম্পিয়ার্ড ও বিজ্ঞান উৎসবের উদ্বোধন পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর টিকা দেয়ার কারনে আজ দেশ থেকে গুটি বসন্ত রোগ চিরতরে বিদায় হয়েছে, তেমনি করে গরু ছাগলকেও টিকা দেয়ার বিকল্প নেই-ঠাকুরগাঁওয়ে লাইভষ্টক পরিচালক ডা: আব্দুল হাই সরকার

দেশে হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু সবচেয়ে বেশি

  • Shohel Tanvir
  • আপডেট টাইম ০১:৩৬:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ মে ২০২৩
  • ৩২৬ বার
স্টাফ রিপোর্টার:: দেশের মানুষের মৃত্যুর প্রধান কারণ হৃদরোগ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ‘মনিটরিং দ্য সিচুয়েশন অব ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস অব বাংলাদেশ’ জরিপের ফলাফলে এই তথ্য উঠে এসেছে। বিবিএস বলছে, জরিপের ফলাফলে মৃত্যুর ১৫টি কারণ তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মৃত্যুর ঘটনা সংঘটিত হয়েছে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে এবং হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগের কারণে। যার মধ্যে ২০২১ সালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে প্রতি হাজার জনসংখ্যার বিপরীতে মৃত্যু হয়েছে ২২ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষের। অন্যদিকে হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগে মৃত্যু হয়েছে ৫ দশমিক ১ শতাংশ মানুষের।

হৃদরোগে মৃত্যু বাড়ার কারণ হিসেবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছে, দেশে বায়ুদূষণ আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়া, অস্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ, তামাক ও তামাক জাতীয় দ্রব্যের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং নিয়মিত শরীরচর্চা না করার কারণে দেশে হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত রোগে মৃত্যুর পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে শহরাঞ্চলের তুলনায় গ্রামাঞ্চলের মানুষ বেশি মারা যাচ্ছে। গ্রামাঞ্চলের ২৭ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে। বিপরীতে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে শহরাঞ্চলের মানুষ মারা যাচ্ছে ২১ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই রোগে সবচেয়ে বেশি মারা যাচ্ছে বয়স্ক জনগোষ্ঠী। এই জনগোষ্ঠীর মোট মৃত্যুর ২৩ শতাংশ সংঘটিত হয় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে।

বয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রেও গ্রামাঞ্চলে মৃত্যু হার বেশি। হৃদরোগে মারা যাচ্ছে শিশুরাও। অনূর্ধ্ব পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের মোট মৃত্যুর ঘটনার ৫ দশমিক ৮ শতাংশ সংঘটিত হয় হৃদরোগের কারণে। শহরাঞ্চলের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে এই রোগের কারণে মৃত্যুহার বেশি। অন্যদিকে এই রোগে মারা যাচ্ছে এক বছরের কম বয়সী শিশুরাও। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী ২০২১ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এই বয়সী ২ দশমিক ১ শতাংশ শিশু মারা গেছে।

হৃদরোগের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে এবং হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগে এত মানুষের মৃত্যু হচ্ছে কেন? জানতে চাইলে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং হেলথ অ্যান্ড হোপ স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক ডা. লেলিন চৌধুরী মানবজমিনকে বলেন, প্রাপ্যতার অভাবে কিংবা খাদ্যজ্ঞানের অভাবে আমাদের দেশের বেশির ভাগ মানুষ সুষম খাবার গ্রহণ করেন না। এতে বাংলাদেশের মানুষের শরীরে ট্রাইগ্লিসারাইড নামের এক ধরনের চর্বির পরিমাণ বেশি। আমাদের খাবারের সুষম বিন্যাসের অভাবে এটি হচ্ছে। এতে ভিকটিমদের ধমনীর ভিতরের নালীটি সরু হয়ে যায় এবং হৃদপিণ্ডে রক্ত সঞ্চালন কমে যায়। আর রক্ত সঞ্চালন কমে যাওয়ার কারণে হার্ট অ্যাটাক বৃদ্ধি পায়। এর বাইরে অস্বাস্থ্যজনক জীবনযাপন, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপের কারণে আমাদের দেশে এরূপ রোগের প্রকোপ বাড়ছে বলে জানান তিনি। বলেন, আমাদের দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে না এবং সময়মতো চিকিৎসা নেয় না। এ ছাড়া মানুষের মধ্যে কয়েকটি অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস রয়েছে। সেটা হচ্ছে তামাক এবং তামাক জাতীয় দ্রব্যের ব্যবহার করা। এসব কারণে হৃদরোগ ক্রমশই বাড়ছে বলে জানান তিনি।

এদিকে ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশনের তথ্য বলছে, হৃদরোগের মৃত্যুর ২৫ শতাংশের পেছনে আছে বায়ুদূষণ। বিশ্বে বাতাসের দূষণ নিয়ে কাজ করা সুইজারল্যান্ডভিত্তিক সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) এর তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বছরের বেশির ভাগ সময়ই বাংলাদেশের বিভিন্ন শহরগুলো বায়ুদূষণের শীর্ষে অবস্থান করে। ফলে বাংলাদেশের হৃদরোগের প্রকোপ বাড়ছে।

এ বিষয়ে ডা. লেলিন বলেন, আমাদের দেশে বায়ুদূষণ ক্রমশই বাড়ছে। এটি হৃদরোগের প্রকোপ বাড়ার অন্যতম একটি কারণ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী চার ভাগের এক ভাগ মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হয় দূষিত বায়ুর কারণে। ফলে আমাদের দেশের বায়ু যত বেশি দূষিত হচ্ছে, হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত রোগও ততো বৃদ্ধি পাচ্ছে। সব মিলিয়ে বায়ুদূষণের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়া, অস্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ করা, খাদ্য জ্ঞানের অভাব থাকা, কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার বেশি গ্রহণ, তামাক গ্রহণ ও তামাক জাতীয় দ্রব্যের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং নিয়মিত শরীরচর্চা না করার কারণে বাংলাদেশে হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগের পরিমাণ বাড়ছে।

 

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২-বিজিবি দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন এর বিশেষ অভিযান, বিরল সীমান্তে ভারতীয় মদ উদ্ধার

দেশে হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু সবচেয়ে বেশি

আপডেট টাইম ০১:৩৬:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ মে ২০২৩
স্টাফ রিপোর্টার:: দেশের মানুষের মৃত্যুর প্রধান কারণ হৃদরোগ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ‘মনিটরিং দ্য সিচুয়েশন অব ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস অব বাংলাদেশ’ জরিপের ফলাফলে এই তথ্য উঠে এসেছে। বিবিএস বলছে, জরিপের ফলাফলে মৃত্যুর ১৫টি কারণ তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মৃত্যুর ঘটনা সংঘটিত হয়েছে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে এবং হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগের কারণে। যার মধ্যে ২০২১ সালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে প্রতি হাজার জনসংখ্যার বিপরীতে মৃত্যু হয়েছে ২২ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষের। অন্যদিকে হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগে মৃত্যু হয়েছে ৫ দশমিক ১ শতাংশ মানুষের।

হৃদরোগে মৃত্যু বাড়ার কারণ হিসেবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছে, দেশে বায়ুদূষণ আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়া, অস্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ, তামাক ও তামাক জাতীয় দ্রব্যের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং নিয়মিত শরীরচর্চা না করার কারণে দেশে হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত রোগে মৃত্যুর পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে শহরাঞ্চলের তুলনায় গ্রামাঞ্চলের মানুষ বেশি মারা যাচ্ছে। গ্রামাঞ্চলের ২৭ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে। বিপরীতে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে শহরাঞ্চলের মানুষ মারা যাচ্ছে ২১ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই রোগে সবচেয়ে বেশি মারা যাচ্ছে বয়স্ক জনগোষ্ঠী। এই জনগোষ্ঠীর মোট মৃত্যুর ২৩ শতাংশ সংঘটিত হয় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে।

