সংবাদ শিরোনাম
পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর টিকা দেয়ার কারনে আজ দেশ থেকে গুটি বসন্ত রোগ চিরতরে বিদায় হয়েছে, তেমনি করে গরু ছাগলকেও টিকা দেয়ার বিকল্প নেই-ঠাকুরগাঁওয়ে লাইভষ্টক পরিচালক ডা: আব্দুল হাই সরকার ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নৈতিক শিক্ষা আর নীতি আদর্শ না থাকলে কোনো শিক্ষাই জীবনে কাজে আসবেনা-আল-হাসানাহ পরিচালক মিম ঠাকুরগাঁওয়ে ‘এন্টি-মাইক্রোবিয়াল রেজিস্টেন্স’ রোধে প্রাণিসম্পদ বিভাগের মতবিনিময় সভা ঠাকুরগাঁওয়ের হবি গরুর খামার করে এখন চিজ ফ্যাক্টরীর মালিক পীরগঞ্জে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কর্মশালা পীরগঞ্জে নাশকতা চেষ্টার অভিযোগে ২ জন আটক ‘এন্টি মাইক্রোবিয়াল রেজিষ্টেন্স’ রোধে প্রানিসম্পদ বিভাগের ষ্টেক-হোল্ডারদের মত-বিনিময় সভা আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত

বাঁশের সাঁকোই ভরসা দুই উপজেলার ৫০ হাজার মানুষের

আজম রেহমান,সারাদিন ডেস্ক::ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার ১০নং জাবরহাট ইউনিয়ন দিয়ে বয়ে যাওয়া টাঙ্গন নদীর আতাই ঘাটে দীর্ঘদিনেও নির্মাণ হয়নি ব্রীজ। এতে ব্রীজের অভাবে দুই উপজেলার প্রায় ৫০ হাজার মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হচ্ছে। নদীর এপারে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলা, ওপারে দিনাজপুর জেলার বোচাগঞ্জ উপজেলা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঐ এলাকার সাগরাম ও মাইকেলের উদ্যোগে প্রায় এক হাজার ফুট লম্বা ঝুঁকিপর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচল করছে স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী সহ দুই উপজেলার প্রায় পঞ্চাশ হাজার মানুষ। আসা যাওয়ার জন্য এ সাঁকোটিই একমাত্র ভরসা। বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে কৃষি পন্য পরিবহন ও অন্যান্য ভারী যানবাহন চলাচলের উপযোগী না হওয়ায় ঐ এলাকার কৃষকরা তাদের উৎপাদিত কৃষি পণ্য সহজ ভাবে বাজারজাত করতে পারছে না। অপরদিকে দুর্ভোগের কারণে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত ঐ এলাকার মানুষ। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাঁশের সাঁকোর উদ্যোক্তা সাগরাম ও মাইকেল সহ বেশ কয়েকজন স্থানীয় মাতব্বর বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপারের জন্য প্রতি জনের কাছ থেকে ১০ টাকা এবং বাইসাইকেল-মোটরসাইকেল পারাপারে জন্য ১৫-২০ টাকা নিচ্ছে। এ যেন একটি নিরব চাঁদাবাজি। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে নানা ভাবে হেনেস্তার শিকার হতে হয় এলাকাবাসীদের । তাছাড়া ঐ ঘাটের পূর্বপার্শ্বে প্রতিবছরই বান্নিস্নান মহোৎসবের আয়োজন করা হয়। দুই উপজেলার হাজার হাজার হিন্দুধর্মাবলম্বী ভক্তরা মহোৎসব পালন করতে আসেন সেখানে। কিন্তু পীরগঞ্জের এপারে বাঁশের সাঁকোর ব্যবস্থা থাকলেও ওপারে বোচাগঞ্জ উপজেলায় বাঁশের সাঁকোর ব্যবস্থা না থাকায় হাটু পানি ভেঙ্গে যাতায়াত করতে হয় ওপারের বোচাগঞ্জ উপজেলায়। ফলে ঐসব এলাকার লোকজনের দুর্ভোগের যেন শেষ নেই। এলাকাবাসীর দাবী একটি স্থায়ী ব্রীজ নির্মাণের। ব্রীজটি নির্মাণ হলে দু উপজেলার হাজার হাজার মানুষের ভোগান্তি কমবে। এ বিষয়ে স্থানীয় জাবরহাট ইউ’পি চেয়ারম্যান মোঃ হুমায়ুন কবীর জানায়, ভরা বর্ষা মৌসুমে নৌকার উপর দিয়ে যাতায়াত করে দু উপজেলার মানুষ। নদীর আতাই ঘাটে সরকারি অর্থায়নে একটি ব্রীজ নির্মাণ করা প্রয়োজন। ব্রীজটি নির্মাণ করা হলে দুই উপজেলার মানুষের যাতায়াতে সুবিধার পাশাপাশি এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন ঘটবে।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর

