ঢাকা ০৯:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা, এডহক ডাক্তারের প্রভাবে প্রশ্নবিদ্ধ ঠাকুরগাঁওয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ–যেন দেখার কেউ নেই ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক বিভাগের একটি চিঠিতে আতঙ্কিত জমির মালিক চাপা উত্তেজনা পীরগঞ্জে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, এসপি বরাবর অভিযোগ পীরগঞ্জ আল-হাসানা স্কুল এন্ড কলেজের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ স্থাপেনর সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে : মির্জা ফখরুল কর্তব্যরত অবস্থায় ঠাকুরগায়ের পীরগঞ্জ থানার এক এএসআই’র মৃত্যু যখন গনতন্ত্র চাপা থাকে তখন উগ্রবাদী শক্তিগলোর উল্থন ঘটে,তারা মাথা চাড়া দিয়ে উঠে-ঠাকুরগায়ে মির্জা ফখরুল ঠাকুরগায়ের ৩ টি আসনেই বিএনপি’র বিজয়,প্রতিদ্বন্দিতা করেছে জামায়াত ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির অর্ধ-কোটি টাকাসহ আটক,এলাকায় চাঞ্চল্য ঠাকুরগাঁয়ে হ্যাঁ ভোটের প্রচারনায় শ্রম উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার এম শাখাওয়াত

‘ডু অর ডাই’ মনোভাবে বিএনপির তৃণমূল নেতারা, চান কঠোর কর্মসূচি

অনলাইন ডেস্ক::   আগামী ২৮ অক্টোবর ঢাকায় মহাসমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। দীর্ঘদিন ধরে দলটি এমন নানা কর্মসূচি পালন করে আসছে। তবে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার মতো  ফলপ্রসূ আন্দোলন এখনো পর্যন্ত করতে পারেনি দলটি। এদিকে ঘনিয়ে আসছে নির্বাচন।

এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি বিএনপির তৃণমূলের নেতাদের মধ্যেও চাপ বাড়ছে। তারা কেন্দ্রেীয় নেতাদের আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে চাপ প্রয়োগ করছেন। দলটির তৃণমূলের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে এসব জানা যায়।

জানা যায়, তৃণমূলের নেতাকর্মীরা ইতোমধ্যে কেন্দ্রকে তাদের মতামত জানিয়ে দিয়েছে। দলটির একাধিক নীতিনির্ধারকও জানান, কঠোর কর্মসূচির বিষয়ে তৃণমূল থেকে চাপ বাড়ছে। তাদের মতামত স্থায়ী কমিটির একাধিক সভায় গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বিএনপির প্রাণ হলো তৃণমূল। সুতরাং আগামী দিনের আন্দোলন তাদের চাওয়া অনুযায়ীই হবে। সেদিকেই যাচ্ছে বিএনপি।

টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল গণমাধ্যমকে বলেন, তৃণমূলের নেতাকর্মীরা অনেক আগে থেকেই কঠোর কর্মসূচি চাচ্ছে। কিন্তু জাতীয় নেতারা চিন্তাভাবনা করেই কর্মসূচি দিচ্ছেন। তবে তৃণমূল নেতাকর্মীর আশা, ২৮ অক্টোবর থেকেই লাগাতার কর্মসূচি দেবে। সেটা হরতাল, অবরোধ বা ঘেরাও কর্মসূচি হতে পারে। ‘ডু অর ডাই’-এমন মনোভাব সবার।

দাবি আদায়ে নেতাকর্মীদের ব্যাপক প্রস্তুতি রয়েছে। আমরা তো সব সময়ই অত্যাচার-নির্যাতন, মামলার মধ্যে আছি। এখন মাঠে নামা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। সময়ও নেই। সামনে নভেম্বরের শুরুতে তফশিল ঘোষণা করতে পারে। এজন্য তৃণমূলের নেতাকর্মীদের আশঙ্কা, নির্বাচন হয়ে গেলে কী হবে। এ জন্য তারা কঠোর কর্মসূচি চাচ্ছে।