বয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রেও গ্রামাঞ্চলে মৃত্যু হার বেশি। হৃদরোগে মারা যাচ্ছে শিশুরাও। অনূর্ধ্ব পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের মোট মৃত্যুর ঘটনার ৫ দশমিক ৮ শতাংশ সংঘটিত হয় হৃদরোগের কারণে। শহরাঞ্চলের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে এই রোগের কারণে মৃত্যুহার বেশি। অন্যদিকে এই রোগে মারা যাচ্ছে এক বছরের কম বয়সী শিশুরাও। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী ২০২১ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এই বয়সী ২ দশমিক ১ শতাংশ শিশু মারা গেছে।

হৃদরোগের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে এবং হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগে এত মানুষের মৃত্যু হচ্ছে কেন? জানতে চাইলে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং হেলথ অ্যান্ড হোপ স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক ডা. লেলিন চৌধুরী মানবজমিনকে বলেন, প্রাপ্যতার অভাবে কিংবা খাদ্যজ্ঞানের অভাবে আমাদের দেশের বেশির ভাগ মানুষ সুষম খাবার গ্রহণ করেন না। এতে বাংলাদেশের মানুষের শরীরে ট্রাইগ্লিসারাইড নামের এক ধরনের চর্বির পরিমাণ বেশি। আমাদের খাবারের সুষম বিন্যাসের অভাবে এটি হচ্ছে। এতে ভিকটিমদের ধমনীর ভিতরের নালীটি সরু হয়ে যায় এবং হৃদপিণ্ডে রক্ত সঞ্চালন কমে যায়। আর রক্ত সঞ্চালন কমে যাওয়ার কারণে হার্ট অ্যাটাক বৃদ্ধি পায়। এর বাইরে অস্বাস্থ্যজনক জীবনযাপন, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপের কারণে আমাদের দেশে এরূপ রোগের প্রকোপ বাড়ছে বলে জানান তিনি। বলেন, আমাদের দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে না এবং সময়মতো চিকিৎসা নেয় না। এ ছাড়া মানুষের মধ্যে কয়েকটি অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস রয়েছে। সেটা হচ্ছে তামাক এবং তামাক জাতীয় দ্রব্যের ব্যবহার করা। এসব কারণে হৃদরোগ ক্রমশই বাড়ছে বলে জানান তিনি।

এদিকে ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশনের তথ্য বলছে, হৃদরোগের মৃত্যুর ২৫ শতাংশের পেছনে আছে বায়ুদূষণ। বিশ্বে বাতাসের দূষণ নিয়ে কাজ করা সুইজারল্যান্ডভিত্তিক সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) এর তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বছরের বেশির ভাগ সময়ই বাংলাদেশের বিভিন্ন শহরগুলো বায়ুদূষণের শীর্ষে অবস্থান করে। ফলে বাংলাদেশের হৃদরোগের প্রকোপ বাড়ছে।

এ বিষয়ে ডা. লেলিন বলেন, আমাদের দেশে বায়ুদূষণ ক্রমশই বাড়ছে। এটি হৃদরোগের প্রকোপ বাড়ার অন্যতম একটি কারণ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী চার ভাগের এক ভাগ মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হয় দূষিত বায়ুর কারণে। ফলে আমাদের দেশের বায়ু যত বেশি দূষিত হচ্ছে, হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত রোগও ততো বৃদ্ধি পাচ্ছে। সব মিলিয়ে বায়ুদূষণের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়া, অস্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ করা, খাদ্য জ্ঞানের অভাব থাকা, কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার বেশি গ্রহণ, তামাক গ্রহণ ও তামাক জাতীয় দ্রব্যের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং নিয়মিত শরীরচর্চা না করার কারণে বাংলাদেশে হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগের পরিমাণ বাড়ছে।