বাঁশের সাঁকোই ভরসা দুই উপজেলার ৫০ হাজার মানুষের

আপডেট টাইম ০৭:১৯:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯

আজম রেহমান,সারাদিন ডেস্ক::ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার ১০নং জাবরহাট ইউনিয়ন দিয়ে বয়ে যাওয়া টাঙ্গন নদীর আতাই ঘাটে দীর্ঘদিনেও নির্মাণ হয়নি ব্রীজ। এতে ব্রীজের অভাবে দুই উপজেলার প্রায় ৫০ হাজার মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হচ্ছে। নদীর এপারে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলা, ওপারে দিনাজপুর জেলার বোচাগঞ্জ উপজেলা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঐ এলাকার সাগরাম ও মাইকেলের উদ্যোগে প্রায় এক হাজার ফুট লম্বা ঝুঁকিপর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচল করছে স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী সহ দুই উপজেলার প্রায় পঞ্চাশ হাজার মানুষ। আসা যাওয়ার জন্য এ সাঁকোটিই একমাত্র ভরসা। বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে কৃষি পন্য পরিবহন ও অন্যান্য ভারী যানবাহন চলাচলের উপযোগী না হওয়ায় ঐ এলাকার কৃষকরা তাদের উৎপাদিত কৃষি পণ্য সহজ ভাবে বাজারজাত করতে পারছে না। অপরদিকে দুর্ভোগের কারণে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত ঐ এলাকার মানুষ। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাঁশের সাঁকোর উদ্যোক্তা সাগরাম ও মাইকেল সহ বেশ কয়েকজন স্থানীয় মাতব্বর বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপারের জন্য প্রতি জনের কাছ থেকে ১০ টাকা এবং বাইসাইকেল-মোটরসাইকেল পারাপারে জন্য ১৫-২০ টাকা নিচ্ছে। এ যেন একটি নিরব চাঁদাবাজি। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে নানা ভাবে হেনেস্তার শিকার হতে হয় এলাকাবাসীদের । তাছাড়া ঐ ঘাটের পূর্বপার্শ্বে প্রতিবছরই বান্নিস্নান মহোৎসবের আয়োজন করা হয়। দুই উপজেলার হাজার হাজার হিন্দুধর্মাবলম্বী ভক্তরা মহোৎসব পালন করতে আসেন সেখানে। কিন্তু পীরগঞ্জের এপারে বাঁশের সাঁকোর ব্যবস্থা থাকলেও ওপারে বোচাগঞ্জ উপজেলায় বাঁশের সাঁকোর ব্যবস্থা না থাকায় হাটু পানি ভেঙ্গে যাতায়াত করতে হয় ওপারের বোচাগঞ্জ উপজেলায়। ফলে ঐসব এলাকার লোকজনের দুর্ভোগের যেন শেষ নেই। এলাকাবাসীর দাবী একটি স্থায়ী ব্রীজ নির্মাণের। ব্রীজটি নির্মাণ হলে দু উপজেলার হাজার হাজার মানুষের ভোগান্তি কমবে। এ বিষয়ে স্থানীয় জাবরহাট ইউ’পি চেয়ারম্যান মোঃ হুমায়ুন কবীর জানায়, ভরা বর্ষা মৌসুমে নৌকার উপর দিয়ে যাতায়াত করে দু উপজেলার মানুষ। নদীর আতাই ঘাটে সরকারি অর্থায়নে একটি ব্রীজ নির্মাণ করা প্রয়োজন। ব্রীজটি নির্মাণ করা হলে দুই উপজেলার মানুষের যাতায়াতে সুবিধার পাশাপাশি এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন ঘটবে।