একই কথা জানান গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক মিলন। তিনি বলেন, নেতাকর্মীরা একদফার আন্দোলন এগিয়ে নেওয়ার জন্য উদগ্রীব। এজন্য তারা পরবর্তী কঠোর কর্মসূচি চান। একদফা বাস্তবায়নের জন্য যে যে কর্মসূচি দেওয়া দরকার, সে ধরনের কর্মসূচি প্রত্যাশা সবাই করে। গাজীপুরের নেতাকর্মীরাও করছে। তারা যে কোনো কর্মসূচি সফল করার জন্য প্রস্তুত।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা, এডহক ডাক্তারের প্রভাবে প্রশ্নবিদ্ধ ঠাকুরগাঁওয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ–যেন দেখার কেউ নেই

‘ডু অর ডাই’ মনোভাবে বিএনপির তৃণমূল নেতারা, চান কঠোর কর্মসূচি

আপডেট টাইম ০৩:৪০:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক::   আগামী ২৮ অক্টোবর ঢাকায় মহাসমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। দীর্ঘদিন ধরে দলটি এমন নানা কর্মসূচি পালন করে আসছে। তবে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার মতো  ফলপ্রসূ আন্দোলন এখনো পর্যন্ত করতে পারেনি দলটি। এদিকে ঘনিয়ে আসছে নির্বাচন।

এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি বিএনপির তৃণমূলের নেতাদের মধ্যেও চাপ বাড়ছে। তারা কেন্দ্রেীয় নেতাদের আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে চাপ প্রয়োগ করছেন। দলটির তৃণমূলের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে এসব জানা যায়।

জানা যায়, তৃণমূলের নেতাকর্মীরা ইতোমধ্যে কেন্দ্রকে তাদের মতামত জানিয়ে দিয়েছে। দলটির একাধিক নীতিনির্ধারকও জানান, কঠোর কর্মসূচির বিষয়ে তৃণমূল থেকে চাপ বাড়ছে। তাদের মতামত স্থায়ী কমিটির একাধিক সভায় গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বিএনপির প্রাণ হলো তৃণমূল। সুতরাং আগামী দিনের আন্দোলন তাদের চাওয়া অনুযায়ীই হবে। সেদিকেই যাচ্ছে বিএনপি।

টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল গণমাধ্যমকে বলেন, তৃণমূলের নেতাকর্মীরা অনেক আগে থেকেই কঠোর কর্মসূচি চাচ্ছে। কিন্তু জাতীয় নেতারা চিন্তাভাবনা করেই কর্মসূচি দিচ্ছেন। তবে তৃণমূল নেতাকর্মীর আশা, ২৮ অক্টোবর থেকেই লাগাতার কর্মসূচি দেবে। সেটা হরতাল, অবরোধ বা ঘেরাও কর্মসূচি হতে পারে। ‘ডু অর ডাই’-এমন মনোভাব সবার।

দাবি আদায়ে নেতাকর্মীদের ব্যাপক প্রস্তুতি রয়েছে। আমরা তো সব সময়ই অত্যাচার-নির্যাতন, মামলার মধ্যে আছি। এখন মাঠে নামা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। সময়ও নেই। সামনে নভেম্বরের শুরুতে তফশিল ঘোষণা করতে পারে। এজন্য তৃণমূলের নেতাকর্মীদের আশঙ্কা, নির্বাচন হয়ে গেলে কী হবে। এ জন্য তারা কঠোর কর্মসূচি চাচ্ছে।

একই কথা জানান গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক মিলন। তিনি বলেন, নেতাকর্মীরা একদফার আন্দোলন এগিয়ে নেওয়ার জন্য উদগ্রীব। এজন্য তারা পরবর্তী কঠোর কর্মসূচি চান। একদফা বাস্তবায়নের জন্য যে যে কর্মসূচি দেওয়া দরকার, সে ধরনের কর্মসূচি প্রত্যাশা সবাই করে। গাজীপুরের নেতাকর্মীরাও করছে। তারা যে কোনো কর্মসূচি সফল করার জন্য প্রস্তুত।