সংবাদ শিরোনাম
আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত প্রাণিসম্পদ বিভাগের দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ফ্রি ভ্যাকসিনেশন ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত: ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলের অন্ত:স্কুল শিখন ও গনিত উৎসব-২৬ অনুষ্ঠিত “আমিষেই শক্তি, আমিষেই মুক্তি” প্রতিপাদ্য নিয়ে পীরগঞ্জে   প্রানিসম্পদের ফ্রি-মেডিকেল ক্যাম্প ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শরিয়াহভিত্তিক ইসলামিক রাষ্ট্র নয়, বাংলাদেশের মানুষ উদারপন্থি রাজনীতি করতে চায়-ঠাকুরগাঁও বিএনপি’র বর্ধিত সভায় মির্জা ফখরুল ব্র্যাক’র স্বপ্নসারথী দলের কিশোরীদের মাঝে শিক্ষা সহায়তা প্রদান সম্পন্ন রংপুর বিভাগীয় পরিচালকের পীরগঞ্জ প্রানিসম্পদ দপ্তরের সম্প্রসারন কার্যক্রম পরিদর্শন পীরগঞ্জ পেৌরসভার ৫২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা পীরগঞ্জে বৃক্ষরােপন কর্মসূচীর উদ্বোধন পীরগঞ্জে স্বপ্ন-সারথিদের মাঝে গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান

রুহিয়ার অনিতা রানী হত্যা মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার

রুহিয়া (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি :ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় অনিতা রানী ঘোষ হত্যা মামলার প্রধান আসামী সাবেক ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম (৫০)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার ভোরে রুহিয়া থানার পুলিশ তাকে আটোয়ারী উপজেলার তোড়েয়া ডুহাপাড়া গ্রাম থেকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ঘনিমহেশপুর (খ্রিষ্টান মিশনপাড়া) গ্রামের সিলপাটা ব্যবসায়ী বাবলু ঘোষের সঙ্গে প্রতিবেশি সাবেক ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলমের মধ্যে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। বাবলু ঘোষের বাড়ির সম্মুখ অংশ দখল করে জাহাঙ্গীর আলম তার প্রথম স্ত্রী লিলি বেগমকে নিয়ে সেখানে বসবাস করে আসছিল। গত বছরের ৫ নভেম্বর সকালে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে নিহত অনিতা ঘোষ এবং আসামী লিলি বেগমের মাঝে বাক বিতন্ডা শুরু হয়।খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে জাহাঙ্গীর আলম মেম্বার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে জাহাঙ্গীর মেম্বার বাশের লাঠি নিয়ে অনিতা ঘোষের মাথায় সজোরে আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীরা তাকে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭ নভেম্বর ভোর সাড়ে ৫ টায় অনিতা রানী মারা যায়। এ ঘটনায় অনিতা ঘোষের স্বামী বাবলু ঘোষ বাদী হয়ে রুহিয়া ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম ও তার স্ত্রী লিলি বেগমকে আসামী করে রুহিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এদিকে জাহাঙ্গীর পলাতক থাকার পর বুধবার ভোরে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। রুহিয়া থানা ওসি (তদন্ত) বাবলু কুমার রায় জানান, আসামী জাহাঙ্গীর মেম্বার ঘটনার পর থেকে পালাতক রয়েছিলেন। তিনি ঘনঘন জায়গা ও মোবাইলের সিম পরিবর্তন করায় তাকে সনাক্ত করা যাচ্ছিল না। অবশেষে তিনি আটোয়ারী উপজেলার তোড়েয়া ইউনিয়নের ডুহাপাড়া গ্রামের অটো চালক আনিসুরের বাড়িতে ৩দিন পূর্বে আশ্রয় নিলে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত

রুহিয়ার অনিতা রানী হত্যা মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার

আপডেট টাইম ০৫:২৪:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯

রুহিয়া (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি :ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় অনিতা রানী ঘোষ হত্যা মামলার প্রধান আসামী সাবেক ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম (৫০)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার ভোরে রুহিয়া থানার পুলিশ তাকে আটোয়ারী উপজেলার তোড়েয়া ডুহাপাড়া গ্রাম থেকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ঘনিমহেশপুর (খ্রিষ্টান মিশনপাড়া) গ্রামের সিলপাটা ব্যবসায়ী বাবলু ঘোষের সঙ্গে প্রতিবেশি সাবেক ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলমের মধ্যে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। বাবলু ঘোষের বাড়ির সম্মুখ অংশ দখল করে জাহাঙ্গীর আলম তার প্রথম স্ত্রী লিলি বেগমকে নিয়ে সেখানে বসবাস করে আসছিল। গত বছরের ৫ নভেম্বর সকালে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে নিহত অনিতা ঘোষ এবং আসামী লিলি বেগমের মাঝে বাক বিতন্ডা শুরু হয়।খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে জাহাঙ্গীর আলম মেম্বার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে জাহাঙ্গীর মেম্বার বাশের লাঠি নিয়ে অনিতা ঘোষের মাথায় সজোরে আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীরা তাকে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭ নভেম্বর ভোর সাড়ে ৫ টায় অনিতা রানী মারা যায়। এ ঘটনায় অনিতা ঘোষের স্বামী বাবলু ঘোষ বাদী হয়ে রুহিয়া ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম ও তার স্ত্রী লিলি বেগমকে আসামী করে রুহিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এদিকে জাহাঙ্গীর পলাতক থাকার পর বুধবার ভোরে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। রুহিয়া থানা ওসি (তদন্ত) বাবলু কুমার রায় জানান, আসামী জাহাঙ্গীর মেম্বার ঘটনার পর থেকে পালাতক রয়েছিলেন। তিনি ঘনঘন জায়গা ও মোবাইলের সিম পরিবর্তন করায় তাকে সনাক্ত করা যাচ্ছিল না। অবশেষে তিনি আটোয়ারী উপজেলার তোড়েয়া ইউনিয়নের ডুহাপাড়া গ্রামের অটো চালক আনিসুরের বাড়িতে ৩দিন পূর্বে আশ্রয় নিলে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই।