সংবাদ শিরোনাম
সীমান্তের ১৩ টি পূজা মন্ডবে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেছে ৪২ বিজিবির সদস্যরা পীরগঞ্জে দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ন করতে উপজেলা প্রশাসনের মত-বিনীময় সভা পীরগঞ্জে হিন্দু ধর্মীয় দুর্গা-পূজার জন্য অনুদান বিতরন একটি আদর্শ, একটি স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দেবার ক্ষেত্রে এটি নি:সন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ন মাইলফলক-পরিচালক ইত্তাশাম-উল-হক পীরগঞ্জে ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত চেরকুঘাট সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন চেরকুঘাট সেতুর উদ্বোধন করলেন এমপি জাহিদুর ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলে অন্ত: প্রতিযোগীতা ইংলিশ অলিম্পিয়ার্ড ও বিজ্ঞান উৎসবের উদ্বোধন পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর টিকা দেয়ার কারনে আজ দেশ থেকে গুটি বসন্ত রোগ চিরতরে বিদায় হয়েছে, তেমনি করে গরু ছাগলকেও টিকা দেয়ার বিকল্প নেই-ঠাকুরগাঁওয়ে লাইভষ্টক পরিচালক ডা: আব্দুল হাই সরকার ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নৈতিক শিক্ষা আর নীতি আদর্শ না থাকলে কোনো শিক্ষাই জীবনে কাজে আসবেনা-আল-হাসানাহ পরিচালক মিম

রুহিয়ার অনিতা রানী হত্যা মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার

রুহিয়া (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি :ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় অনিতা রানী ঘোষ হত্যা মামলার প্রধান আসামী সাবেক ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম (৫০)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার ভোরে রুহিয়া থানার পুলিশ তাকে আটোয়ারী উপজেলার তোড়েয়া ডুহাপাড়া গ্রাম থেকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ঘনিমহেশপুর (খ্রিষ্টান মিশনপাড়া) গ্রামের সিলপাটা ব্যবসায়ী বাবলু ঘোষের সঙ্গে প্রতিবেশি সাবেক ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলমের মধ্যে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। বাবলু ঘোষের বাড়ির সম্মুখ অংশ দখল করে জাহাঙ্গীর আলম তার প্রথম স্ত্রী লিলি বেগমকে নিয়ে সেখানে বসবাস করে আসছিল। গত বছরের ৫ নভেম্বর সকালে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে নিহত অনিতা ঘোষ এবং আসামী লিলি বেগমের মাঝে বাক বিতন্ডা শুরু হয়।খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে জাহাঙ্গীর আলম মেম্বার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে জাহাঙ্গীর মেম্বার বাশের লাঠি নিয়ে অনিতা ঘোষের মাথায় সজোরে আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীরা তাকে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭ নভেম্বর ভোর সাড়ে ৫ টায় অনিতা রানী মারা যায়। এ ঘটনায় অনিতা ঘোষের স্বামী বাবলু ঘোষ বাদী হয়ে রুহিয়া ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম ও তার স্ত্রী লিলি বেগমকে আসামী করে রুহিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এদিকে জাহাঙ্গীর পলাতক থাকার পর বুধবার ভোরে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। রুহিয়া থানা ওসি (তদন্ত) বাবলু কুমার রায় জানান, আসামী জাহাঙ্গীর মেম্বার ঘটনার পর থেকে পালাতক রয়েছিলেন। তিনি ঘনঘন জায়গা ও মোবাইলের সিম পরিবর্তন করায় তাকে সনাক্ত করা যাচ্ছিল না। অবশেষে তিনি আটোয়ারী উপজেলার তোড়েয়া ইউনিয়নের ডুহাপাড়া গ্রামের অটো চালক আনিসুরের বাড়িতে ৩দিন পূর্বে আশ্রয় নিলে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

সীমান্তের ১৩ টি পূজা মন্ডবে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেছে ৪২ বিজিবির সদস্যরা

রুহিয়ার অনিতা রানী হত্যা মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার

আপডেট টাইম ০৫:২৪:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯

রুহিয়া (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি :ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় অনিতা রানী ঘোষ হত্যা মামলার প্রধান আসামী সাবেক ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম (৫০)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার ভোরে রুহিয়া থানার পুলিশ তাকে আটোয়ারী উপজেলার তোড়েয়া ডুহাপাড়া গ্রাম থেকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ঘনিমহেশপুর (খ্রিষ্টান মিশনপাড়া) গ্রামের সিলপাটা ব্যবসায়ী বাবলু ঘোষের সঙ্গে প্রতিবেশি সাবেক ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলমের মধ্যে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। বাবলু ঘোষের বাড়ির সম্মুখ অংশ দখল করে জাহাঙ্গীর আলম তার প্রথম স্ত্রী লিলি বেগমকে নিয়ে সেখানে বসবাস করে আসছিল। গত বছরের ৫ নভেম্বর সকালে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে নিহত অনিতা ঘোষ এবং আসামী লিলি বেগমের মাঝে বাক বিতন্ডা শুরু হয়।খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে জাহাঙ্গীর আলম মেম্বার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে জাহাঙ্গীর মেম্বার বাশের লাঠি নিয়ে অনিতা ঘোষের মাথায় সজোরে আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীরা তাকে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭ নভেম্বর ভোর সাড়ে ৫ টায় অনিতা রানী মারা যায়। এ ঘটনায় অনিতা ঘোষের স্বামী বাবলু ঘোষ বাদী হয়ে রুহিয়া ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম ও তার স্ত্রী লিলি বেগমকে আসামী করে রুহিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এদিকে জাহাঙ্গীর পলাতক থাকার পর বুধবার ভোরে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। রুহিয়া থানা ওসি (তদন্ত) বাবলু কুমার রায় জানান, আসামী জাহাঙ্গীর মেম্বার ঘটনার পর থেকে পালাতক রয়েছিলেন। তিনি ঘনঘন জায়গা ও মোবাইলের সিম পরিবর্তন করায় তাকে সনাক্ত করা যাচ্ছিল না। অবশেষে তিনি আটোয়ারী উপজেলার তোড়েয়া ইউনিয়নের ডুহাপাড়া গ্রামের অটো চালক আনিসুরের বাড়িতে ৩দিন পূর্বে আশ্রয় নিলে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই।