ঢাকা ০৭:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সাংবাদিক বিপ্লবের উপর হামলা মামলার আসামীরা গ্রেপ্তার হচ্ছেনা পীরগঞ্জে শহীদ জমিদার পরিবারের পক্ষে কুরানখানী ও মিলাদমাহফিল চাঞ্চল্যকর আকরাম হত্যা মামলা তদন্তে পুলিশের বানিজ্য-মামলা ভিন্নখাতে প্রবাহের চেষ্টা পীরগঞ্জে নিয়োগ বাণিজ্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন হিমালয় সংলগ্ন জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে নেই আবহাওয়া অফিস ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাইমারীর ভাইভা পরীক্ষা দিতে গিয়ে ২ চাকরীপ্রার্থী আটক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসে ধরা খেলেন চাকরিপ্রার্থী।  ৪৬৮ এমপি এখনো বহাল সংসদ-সদস্যের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক জীবনে আপনি সত্যিকারের সুখী কি না যেভাবে বুঝবেন ‘নজিরবিহীন ভোটবিমুখতা’-BBC

আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন চিত্রনায়িকা ববিতা

আজম রেহমান,সারাদিন ডেস্ক:: ২০১৮ সালের মেরিল-প্রথম আলো আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন চিত্রনায়িকা ববিতা। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার ২০১৭-এর ২০তম আসরে তাঁর হাতে এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। চিত্রনায়িকা ববিতার হাতে সম্মাননা ও ক্রেস্ট তুলে দেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান ইমাম।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের হল অব ফেমে অনুষ্ঠিত হচ্ছে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার ২০১৭। জমকালো পরিবেশনা ও দেশের শীর্ষস্থানীয় তারকাদের উপস্থিতিতে এ আয়োজন পরিণত হয়েছে মিলনমেলায়। হাজির হয়েছেন নবীন, প্রবীণ ও খ্যাতিমান সব তারকা।

দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অবদান রাখার জন্য চিত্রনায়িকা ববিতাকে দেওয়া হয়েছে ‘আজীবন সম্মাননা’। পরিবার ও কাছের মানুষের কাছে ষাটোর্ধ্ব এই নায়িকার নাম ফরিদা আক্তার পপি। চলচ্চিত্রজগতে শুরুর দিকে তাঁর নাম ছিল ‘সুবর্ণা’। জহির রায়হানের ‘জ্বলতে সুরজ কে নিচে’ ছবিতে অভিনয় করতে গিয়ে তাঁর নাম হয়ে যায় ‘ববিতা’। সেই থেকে এখনো ববিতা নামেই দেশ-বিদেশের মানুষের ভালোবাসা কুড়িয়ে চলেছেন তিনি।১৯৫৩ সালের ৩০ জুলাই বাগেরহাট জেলায় জন্মগ্রহণ করেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই অভিনেত্রী। মা-বাবা চেয়েছিলেন, তাঁদের মেয়ে যেন বড় হয়ে চিকিৎসক হন। বড় বোন সুচন্দার অনুপ্রেরণায় চলচ্চিত্রে নাম লেখান ববিতা। ১৯৬৮ সালে জহির রায়হানের ‘সংসার’ ছবিতে শিশুশিল্পী হিসেবে রুপালি পর্দায় তাঁর অভিষেক হয়।

সত্যজিৎ রায়ের ‘অশনি সংকেত’ ছবিতে অনঙ্গ বউ চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করে আন্তর্জাতিক খ্যাতি পান ববিতা। গ্রামীণ, শহুরে কিংবা সামাজিক, অ্যাকশন—সব ধরনের ছবিতেই তিনি ছিলেন সাবলীল।

ববিতা অভিনীত ছবির সংখ্যা আড়াই শতাধিক। এর মধ্যে ‘বাঁদী থেকে বেগম’ (১৯৭৫), ‘নয়নমণি’ (১৯৭৬), ‘বসুন্ধরা’ (১৯৭৭), ‘রামের সুমতি’ (১৯৮৫) ও ‘পোকামাকড়ের ঘরবসতি’ (১৯৯৬) ছবির জন্য সেরা অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

সাংবাদিক বিপ্লবের উপর হামলা মামলার আসামীরা গ্রেপ্তার হচ্ছেনা

আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন চিত্রনায়িকা ববিতা

আপডেট টাইম ০৮:০১:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মার্চ ২০১৮

আজম রেহমান,সারাদিন ডেস্ক:: ২০১৮ সালের মেরিল-প্রথম আলো আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন চিত্রনায়িকা ববিতা। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার ২০১৭-এর ২০তম আসরে তাঁর হাতে এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। চিত্রনায়িকা ববিতার হাতে সম্মাননা ও ক্রেস্ট তুলে দেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান ইমাম।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের হল অব ফেমে অনুষ্ঠিত হচ্ছে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার ২০১৭। জমকালো পরিবেশনা ও দেশের শীর্ষস্থানীয় তারকাদের উপস্থিতিতে এ আয়োজন পরিণত হয়েছে মিলনমেলায়। হাজির হয়েছেন নবীন, প্রবীণ ও খ্যাতিমান সব তারকা।

দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অবদান রাখার জন্য চিত্রনায়িকা ববিতাকে দেওয়া হয়েছে ‘আজীবন সম্মাননা’। পরিবার ও কাছের মানুষের কাছে ষাটোর্ধ্ব এই নায়িকার নাম ফরিদা আক্তার পপি। চলচ্চিত্রজগতে শুরুর দিকে তাঁর নাম ছিল ‘সুবর্ণা’। জহির রায়হানের ‘জ্বলতে সুরজ কে নিচে’ ছবিতে অভিনয় করতে গিয়ে তাঁর নাম হয়ে যায় ‘ববিতা’। সেই থেকে এখনো ববিতা নামেই দেশ-বিদেশের মানুষের ভালোবাসা কুড়িয়ে চলেছেন তিনি।১৯৫৩ সালের ৩০ জুলাই বাগেরহাট জেলায় জন্মগ্রহণ করেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই অভিনেত্রী। মা-বাবা চেয়েছিলেন, তাঁদের মেয়ে যেন বড় হয়ে চিকিৎসক হন। বড় বোন সুচন্দার অনুপ্রেরণায় চলচ্চিত্রে নাম লেখান ববিতা। ১৯৬৮ সালে জহির রায়হানের ‘সংসার’ ছবিতে শিশুশিল্পী হিসেবে রুপালি পর্দায় তাঁর অভিষেক হয়।

সত্যজিৎ রায়ের ‘অশনি সংকেত’ ছবিতে অনঙ্গ বউ চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করে আন্তর্জাতিক খ্যাতি পান ববিতা। গ্রামীণ, শহুরে কিংবা সামাজিক, অ্যাকশন—সব ধরনের ছবিতেই তিনি ছিলেন সাবলীল।

ববিতা অভিনীত ছবির সংখ্যা আড়াই শতাধিক। এর মধ্যে ‘বাঁদী থেকে বেগম’ (১৯৭৫), ‘নয়নমণি’ (১৯৭৬), ‘বসুন্ধরা’ (১৯৭৭), ‘রামের সুমতি’ (১৯৮৫) ও ‘পোকামাকড়ের ঘরবসতি’ (১৯৯৬) ছবির জন্য সেরা অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।