সংবাদ শিরোনাম
আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত প্রাণিসম্পদ বিভাগের দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ফ্রি ভ্যাকসিনেশন ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত: ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলের অন্ত:স্কুল শিখন ও গনিত উৎসব-২৬ অনুষ্ঠিত “আমিষেই শক্তি, আমিষেই মুক্তি” প্রতিপাদ্য নিয়ে পীরগঞ্জে   প্রানিসম্পদের ফ্রি-মেডিকেল ক্যাম্প ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শরিয়াহভিত্তিক ইসলামিক রাষ্ট্র নয়, বাংলাদেশের মানুষ উদারপন্থি রাজনীতি করতে চায়-ঠাকুরগাঁও বিএনপি’র বর্ধিত সভায় মির্জা ফখরুল ব্র্যাক’র স্বপ্নসারথী দলের কিশোরীদের মাঝে শিক্ষা সহায়তা প্রদান সম্পন্ন রংপুর বিভাগীয় পরিচালকের পীরগঞ্জ প্রানিসম্পদ দপ্তরের সম্প্রসারন কার্যক্রম পরিদর্শন পীরগঞ্জ পেৌরসভার ৫২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা পীরগঞ্জে বৃক্ষরােপন কর্মসূচীর উদ্বোধন পীরগঞ্জে স্বপ্ন-সারথিদের মাঝে গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান

‘ডু অর ডাই’ মনোভাবে বিএনপির তৃণমূল নেতারা, চান কঠোর কর্মসূচি

অনলাইন ডেস্ক::   আগামী ২৮ অক্টোবর ঢাকায় মহাসমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। দীর্ঘদিন ধরে দলটি এমন নানা কর্মসূচি পালন করে আসছে। তবে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার মতো  ফলপ্রসূ আন্দোলন এখনো পর্যন্ত করতে পারেনি দলটি। এদিকে ঘনিয়ে আসছে নির্বাচন।

এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি বিএনপির তৃণমূলের নেতাদের মধ্যেও চাপ বাড়ছে। তারা কেন্দ্রেীয় নেতাদের আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে চাপ প্রয়োগ করছেন। দলটির তৃণমূলের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে এসব জানা যায়।

জানা যায়, তৃণমূলের নেতাকর্মীরা ইতোমধ্যে কেন্দ্রকে তাদের মতামত জানিয়ে দিয়েছে। দলটির একাধিক নীতিনির্ধারকও জানান, কঠোর কর্মসূচির বিষয়ে তৃণমূল থেকে চাপ বাড়ছে। তাদের মতামত স্থায়ী কমিটির একাধিক সভায় গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বিএনপির প্রাণ হলো তৃণমূল। সুতরাং আগামী দিনের আন্দোলন তাদের চাওয়া অনুযায়ীই হবে। সেদিকেই যাচ্ছে বিএনপি।

টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল গণমাধ্যমকে বলেন, তৃণমূলের নেতাকর্মীরা অনেক আগে থেকেই কঠোর কর্মসূচি চাচ্ছে। কিন্তু জাতীয় নেতারা চিন্তাভাবনা করেই কর্মসূচি দিচ্ছেন। তবে তৃণমূল নেতাকর্মীর আশা, ২৮ অক্টোবর থেকেই লাগাতার কর্মসূচি দেবে। সেটা হরতাল, অবরোধ বা ঘেরাও কর্মসূচি হতে পারে। ‘ডু অর ডাই’-এমন মনোভাব সবার।

দাবি আদায়ে নেতাকর্মীদের ব্যাপক প্রস্তুতি রয়েছে। আমরা তো সব সময়ই অত্যাচার-নির্যাতন, মামলার মধ্যে আছি। এখন মাঠে নামা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। সময়ও নেই। সামনে নভেম্বরের শুরুতে তফশিল ঘোষণা করতে পারে। এজন্য তৃণমূলের নেতাকর্মীদের আশঙ্কা, নির্বাচন হয়ে গেলে কী হবে। এ জন্য তারা কঠোর কর্মসূচি চাচ্ছে।

একই কথা জানান গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক মিলন। তিনি বলেন, নেতাকর্মীরা একদফার আন্দোলন এগিয়ে নেওয়ার জন্য উদগ্রীব। এজন্য তারা পরবর্তী কঠোর কর্মসূচি চান। একদফা বাস্তবায়নের জন্য যে যে কর্মসূচি দেওয়া দরকার, সে ধরনের কর্মসূচি প্রত্যাশা সবাই করে। গাজীপুরের নেতাকর্মীরাও করছে। তারা যে কোনো কর্মসূচি সফল করার জন্য প্রস্তুত।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত

‘ডু অর ডাই’ মনোভাবে বিএনপির তৃণমূল নেতারা, চান কঠোর কর্মসূচি

আপডেট টাইম ০৩:৪০:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক::   আগামী ২৮ অক্টোবর ঢাকায় মহাসমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। দীর্ঘদিন ধরে দলটি এমন নানা কর্মসূচি পালন করে আসছে। তবে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার মতো  ফলপ্রসূ আন্দোলন এখনো পর্যন্ত করতে পারেনি দলটি। এদিকে ঘনিয়ে আসছে নির্বাচন।

এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি বিএনপির তৃণমূলের নেতাদের মধ্যেও চাপ বাড়ছে। তারা কেন্দ্রেীয় নেতাদের আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে চাপ প্রয়োগ করছেন। দলটির তৃণমূলের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে এসব জানা যায়।

জানা যায়, তৃণমূলের নেতাকর্মীরা ইতোমধ্যে কেন্দ্রকে তাদের মতামত জানিয়ে দিয়েছে। দলটির একাধিক নীতিনির্ধারকও জানান, কঠোর কর্মসূচির বিষয়ে তৃণমূল থেকে চাপ বাড়ছে। তাদের মতামত স্থায়ী কমিটির একাধিক সভায় গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বিএনপির প্রাণ হলো তৃণমূল। সুতরাং আগামী দিনের আন্দোলন তাদের চাওয়া অনুযায়ীই হবে। সেদিকেই যাচ্ছে বিএনপি।

টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল গণমাধ্যমকে বলেন, তৃণমূলের নেতাকর্মীরা অনেক আগে থেকেই কঠোর কর্মসূচি চাচ্ছে। কিন্তু জাতীয় নেতারা চিন্তাভাবনা করেই কর্মসূচি দিচ্ছেন। তবে তৃণমূল নেতাকর্মীর আশা, ২৮ অক্টোবর থেকেই লাগাতার কর্মসূচি দেবে। সেটা হরতাল, অবরোধ বা ঘেরাও কর্মসূচি হতে পারে। ‘ডু অর ডাই’-এমন মনোভাব সবার।

দাবি আদায়ে নেতাকর্মীদের ব্যাপক প্রস্তুতি রয়েছে। আমরা তো সব সময়ই অত্যাচার-নির্যাতন, মামলার মধ্যে আছি। এখন মাঠে নামা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। সময়ও নেই। সামনে নভেম্বরের শুরুতে তফশিল ঘোষণা করতে পারে। এজন্য তৃণমূলের নেতাকর্মীদের আশঙ্কা, নির্বাচন হয়ে গেলে কী হবে। এ জন্য তারা কঠোর কর্মসূচি চাচ্ছে।

একই কথা জানান গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক মিলন। তিনি বলেন, নেতাকর্মীরা একদফার আন্দোলন এগিয়ে নেওয়ার জন্য উদগ্রীব। এজন্য তারা পরবর্তী কঠোর কর্মসূচি চান। একদফা বাস্তবায়নের জন্য যে যে কর্মসূচি দেওয়া দরকার, সে ধরনের কর্মসূচি প্রত্যাশা সবাই করে। গাজীপুরের নেতাকর্মীরাও করছে। তারা যে কোনো কর্মসূচি সফল করার জন্য প্রস্তুত।